ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানের কাশ্মীরে গুলি-হত্যা, যুক্তরাজ্যে অধিকারকর্মীদের বিক্ষোভ


পাকিস্তানের কাশ্মীরে গুলি-হত্যা, যুক্তরাজ্যে অধিকারকর্মীদের বিক্ষোভ

পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (পিওকে) বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ডে পাকিস্তান কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ করেছেন কাশ্মীরি অধিকারকর্মীরা। বিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার, যেখানে তারা পিওকেতে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ হল, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমাতে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করছে। তাদের দাবি যে, রাওয়ালাকোট ও মিরপুরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কয়েকজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা মৌলিক অধিকার এবং বিভিন্ন দাবির পক্ষে আন্দোলন করতে ছিল। ব্র্যাডফোর্ডের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কাশ্মীরি সংগঠনগুলোর সদস্যরা বলছেন, পিওকের মানুষের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য এবং সেখানে চলমান দমন-পীড়নের অবসান ঘটানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

এই বিক্ষোভের সাথে সাথে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কোনো অপশক্তিকে জাতীয় ঐক্য নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না: রাষ্ট্রপতি

এদিকে, পিওকেতে টানা ৫২ দিন ধরে চলা আন্দোলনের ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো’র মধ্যে রয়েছে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তি, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং অন্যান্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন। সোমবার যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) ও প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি।

এরপর সংগঠনটি কর্তৃপক্ষকে ২৭ জুলাই দুপুর ১টা পর্যন্ত সময় প্রদান করে। ওই সময়ের মধ্যে দাবিগুলো মেনে নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না করার ক্ষেত্রে রাওয়ালাকোট থেকে মুজাফফরাবাদ পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করার ঘোষণা দেয় তারা।

নির্ধারিত সময়ে সমঝোতা না হওয়ার পর হাজারো মানুষ রাওয়ালাকোটে জড়ো হন এবং মুজাফফরাবাদের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এ সময় তাদের বাধা দিতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। আন্দোলনের সাথে যুক্ত প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং প্রায় দুই ডজন মানুষ আহত হন। তবে এই হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আন্দোলনের অন্যতম নেতা ইমতিয়াজ আসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন, নিহতদের মধ্যে আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ওমর নাজিরের ছোট ভাই উসমান নাজিরও রয়েছেন। এছাড়াও খাইগালা, কোটলি, তাত্তাপানি, বানজা-বাসপুর, ছোটা গালা, হাভেলিসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও নিহত হয়েছেন। তার দাবি, নিহতদের মধ্যে দুইজন বেলুচ আন্দোলনকারীও ছিলেন। জেএএসি জানায়, ৫ জুন থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত আন্দোলন চলাকালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে পৌঁছেছে। সংগঠনটি নিহতদের ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই সংখ্যাও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: রাশিয়া ও চীনের প্রধানমন্ত্রী সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠকে মিলিত

আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় কারচুপির মাধ্যমে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছেনা। তাদের দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করতে গ্রেপ্তার, ভয়ভীতি এবং ব্যাপক নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। রাওয়ালাকোটের ঘটনার পর অস্থিরতা মিরপুরেও ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নতুন করে শুরু হওয়া বিক্ষোভেও নিরাপত্তা বাহিনী বেসামরিক মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে। কয়েকটি প্রতিবেদনে কয়েকজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর কথাও বলা হয়েছে। তবে এই তথ্যও এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি ঘিরে পিওকেতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। একই সাথে ব্র্যাডফোর্ডের বিক্ষোভ থেকে আন্দোলনকারীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভনে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আলাউদ্দীন (৫৬) নামের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর বাবা একজন দিনমজুর। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান।

একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে গেলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঘরে একা ছিল। দুপুর ১:৩০টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে আসেন এবং ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করার কথা বলে ওই কিশোরীর কাছে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। সে ফটোকপি দেওয়ার পর তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ গ্রহণ করে তিনি ঘরে ঢুকে ওই কিশোরীর গায়ে হাত দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

কিশোরী আতঙ্কিত হয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং সুযোগ পেয়ে সে ঘর থেকে বের হয়ে চিত্কারে জানায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কৌশলে পালিয়ে যান।

দিনাজপুর থেকে কিশোরীর বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগ ও শরীরের বিভিন্ন অসুস্থতা দেখে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ঠাকুরগাঁওয়ে ভর্তি করেন। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলাউদ্দীনকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কোনো কথা না শুনে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। বিপরীতে পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবধান ভারত, জেন জি’রা আসছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


সাবধান ভারত, জেন জি’রা আসছে

আপাতত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সামাল দিতে পেরেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। তবে, এই আন্দোলন সরকারের পক্ষ থেকে নয়, এটি প্রচলিত ধারার সকল রাজনৈতিক দলের সামনেই পালাবদলের একটি বড় ঈঙ্গিত দিয়ে গেছে।

দুর্নীতি এবং অনিয়ম করে, জনগণের সামনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করেই কিছু করার দিন শেষ হতে চলেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচনের সময়, জেন জি প্রজন্মই হবে ভারতের সবচেয়ে বড় ভোটার গোষ্ঠী। সংখ্যা ও প্রভাব, উভয় দিক থেকেই তারাই নির্ধারক হয়ে উঠবে। মাত্র ৩৭ দিনের আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তারা গোটা দেশকে তাদের সক্ষমতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৯ সালের মধ্যে ভারতে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী জেনারেশন জেড-এর সংখ্যা প্রায় ৩৮ কোটিতে পৌঁছাবে। এর মধ্যে থাকবে প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ পুরুষ এবং ১৮ কোটি ১০ লাখ নারী। এটি তাদের ভারতের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্ক প্রজন্মে পরিণত করবে। এমনকি, ২০২৯ সালের মধ্যে জেন জি’রা তাদের আগের প্রজন্ম মিলেনিয়ালদেরও ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৯ সালে মিলেনিয়াল প্রজন্মের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩৫ কোটি ৭০ লাখে।

এই পরিবর্তনের প্রভাব শুধু জনসংখ্যার হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের শিক্ষার্থী, প্রথমবার ভোট দেওয়া ভোটার এবং কর্মজীবনের শুরুতে থাকা পেশাজীবী ও তরুণ পরিবারের সর্বাধিক অংশ আসবে এই জেন জি থেকে। তাই কর্মসংস্থান, শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন এবং সুশাসনের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। আর জেন জি’র পেছনে অপেক্ষা করছে আরো বিশাল আকারের জেন আলফা। যদিও ২০২৯ সালে আলফা প্রজন্মের সদস্যরা ভোটাধিকারের বয়সের নিচে থাকবে, তবুও তাদের সংখ্যা ৪১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও জেন জি’রা ভারতের বৃহত্তম ভোটার গোষ্ঠীতে পরিণত হবে, তবে সামগ্রিক ভোটার তালিকায় তরুণ ভোটারদের অনুপাত ক্রমাগত কমছে। কারণ, চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ফলে ভারতে প্রবীণ জনগণের সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৮৮ সালে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের সংখ্যা ভারতের মোট ভোটারের ৩৮.৩ শতাংশ ছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের মধ্যে সেই অনুপাত ৩০.১ শতাংশে নেমে আসবে। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটি ২৭.৮ শতাংশে নেমে যেতে পারে।

তবে শুধুমাত্র সংখ্যার মাধ্যমে জেন জি’দের বিচার করা রাজনৈতিক নেতাদের জন্য একটি ভুল হতে পারে। জেন জি’রা আলাদা। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মিলেনিয়ালদের অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেন জি’দের জন্মই হয়েছে ডিজিটাল পরিবেশে। আধুনিক প্রযুক্তি শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বকে জেন জি‘দের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। তারা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ এবং মুহূর্তেই নিজেদের আপডেট করতে পারে। তাই, আগের মতো জেন জি’দের ভুল বুঝিয়ে পার পাওয়া সম্ভব নয়। এরা প্রচলিত রাজনীতিতে আগ্রহী না হলেও রাজনীতি সচেতন। জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে জেন জি’রা অত্যন্ত সোচ্চার ও সচেতন। তারা যেকোনো প্রতিষ্ঠান, সরকার বা শিক্ষাব্যবস্থার কাছে স্পষ্টতা, সততা এবং জাবাবদিহিতা চায়। নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য তারা খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে এবং একত্রিত হতে পারে। কতটা পারে, সেটা কিন্তু শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল প্রমাণ করেছে।

এ কারণে, কেবল সংখ্যা হিশেবে ভোটারের প্রভাব নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। জেন জি তাদের বিশাল সংখ্যার সঙ্গে নজিরবিহীন ডিজিটাল যোগাযোগ, উচ্চ শিক্ষা এবং সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত সংগঠিত হওয়ার ক্ষমতাকে যুক্ত করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রবীণ ভোটারদের মন জয় করা যত সহজ, জেন জি’দের মন বোঝা ততটাই কঠিন। যান্ত্রিকভাবে টানা ৩৭ দিনের সফল আন্দোলনের ঢেউ পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সাফল্য জেন জি’দের আরও আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন করেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচন তাই প্রচলিত রাজনৈতিক দলের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। সেইসব রাজনৈতিক নেতারা যারা দ্রুত জেন জি’দের সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করতে পারবে এবং তাদের ভাষা বুঝতে পারবে, তারাই সফল হবে। জেন জি’দের অবহেলা করার ভুল যেন কেউ না করে। তা হলে তাদের ফল ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে স্টুডেন্ট ব্রিগেড সদস্যদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


কুড়িগ্রামে স্টুডেন্ট ব্রিগেড সদস্যদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ের স্টুডেন্ট ব্রিগেড সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি হ্রাসে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে।

এ সম্মেলনে কুড়িগ্রাম জেলার ১৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৫ জন স্টুডেন্ট ব্রিগেড সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জেলার খলিলগঞ্জের অভিনন্দন কনভেনশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দুর্যোগ মোকাবিলার কৌশল, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে করণীয় এবং নিজ নিজ বিদ্যালয় ও পরিবারের জন্য দুর্যোগ প্রস্তুতির ব্যাপারে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।

সম্মেলনটি "Community Support for Inclusive and Equitable Education across 25 Schools in Kurigram District (CBM-V Project)" প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করা হয়। এই প্রকল্পটির আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে Muslim Aid-UK Bangladesh Field Office এবং এটি বাস্তবায়ন করছে জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা Eco-Social Development Organization (ESDO)।

সম্মেলনে স্টুডেন্ট ব্রিগেডের নেতৃত্ব বিকাশ ও ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটি-ভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (CBDRR), কমিউনিটি রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট (CRA), প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (UDMC) সঙ্গে সমন্বয়, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা, আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কুড়িগ্রামের উপ-পরিচালক, Muslim Aid-UK Bangladesh Field Office-এর এডুকেশন কো-অর্ডিনেটর মো. শাহ অলিউল্লাহ এবং প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মঈন উদ্দিন।

বক্তারা বলেন, কুড়িগ্রামের চরাঞ্চল প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকে, তাই বিদ্যালয়ভিত্তিক স্টুডেন্ট ব্রিগেড গঠন এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সম্পৃক্ত করা একটি জরুরি ও কার্যকর উদ্যোগ। তারা সকলের প্রতি আহ্বান জানান, যেন দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমে স্টুডেন্ট ব্রিগেডের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

সম্মেলনের শেষে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে যে, তারা নিজ নিজ বিদ্যালয় ও কমিউনিটিতে দুর্যোগ সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং একটি দুর্যোগ-সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধুনটে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


ধুনটে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি বেপরোয়া গতির বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় সোহেল রানা (২৫) নামে এক মোটরসাইকেল চালক প্রাণ হারিয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী, সোহেলের ছোট ভাই রাব্বী হাসান (১৮), গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) ধুনট-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সোহেল শেরপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্র এবং থানার পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোহেল রানা রাঙ্গামাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে ছোট ভাই রাব্বীকে নিয়ে নিজ বাড়ির দিকে ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে যখন তারা বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছান, তখন একটি বেপরোয়া গতির বালুবাহী ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এই দুর্ঘটনায় সোহেল রানা ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন এবং তার ছোট ভাই রাব্বীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, 'ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত সোহেল রানার মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%