০৩:২৭ পি.এম
ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে সার্বিয়ার টেনিস খেলোয়াড় স্তেফান মিলিচেভিচকে ২৪ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক টেনিস সততা সংস্থার তদন্তে ২৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ছয়টি ম্যাচ পাতানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাঁচটি ম্যাচে তিনি নিজেই অংশগ্রহণ করেছিলেন। তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, মিলিচেভিচ আরও ছয়টি ম্যাচ পাতানোর চেষ্টা করেছিলেন।
২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মিলিচেভিচ একটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত নেটওয়ার্কের’ মাধ্যমে ম্যাচ পাতানোর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন—এমন তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক টেনিস সততা সংস্থা। শুধু নিজে ম্যাচ পাতানো নয়, তিনি এই কর্মকাণ্ডে অন্যান্য পেশাদার খেলোয়াড়দের যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মিলিচেভিচ একাধিক পেশাদার খেলোয়াড়কে ম্যাচ পাতানোর ওই নেটওয়ার্কে নিয়োগ বা নিয়োগের চেষ্টা করেছেন। এর ফলে আরও কয়েকজন খেলোয়াড়ও ম্যাচ পাতানোর ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে পাকিস্তানের শুভসূচনা
মিলিচেভিচের সর্বোচ্চ বিশ্ব র্যাঙ্কিং ছিল ১৩৩৮। তবে তদন্ত চলাকালে তিনি সংস্থার সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করেননি। শাস্তির পাশাপাশি তাঁকে ৭০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানাও করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক টেনিস সততা সংস্থা জানিয়েছে, মিলিচেভিচের নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে ২০৫০ সালের ৮ অক্টোবর। তখন তাঁর বয়স হবে ৫৩ বছর। এর মানে হলো, দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি কোনো অনুমোদিত পেশাদার টেনিস কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
নিষেধাজ্ঞার সময়ে মিলিচেভিচ কোনো ম্যাচ খেলতে পারবেন না। একই সঙ্গে বিশ্ব টেনিস, নারী টেনিস সংস্থা, পুরুষ টেনিস সংস্থা, চারটি গ্র্যান্ড স্লাম প্রতিযোগিতা কিংবা কোনো জাতীয় টেনিস সংস্থার আয়োজিত বা অনুমোদিত প্রতিযোগিতায় কোচ হিসেবে কাজ করা অথবা উপস্থিত থাকা তাঁর জন্য নিষিদ্ধ।
ম্যাচ পাতানোর মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে টেনিসের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কঠোর অবস্থানের আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকল মিলিচেভিচের এই দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা। তাঁর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় পেশাদার টেনিসে ফেরার বয়সই হবে ৫৩ বছর।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি-বাগড়ার মাঝেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ত্রাস ছড়ালেন বোল্যান্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন