০২:৫৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল ও এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
একই সময়ে নতুন করে ছয়জনের হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১ জনের।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে দুইজন। দুই শিশুর মধ্যে একজনের বয়স ৫ মাস ও একজনের ১১ মাস। এছাড়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে আরও একজন। ওই শিশুর বয়স ৯ মাস।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়- গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১২৮ জন। তাদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫৯ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬০জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৯ জন ভর্তি হয়েছেন।
এ নিয়ে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগে আক্রান্ত ৩৫৬ জন চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪০ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১০ জন রয়েছেন। বাকিরা সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রতিবেদন আরও বলা হয়, এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে ১৪১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৫১ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ার 'ওয়াটার টাওয়ার' হিসেবে পরিচিত হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চল বর্তমানে উষ্ণায়নের করাল গ্রাসে অভূতপূর্ব পরিবেশগত সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। শতাব্দী ধরে যে পর্বতমালা কোটি কোটি মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য করেছে, তা এখন নিজেই গলে বিলীন হতে চলেছে। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এই অঞ্চলে হিমবাহের গলে যাওয়ার গতি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বরফ ক্ষয়ের হার শতাব্দীর সূচনালগ্ন থেকে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এটি সামগ্রিক পরিবেশ ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে। কাঠমাণ্ডুভিত্তিক আন্তঃসরকারি সংস্থা 'ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট' (আইসিআইএমওডি)-র প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক দশকে এই অঞ্চলে বরফের পরিমাণ বহুগুণ কমে গেছে। বিশেষত ১৯৭৫ সালের পর থেকে হিমালয়ের বিভিন্ন অংশে প্রায় ২৭ মিটার পর্যন্ত হিমবাহের পুরুত্ব ক্ষয় হয়েছে।
এই চরম বাস্তবতার কারণে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীরা প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় আড়াই শতাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা এই নির্মম সত্যকে আবার সামনে এনেছে। গবেষক ও বিজ্ঞানীরা এই বিপর্যয়ের পেছনের বিভিন্ন কারণ বিশ্লেষণ করে একটি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক প্রবণতা চিহ্নিত করেছেন। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যেখানে পূর্বে কেবল তুষারপাত হতো, সেখানে এখন স্বাভাবিক তুষারপাতের পরিবর্তে অঝোর ধারায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চার হাজার মিটার বা তারও বেশি উচ্চতায় এই অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পার্বত্য ঢালকে দুর্বল করে দিচ্ছে এবং দ্রুত বরফ গলিয়ে আকস্মিক ঢলের সৃষ্টি করছে।
অতিরিক্ত উষ্ণায়নের কারণে হিমবাহের পেছনের স্থায়ী বরফ বা পারমাফ্রস্টের অবক্ষয় ঘটছে, যা পাহাড়ের পাথর ও বরফের মিশ্রণ ধসে পড়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নেপালের সাম্প্রতিক বন্যায় কোনো উচ্চ-উচ্চতার স্থান থেকে বরফ ও পাথরের বিরাট ধস নেমে এসেছিল। বিশাল পরিমাণের সেই ধ্বংসাবশেষ কোনো নদীতে পতিত হয়ে পানির গতিপথ রুদ্ধ করে এবং পরবর্তীতে তা ভেঙে গিয়ে বিপুল জলরাশি, পলি ও পাথর নিচের দিকে ধেয়ে আসে। হিমবাহ পিছু হটার ফলে পূর্বে বরফে ঢাকা এলাকাগুলো এখন উন্মুক্ত ও শুষ্ক পাথুরে জমিতে পরিণত হয়েছে।
এই অনাবৃত শিলাখণ্ডগুলো সূর্যালোক থেকে অধিক পরিমাণে তাপ শোষণ করে আশপাশের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে, যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি ভয়াবহ চক্রের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই উচ্চতা-ভিত্তিক উষ্ণায়নের কারণে পর্বতগুলোর ওপরের স্তরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর বাইরে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বরফের আধার বলা হয়ে থাকে। প্রায় সাড়ে পঞ্চান্ন হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা তেষট্টি হাজারেরও বেশি হিমবাহ এশিয়ার প্রধান দশটি নদী ব্যবস্থার উৎস। এই নদীগুলোর ওপর সরাসরি নির্ভর করে অববাহিকায় বসবাসকারী প্রায় দুইশত কোটি মানুষের খাদ্য, পানি ও জীবনজীবিকা। কিন্তু আইসিআইএমওডি-র উপাত্ত অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই অঞ্চলের হিমবাহগুলো তাদের মোট আয়তনের প্রায় বারো শতাংশ এবং আনুমানিক বরফ সঞ্চয়ের নয় শতাংশ হারিয়েছে। বিশেষ করে সিন্ধু, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় বরফ ক্ষয়ের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, যা পুরো এশিয়ার পানি নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট শঙ্কার বিষয়। যদি এখনই বৈশ্বিক পর্যায়ে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে এই হিমবাহগুলোর ক্ষয় এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাবে যেখানে তা আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১ আপ ও ৭২২ ডাউন) ট্রেন চালানোর ব্যাপারে আলোচনা চলছে। তবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেনটি এ রুটে চলাচল করবে কিনা এবং লাকসাম রেলওয়ে জংশনে যাত্রাবিরতি দেবে কিনা, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) প্রধান প্রকৌশলী মো. তানভিরুল ইসলাম জানান, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় চলাচল করার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস নামে দুটি ট্রেন চলাচল করছে।
লাকসাম রেলওয়ে জংশন দেশের গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনগুলোর মধ্যে একটি।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও চাঁদপুর—চারটি রেলপথের সঙ্গে যুক্ত এই জংশন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ জোড়া বা ৪০টি ট্রেন চলাচল করে। তবে কক্সবাজারগামী কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই।
লাকসাম জংশনে কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে গত ১৩ আগস্ট কক্সবাজার রেলস্টেশনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন লাকসাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। তাঁরা লাকসাম জংশনে কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি জানান।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১ সেপ্টেম্বর থেকে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করবে এবং লাকসাম জংশনে যাত্রাবিরতি দেবে—এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বৃহত্তর কুমিল্লা কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল আজিম মন্তব্য করেন, ‘আমরা গুজব ছড়াতে চাই না। আমরা চাই লাকসাম রেলওয়ে জংশনে কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতি। এটি এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবি।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমরা আশা করি।’
লাকসাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ মজির আহমেদ বলেন, লাকসাম একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন। এখানে কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া হলে বৃহত্তর কুমিল্লাসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষের কক্সবাজার যাতায়াত সহজ হবে। তিনি দ্রুত এ দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
লাকসাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আবদুল কুদ্দুস বলেন, বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ফেনীসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষের কক্সবাজার যাতায়াত সহজ ও সাশ্রয়ী করতে লাকসাম জংশনে কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতি প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এ দাবি জানানো হচ্ছে।
লাকসাম উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) সাবেক সভাপতি ও প্রেস ক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ মুজিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘আমাদের দাবি পরিষ্কার—গুজব নয়, আমরা চাই বাস্তবায়ন। ফেসবুকের পোস্ট নয়, আমরা চাই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।’
লাকসাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আল শারাহ বলেন, লাকসাম জংশনে কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রাবিরতি এ অঞ্চলের মানুষের যৌক্তিক দাবি। রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) প্রধান প্রকৌশলী মো. তানভিরুল ইসলাম বলেন, ‘আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১ আপ ও ৭২২ ডাউন) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা চলাচলের বিষয়ে আলোচনা চলছে। হয়তো অতি শিগগিরই একটি সিদ্ধান্ত জানানো হবে। পথিমধ্যে যেসব স্টেশনে ওই ট্রেনের পূর্বনির্ধারিত যাত্রাবিরতি ছিল, সেসব স্টেশনে যাত্রাবিরতি অব্যাহত থাকবে।’
১ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেনটি চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘১ সেপ্টেম্বর থেকে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। তবে অতি শিগগিরই ওই ট্রেন চালু করা হবে বলে আমি আশাবাদী।’
তিনি জানান, বিষয়টি বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম দেখভাল করছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) অতিরিক্ত মহাপরিচালক আতাউল হক ভূঁঞার সঙ্গেও যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
একইভাবে বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) অতিরিক্ত মহাপরিচালক আতাউল হক ভূঁঞার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত জেলা এনসিপির যুগ্ম সিনিয়র আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়াসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার কুলাউড়া থানায় মামলা(নং- ২৮) দায়ের করছেন আহত এনসিপি নেতা তামিম আহমদ। এতে আহত হয়েছেন প্রায় ১০ জন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উস্কানি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকেই মৌলভীবাজার জেলা এনসিপির যুগ্ম সিনিয়র আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া, তোফায়েল আহমদ, সাহেল আহমদ, ফাহিম আহমদ জনি, সোহাগ মিয়াকে আটক করা হয়।
মামলার বাদী মৌলভীবাজার জেলা এনসিপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তামিম আহমদ বলেন, পদ দেওয়ার বিষয়ে এহসান জাকারিয়াসহ আসামীরা আমার কাছে চাদা দাবি করেন। মৌলভীবাজার থেকে বড়লেখা যাবার পথে কুলাউড়ার উত্তর বাজার এলাকায় আমাদের উপর হামলা করা হয়।
জেলা এনসিপির আহবায়ক খাদেল আহমদ জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। এ বিষয়ে দলীল ভাবে তদন্তে করা হবে।
কুলাউড়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, পুলিশের সময়োপযোগী পদক্ষেপে পরিস্থিতি বর্তমানে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনার মামলা দায়ের হয়েছে। আটক ৫ জনকে আদালত প্রেরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ