ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা


ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রলোভনে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মো. আলাউদ্দীন (৫৬) নামের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনার সূত্রপাত সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর বাবা একজন দিনমজুর। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান।

একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে গেলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঘরে একা ছিল। দুপুর ১:৩০টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে আসেন এবং ফ্যামিলি কার্ড তৈরি করার কথা বলে ওই কিশোরীর কাছে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চান। সে ফটোকপি দেওয়ার পর তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ গ্রহণ করে তিনি ঘরে ঢুকে ওই কিশোরীর গায়ে হাত দেন এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

আরও পড়ুন: লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

কিশোরী আতঙ্কিত হয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং সুযোগ পেয়ে সে ঘর থেকে বের হয়ে চিত্কারে জানায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কৌশলে পালিয়ে যান।

দিনাজপুর থেকে কিশোরীর বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগ ও শরীরের বিভিন্ন অসুস্থতা দেখে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ঠাকুরগাঁওয়ে ভর্তি করেন। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলাউদ্দীনকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কোনো কথা না শুনে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। বিপরীতে পুলিশ আসামি আলাউদ্দীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে সাগরে গোসলে ১২ বছরে ৮৪ পর্যটকের মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবধান ভারত, জেন জি’রা আসছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


সাবধান ভারত, জেন জি’রা আসছে

আপাতত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সামাল দিতে পেরেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। তবে, এই আন্দোলন সরকারের পক্ষ থেকে নয়, এটি প্রচলিত ধারার সকল রাজনৈতিক দলের সামনেই পালাবদলের একটি বড় ঈঙ্গিত দিয়ে গেছে।

দুর্নীতি এবং অনিয়ম করে, জনগণের সামনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করেই কিছু করার দিন শেষ হতে চলেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচনের সময়, জেন জি প্রজন্মই হবে ভারতের সবচেয়ে বড় ভোটার গোষ্ঠী। সংখ্যা ও প্রভাব, উভয় দিক থেকেই তারাই নির্ধারক হয়ে উঠবে। মাত্র ৩৭ দিনের আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তারা গোটা দেশকে তাদের সক্ষমতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৯ সালের মধ্যে ভারতে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী জেনারেশন জেড-এর সংখ্যা প্রায় ৩৮ কোটিতে পৌঁছাবে। এর মধ্যে থাকবে প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ পুরুষ এবং ১৮ কোটি ১০ লাখ নারী। এটি তাদের ভারতের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্ক প্রজন্মে পরিণত করবে। এমনকি, ২০২৯ সালের মধ্যে জেন জি’রা তাদের আগের প্রজন্ম মিলেনিয়ালদেরও ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৯ সালে মিলেনিয়াল প্রজন্মের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩৫ কোটি ৭০ লাখে।

এই পরিবর্তনের প্রভাব শুধু জনসংখ্যার হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের শিক্ষার্থী, প্রথমবার ভোট দেওয়া ভোটার এবং কর্মজীবনের শুরুতে থাকা পেশাজীবী ও তরুণ পরিবারের সর্বাধিক অংশ আসবে এই জেন জি থেকে। তাই কর্মসংস্থান, শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন এবং সুশাসনের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। আর জেন জি’র পেছনে অপেক্ষা করছে আরো বিশাল আকারের জেন আলফা। যদিও ২০২৯ সালে আলফা প্রজন্মের সদস্যরা ভোটাধিকারের বয়সের নিচে থাকবে, তবুও তাদের সংখ্যা ৪১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও জেন জি’রা ভারতের বৃহত্তম ভোটার গোষ্ঠীতে পরিণত হবে, তবে সামগ্রিক ভোটার তালিকায় তরুণ ভোটারদের অনুপাত ক্রমাগত কমছে। কারণ, চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ফলে ভারতে প্রবীণ জনগণের সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৮৮ সালে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের সংখ্যা ভারতের মোট ভোটারের ৩৮.৩ শতাংশ ছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের মধ্যে সেই অনুপাত ৩০.১ শতাংশে নেমে আসবে। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটি ২৭.৮ শতাংশে নেমে যেতে পারে।

তবে শুধুমাত্র সংখ্যার মাধ্যমে জেন জি’দের বিচার করা রাজনৈতিক নেতাদের জন্য একটি ভুল হতে পারে। জেন জি’রা আলাদা। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মিলেনিয়ালদের অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেন জি’দের জন্মই হয়েছে ডিজিটাল পরিবেশে। আধুনিক প্রযুক্তি শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বকে জেন জি‘দের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। তারা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ এবং মুহূর্তেই নিজেদের আপডেট করতে পারে। তাই, আগের মতো জেন জি’দের ভুল বুঝিয়ে পার পাওয়া সম্ভব নয়। এরা প্রচলিত রাজনীতিতে আগ্রহী না হলেও রাজনীতি সচেতন। জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে জেন জি’রা অত্যন্ত সোচ্চার ও সচেতন। তারা যেকোনো প্রতিষ্ঠান, সরকার বা শিক্ষাব্যবস্থার কাছে স্পষ্টতা, সততা এবং জাবাবদিহিতা চায়। নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য তারা খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে এবং একত্রিত হতে পারে। কতটা পারে, সেটা কিন্তু শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল প্রমাণ করেছে।

এ কারণে, কেবল সংখ্যা হিশেবে ভোটারের প্রভাব নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। জেন জি তাদের বিশাল সংখ্যার সঙ্গে নজিরবিহীন ডিজিটাল যোগাযোগ, উচ্চ শিক্ষা এবং সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত সংগঠিত হওয়ার ক্ষমতাকে যুক্ত করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রবীণ ভোটারদের মন জয় করা যত সহজ, জেন জি’দের মন বোঝা ততটাই কঠিন। যান্ত্রিকভাবে টানা ৩৭ দিনের সফল আন্দোলনের ঢেউ পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। এই সাফল্য জেন জি’দের আরও আত্মবিশ্বাসী ও সচেতন করেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচন তাই প্রচলিত রাজনৈতিক দলের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। সেইসব রাজনৈতিক নেতারা যারা দ্রুত জেন জি’দের সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করতে পারবে এবং তাদের ভাষা বুঝতে পারবে, তারাই সফল হবে। জেন জি’দের অবহেলা করার ভুল যেন কেউ না করে। তা হলে তাদের ফল ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে স্টুডেন্ট ব্রিগেড সদস্যদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


কুড়িগ্রামে স্টুডেন্ট ব্রিগেড সদস্যদের জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ের স্টুডেন্ট ব্রিগেড সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি হ্রাসে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে।

এ সম্মেলনে কুড়িগ্রাম জেলার ১৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮৫ জন স্টুডেন্ট ব্রিগেড সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জেলার খলিলগঞ্জের অভিনন্দন কনভেনশন সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দুর্যোগ মোকাবিলার কৌশল, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে করণীয় এবং নিজ নিজ বিদ্যালয় ও পরিবারের জন্য দুর্যোগ প্রস্তুতির ব্যাপারে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।

সম্মেলনটি "Community Support for Inclusive and Equitable Education across 25 Schools in Kurigram District (CBM-V Project)" প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করা হয়। এই প্রকল্পটির আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে Muslim Aid-UK Bangladesh Field Office এবং এটি বাস্তবায়ন করছে জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা Eco-Social Development Organization (ESDO)।

সম্মেলনে স্টুডেন্ট ব্রিগেডের নেতৃত্ব বিকাশ ও ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটি-ভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (CBDRR), কমিউনিটি রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট (CRA), প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (UDMC) সঙ্গে সমন্বয়, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা, আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কুড়িগ্রামের উপ-পরিচালক, Muslim Aid-UK Bangladesh Field Office-এর এডুকেশন কো-অর্ডিনেটর মো. শাহ অলিউল্লাহ এবং প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. মঈন উদ্দিন।

বক্তারা বলেন, কুড়িগ্রামের চরাঞ্চল প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকে, তাই বিদ্যালয়ভিত্তিক স্টুডেন্ট ব্রিগেড গঠন এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সম্পৃক্ত করা একটি জরুরি ও কার্যকর উদ্যোগ। তারা সকলের প্রতি আহ্বান জানান, যেন দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমে স্টুডেন্ট ব্রিগেডের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

সম্মেলনের শেষে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে যে, তারা নিজ নিজ বিদ্যালয় ও কমিউনিটিতে দুর্যোগ সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং একটি দুর্যোগ-সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধুনটে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


ধুনটে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি বেপরোয়া গতির বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় সোহেল রানা (২৫) নামে এক মোটরসাইকেল চালক প্রাণ হারিয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী, সোহেলের ছোট ভাই রাব্বী হাসান (১৮), গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) ধুনট-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সোহেল শেরপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্র এবং থানার পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোহেল রানা রাঙ্গামাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে ছোট ভাই রাব্বীকে নিয়ে নিজ বাড়ির দিকে ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে যখন তারা বথুয়াবাড়ি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছান, তখন একটি বেপরোয়া গতির বালুবাহী ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এই দুর্ঘটনায় সোহেল রানা ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন এবং তার ছোট ভাই রাব্বীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, 'ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত সোহেল রানার মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল হ্যাক করে ৩ লাখ টাকা নিয়ে গেল প্রতারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


মোবাইল হ্যাক করে ৩ লাখ টাকা নিয়ে গেল প্রতারক

ময়মনসিংহে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আসিফ আহমেদ, যিনি ওরফে সায়েম, বয়স ২৪ বছর, গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, বিকেলে র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যে জানানো হয়। সোমবার, ২৭ জুলাই, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসিফ হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের শিমুলকুচি গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

জানা গেছে, নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা চৌধুরী মনিরুজ্জামান, বয়স ৪৭ বছর, চাকরির সুবাদে বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলায় থাকেন। গত ১৩ জুন তার মোবাইল ফোন হ্যাক করে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। পরে তার স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই বগুড়ার শাহজাহানপুর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ১৭, ১৮, ২২ ও ২৭ ধারায় চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়। ওই মামলায় আসিফ আহমেদ চতুর্থ আসামি।

র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহ সদর কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তার অনুরোধে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শাহজাহানপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%