ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের সামরিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে ওআইসি


সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের সামরিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে ওআইসি

অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-কে স্বাগত জানিয়েছে।

শনিবার তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে।

সংস্থাটির মহাসচিব হুসেইন ব্রাহিম তাহা এই চুক্তির প্রতি তার সমর্থন ও প্রশংসা জানিয়ে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন

মহাসচিব তার বিবৃতিতে বলেন, এই চুক্তি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে দেশগুলো ভূমিকা রাখবে এবং মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

তিন দেশের নেতৃত্ব ও প্রচেষ্টায় এই ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই চুক্তি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে অবদান রাখবে। বর্তমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে এই চুক্তি ওআইসি সদস্য দেশগুলোর দৃঢ় সংকল্পের অংশ।

এর আগে শুক্রবার মক্কায় অনুষ্ঠিত এক ত্রিপাক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেখানেই এই যৌথ সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

আরও পড়ুন: রাজা চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করলেন

এই চুক্তির মাধ্যমে তারা যৌথ নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তুর্কি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই চুক্তিটি একটি প্রতিরক্ষাকেন্দ্রিক সহযোগিতা ব্যবস্থা, যা কোনও নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এর উদ্দেশ্য হলো- দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং একটি অভিন্ন নিরাপত্তা পদ্ধতির মাধ্যমে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির প্রতি অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করা।

এই চুক্তির আরও লক্ষ্য হলো- যেকোনও আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা। চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই তিনটি দেশের যেকোনও একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সকলের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আরও পড়ুন: কিং ফাহদ বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১, আহত ৮

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমা প্রার্থনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমা প্রার্থনা

এক দশকেরও বেশি সময় আগে বিদেশি রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দক্ষিণ কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কেএফএ) বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার দেশটির সংবাদমাধ্যম জেটিবিসির এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পায়।

অভিযোগ সামনে আসার পর, শনিবার (৮ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়ে এক বিবৃতি প্রদান করেছে কেএফএ।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম জেটিবিসি জানায়, কেএফএ ২০১১ এবং ২০১২ সালে একাধিকবার বিদেশি রেফারিদের এই ধরনের সেবা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১২ লন্ডন অলিম্পিক বাছাইপর্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর সময় এই সুবিধা প্রদান করা হয়।

বিবৃতিতে কেএফএ উল্লেখ করে, ২০১৬ সালের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি গোপন অডিট রিপোর্ট সম্প্রতি জনসাধারণের কাছে প্রকাশিত হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রেফারিদের সিউলের বিভিন্ন ম্যাসাজ পার্লার ও অ্যাডাল্ট এস্টাবলিশমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সংস্থাটির করপোরেট ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সেখানকার বিল পরিশোধ করা হতো।

যেহেতু এই ঘটনাগুলো এক দশক আগে ঘটেছিল, তাই বর্তমান সংগঠনের অনেকেই এসব বিষয়ে অবগত নয়। কেএফএ গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে ব্যাপক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

জেটিবিসির প্রতিবেদনে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের একটি তদন্তের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে দেখা গেছে যে কেএফএ ২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০১২ সালের মার্চের মধ্যে সাতবার বিদেশি রেফারিদের জন্য অনীহা বিনোদনের ব্যবস্থা করেছিল। এর মধ্যে ম্যাসাজ পার্লারে ভ্রমণও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে যৌন সেবার খরচও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত মন্তব্য বা আরও তথ্য চেয়ে পাঠানো ইমেইলে কেএফএ তাৎক্ষণিক কোনো জবাব প্রদান করেনি।

কেএফএ তাদের বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করেছে, ‘সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানাচ্ছে যে বর্তমানে এই ধরনের কোনো অনৈতিক চর্চা বা কর্পোরেট কার্ডের অপব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়েছে।

এই কেলেঙ্কারিটি ওই সময়ে সামনে এসেছে যখন দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল বোর্ড ইতিমধ্যেই একাধিক সংকটের সম্মুখীন।

জাতীয় দলের সাবেক প্রধান কোচ হং মিয়ুং-বোর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি পুলিশ সংস্থাটির সদর দপ্তরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর এই বিতর্ক আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-রিয়াদ রুটে দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করল রিয়াদ এয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


ঢাকা-রিয়াদ রুটে দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করল রিয়াদ এয়ার

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : সৌদি আরবের নতুন জাতীয় বিমান সংস্থা রিয়াদ এয়ার আজ ঢাকা-রিয়াদ রুটে দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে। আজ ভোরে সংস্থাটির উদ্বোধনী বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মাধ্যমে এই নতুন সেবার কার্যক্রম শুরু হয়।

রিয়াদ থেকে আসা প্রথম ফ্লাইটটি আজ সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে দেশে বিমান সংস্থাটির প্রথম আগমন উপলক্ষে উড়োজাহাজটিকে ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার স্যালুটের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।

নতুন এই সেবা চালু উপলক্ষে বিমানবন্দরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ এবং রিয়াদ এয়ারের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ভিনসেন্ট কোস্টে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

বক্তারা বলেন, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সঙ্গে সৌদি আরবের যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি যাত্রীদের বিশ্বমানের ভ্রমণসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে রিয়াদ এয়ার কাজ করছে।

তারা আরও বলেন, নতুন এই সেবার মাধ্যমে ঢাকা এবং রিয়াদের মধ্যকার সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার হবে এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা ও ভ্রমণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এটি সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, রিয়াদ এয়ার বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে প্রতিদিন বিরতিহীন ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

সময়সূচী অনুযায়ী, ফ্লাইটগুলো স্থানীয় সময় রাত ৯:২০ মিনিটে রিয়াদ থেকে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৬:৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। ফিরতি ফ্লাইটটি সকাল ৭:৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০:৫৫ মিনিটে রিয়াদে পৌঁছাবে।

নতুন এই পরিষেবা চালুর মাধ্যমে রিয়াদ এয়ার ঢাকা-রিয়াদ রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী সৌদিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যুক্ত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সামনে তিন পথ, যে সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে যুদ্ধের গতিপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সামনে তিন পথ, যে সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে যুদ্ধের গতিপথ

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যেখানে সামনে থাকা প্রতিটি পথই রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে এখন পর্যন্ত তিনি একটি বড় ভুল থেকে দূরে রয়েছেন। তা হলো, যুদ্ধকে নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার মতো ব্যাপক সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা।

ইতিহাস বলছে, যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামরিক অভিযান আরও বাড়িয়েছেন। ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার পরও সম্মান ও রাজনৈতিক চাপের কারণে যুক্তরাষ্ট্র আরও গভীরে জড়িয়ে পড়েছে।

ইরান ইস্যুতেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি ট্রাম্প। ইরান আত্মসমর্পণ বা অর্থবহ আলোচনায় না এলে তাঁর সামনে তিনটি মূল পথ রয়েছে।

এটি হলো, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলেও বিমান হামলা, নৌ অবরোধ ও সাময়িক যুদ্ধবিরতির মতো বর্তমান কৌশল চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় অবস্থান হলো, হামলার পরিধি বাড়িয়ে ইরানের অবকাঠামো ও বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত করা এবং সীমিত স্থল অভিযান শুরু করা। তৃতীয়টি হলো, বড় লক্ষ্যগুলো পূরণ না করেই যুদ্ধ থেকে সরে আসা।

তিনটি পথই ট্রাম্পের জন্য খুবই কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় বাড়বে। অন্যদিকে, হামলার মাত্রা বাড়ালে ইরানের পাল্টা আক্রমণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আরও বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

সম্প্রতি ইরান ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি ইরানের নেতৃত্বকে দ্বিমুখী আচরণের জন্য অভিযুক্ত করেন এবং বলেন, এটি তাদের জন্য শেষ সুযোগ।

এরপর ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘ডিক্যাপিটেশন’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন। তবে প্রশ্ন হলো, ইরান যদি আবারও তাঁর আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।

ইরানের অবকাঠামোয় বড় হামলা চালানোর ঘটনার ক্ষেত্রে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে। এতে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি আরও বাড়বে।

হরমুজ প্রণালিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাত্ত্বিকভাবে মার্কিন নৌবাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খুলে দিতে পারে। তবে এতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে পড়বে। খার্গ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা নিয়ন্ত্রণে নিতে স্থল অভিযান চালালেও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।

স্থলযুদ্ধে গেলে হিসাব বদলে যাবে। গত ৬০ বছরের যুদ্ধের ইতিহাস বলছে, বিমান হামলা থেকে স্থলযুদ্ধে গেলেই সংঘাতের চরিত্রই বদলে যায়। সেনা নিহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও বাড়ে।

এটি ট্রাম্পের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনও একই ধরনের সংকটে পড়েছিলেন। তিনি জানতেন যুদ্ধ জয়ের পথ স্পষ্ট নয়, তবুও বোমা হামলা বাড়িয়ে সংঘাত দীর্ঘায়িত করেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে রিচার্ড নিক্সনও যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আরও কয়েক বছর চালিয়ে যান। ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক জটিলতায় পড়েছিল।

ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের নিজের। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ট্রাম্প নিজেই দীর্ঘস্থায়ী ও অজেয় যুদ্ধের সমালোচনা করেছিলেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, যেগুলোর কোনো শেষ নেই এবং যেগুলোতে দেশ জয়ীও হয় না।

তবে প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তানে তিনিও সেনা বাড়িয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই কৌশল প্রত্যাশিত ফল দেয়নি।

এবার ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগের কোনো প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকার নয়। এটি ট্রাম্পের নিজের সিদ্ধান্তের ফল।

যুদ্ধের শেষ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ইরান যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে এবং ট্রাম্প কোন পথ বেছে নেবেন, সেটিই তাঁর প্রেসিডেন্সির অন্যতম বড় রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নির্ধারণ করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

শেরপুর, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা সীমান্ত এলাকায় ৬০০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন ব্রান্ডের ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার ভোরে উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব মদ উদ্ধার করা হয়। তবে মাদক চোরাকারবারির সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতি উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন ব্রান্ডের ৬শ বোতল ভারতীয় মদ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মদের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নূর মোহাম্মদ জানান, এ ঘটনায় মাদক চোরাকারবারীর সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ বিষয়ে ঝিনাইগাতি থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%