ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমা প্রার্থনা


রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমা প্রার্থনা

এক দশকেরও বেশি সময় আগে বিদেশি রেফারিদের ‘যৌন সেবা’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দক্ষিণ কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কেএফএ) বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার দেশটির সংবাদমাধ্যম জেটিবিসির এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পায়।

অভিযোগ সামনে আসার পর, শনিবার (৮ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়ে এক বিবৃতি প্রদান করেছে কেএফএ।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম জেটিবিসি জানায়, কেএফএ ২০১১ এবং ২০১২ সালে একাধিকবার বিদেশি রেফারিদের এই ধরনের সেবা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১২ লন্ডন অলিম্পিক বাছাইপর্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর সময় এই সুবিধা প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন: টিভিতে আজকের খেলা: নিউজিল্যান্ড-ভারত টি–টোয়েন্টি সিরিজ শুরু

বিবৃতিতে কেএফএ উল্লেখ করে, ২০১৬ সালের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি গোপন অডিট রিপোর্ট সম্প্রতি জনসাধারণের কাছে প্রকাশিত হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রেফারিদের সিউলের বিভিন্ন ম্যাসাজ পার্লার ও অ্যাডাল্ট এস্টাবলিশমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সংস্থাটির করপোরেট ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সেখানকার বিল পরিশোধ করা হতো।

যেহেতু এই ঘটনাগুলো এক দশক আগে ঘটেছিল, তাই বর্তমান সংগঠনের অনেকেই এসব বিষয়ে অবগত নয়। কেএফএ গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে ব্যাপক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

জেটিবিসির প্রতিবেদনে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের একটি তদন্তের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে দেখা গেছে যে কেএফএ ২০১১ সালের মার্চ থেকে ২০১২ সালের মার্চের মধ্যে সাতবার বিদেশি রেফারিদের জন্য অনীহা বিনোদনের ব্যবস্থা করেছিল। এর মধ্যে ম্যাসাজ পার্লারে ভ্রমণও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে যৌন সেবার খরচও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

এ বিষয়ে অতিরিক্ত মন্তব্য বা আরও তথ্য চেয়ে পাঠানো ইমেইলে কেএফএ তাৎক্ষণিক কোনো জবাব প্রদান করেনি।

কেএফএ তাদের বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করেছে, ‘সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানাচ্ছে যে বর্তমানে এই ধরনের কোনো অনৈতিক চর্চা বা কর্পোরেট কার্ডের অপব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়েছে।

এই কেলেঙ্কারিটি ওই সময়ে সামনে এসেছে যখন দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল বোর্ড ইতিমধ্যেই একাধিক সংকটের সম্মুখীন।

জাতীয় দলের সাবেক প্রধান কোচ হং মিয়ুং-বোর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি পুলিশ সংস্থাটির সদর দপ্তরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর এই বিতর্ক আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-রিয়াদ রুটে দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করল রিয়াদ এয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


ঢাকা-রিয়াদ রুটে দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করল রিয়াদ এয়ার

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : সৌদি আরবের নতুন জাতীয় বিমান সংস্থা রিয়াদ এয়ার আজ ঢাকা-রিয়াদ রুটে দৈনিক সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে। আজ ভোরে সংস্থাটির উদ্বোধনী বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মাধ্যমে এই নতুন সেবার কার্যক্রম শুরু হয়।

রিয়াদ থেকে আসা প্রথম ফ্লাইটটি আজ সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে দেশে বিমান সংস্থাটির প্রথম আগমন উপলক্ষে উড়োজাহাজটিকে ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার স্যালুটের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।

নতুন এই সেবা চালু উপলক্ষে বিমানবন্দরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে বিমানবন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ এবং রিয়াদ এয়ারের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ভিনসেন্ট কোস্টে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

বক্তারা বলেন, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সঙ্গে সৌদি আরবের যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি যাত্রীদের বিশ্বমানের ভ্রমণসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে রিয়াদ এয়ার কাজ করছে।

তারা আরও বলেন, নতুন এই সেবার মাধ্যমে ঢাকা এবং রিয়াদের মধ্যকার সরাসরি যোগাযোগ আরও জোরদার হবে এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা ও ভ্রমণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এটি সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, রিয়াদ এয়ার বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে প্রতিদিন বিরতিহীন ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

সময়সূচী অনুযায়ী, ফ্লাইটগুলো স্থানীয় সময় রাত ৯:২০ মিনিটে রিয়াদ থেকে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৬:৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। ফিরতি ফ্লাইটটি সকাল ৭:৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে স্থানীয় সময় সকাল ১০:৫৫ মিনিটে রিয়াদে পৌঁছাবে।

নতুন এই পরিষেবা চালুর মাধ্যমে রিয়াদ এয়ার ঢাকা-রিয়াদ রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী সৌদিয়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যুক্ত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সামনে তিন পথ, যে সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে যুদ্ধের গতিপথ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


ইরান নিয়ে ট্রাম্পের সামনে তিন পথ, যে সিদ্ধান্তে বদলাতে পারে যুদ্ধের গতিপথ

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যেখানে সামনে থাকা প্রতিটি পথই রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে এখন পর্যন্ত তিনি একটি বড় ভুল থেকে দূরে রয়েছেন। তা হলো, যুদ্ধকে নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার মতো ব্যাপক সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা।

ইতিহাস বলছে, যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামরিক অভিযান আরও বাড়িয়েছেন। ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার পরও সম্মান ও রাজনৈতিক চাপের কারণে যুক্তরাষ্ট্র আরও গভীরে জড়িয়ে পড়েছে।

ইরান ইস্যুতেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি ট্রাম্প। ইরান আত্মসমর্পণ বা অর্থবহ আলোচনায় না এলে তাঁর সামনে তিনটি মূল পথ রয়েছে।

এটি হলো, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলেও বিমান হামলা, নৌ অবরোধ ও সাময়িক যুদ্ধবিরতির মতো বর্তমান কৌশল চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় অবস্থান হলো, হামলার পরিধি বাড়িয়ে ইরানের অবকাঠামো ও বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত করা এবং সীমিত স্থল অভিযান শুরু করা। তৃতীয়টি হলো, বড় লক্ষ্যগুলো পূরণ না করেই যুদ্ধ থেকে সরে আসা।

তিনটি পথই ট্রাম্পের জন্য খুবই কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক ব্যয় বাড়বে। অন্যদিকে, হামলার মাত্রা বাড়ালে ইরানের পাল্টা আক্রমণে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আরও বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

সম্প্রতি ইরান ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি ইরানের নেতৃত্বকে দ্বিমুখী আচরণের জন্য অভিযুক্ত করেন এবং বলেন, এটি তাদের জন্য শেষ সুযোগ।

এরপর ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘ডিক্যাপিটেশন’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন। তবে প্রশ্ন হলো, ইরান যদি আবারও তাঁর আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।

ইরানের অবকাঠামোয় বড় হামলা চালানোর ঘটনার ক্ষেত্রে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে। এতে যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি আরও বাড়বে।

হরমুজ প্রণালিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাত্ত্বিকভাবে মার্কিন নৌবাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খুলে দিতে পারে। তবে এতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে পড়বে। খার্গ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা নিয়ন্ত্রণে নিতে স্থল অভিযান চালালেও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।

স্থলযুদ্ধে গেলে হিসাব বদলে যাবে। গত ৬০ বছরের যুদ্ধের ইতিহাস বলছে, বিমান হামলা থেকে স্থলযুদ্ধে গেলেই সংঘাতের চরিত্রই বদলে যায়। সেনা নিহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও বাড়ে।

এটি ট্রাম্পের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনও একই ধরনের সংকটে পড়েছিলেন। তিনি জানতেন যুদ্ধ জয়ের পথ স্পষ্ট নয়, তবুও বোমা হামলা বাড়িয়ে সংঘাত দীর্ঘায়িত করেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে রিচার্ড নিক্সনও যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে গিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আরও কয়েক বছর চালিয়ে যান। ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক জটিলতায় পড়েছিল।

ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের নিজের। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ট্রাম্প নিজেই দীর্ঘস্থায়ী ও অজেয় যুদ্ধের সমালোচনা করেছিলেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, যেগুলোর কোনো শেষ নেই এবং যেগুলোতে দেশ জয়ীও হয় না।

তবে প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তানে তিনিও সেনা বাড়িয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই কৌশল প্রত্যাশিত ফল দেয়নি।

এবার ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আগের কোনো প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকার নয়। এটি ট্রাম্পের নিজের সিদ্ধান্তের ফল।

যুদ্ধের শেষ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ইরান যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে এবং ট্রাম্প কোন পথ বেছে নেবেন, সেটিই তাঁর প্রেসিডেন্সির অন্যতম বড় রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নির্ধারণ করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার

শেরপুর, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা সীমান্ত এলাকায় ৬০০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন ব্রান্ডের ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার ভোরে উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব মদ উদ্ধার করা হয়। তবে মাদক চোরাকারবারির সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতি উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন ব্রান্ডের ৬শ বোতল ভারতীয় মদ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব মদের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নূর মোহাম্মদ জানান, এ ঘটনায় মাদক চোরাকারবারীর সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ বিষয়ে ঝিনাইগাতি থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্যই ছিল একটি উন্নত এবং ভালো বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে উপস্থিত আপনারা কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারো আপনজন এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। আপনাদের নিজেদের অথবা আপনজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশ উপভোগ করতে পারছে।’

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের মানুষের বিভিন্ন সময়ের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি অথবা যারা আহত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটিমাত্র আকাঙ্ক্ষা ছিল–বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’

রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সীমাবদ্ধতার মাঝেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়; বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি ও শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়।

এ ছাড়া আন্দোলনে গুরুতর আহত মো. আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারের হাতেও নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়। সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আবদুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

নিয়োগপত্র গ্রহণ শেষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%