০৩:২২ পি.এম
আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনকালে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান রাজপথে আন্দোলন বা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেননি, এই অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। একই সময়ে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে কোনো পোস্ট দিতে দেখা যায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে খালিদুজ্জামানের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। তিনি জামায়াতের এই নেতার বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।
রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনকালে রাজপথে সক্রিয় না থাকলেও খালিদুজ্জামান এখন তাঁদের আন্দোলন ও সংগ্রাম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি অন্যদের ত্যাগ ও সংগ্রামকে খাটো করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ স্থলভাগে প্রবেশ, উপকূলে তাণ্ডবের আশঙ্কা
পোস্টে খালিদুজ্জামানের ফেসবুক পেজ খোলার তারিখ উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠেন জামায়াতের এই নেতা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট ফেসবুক পেজটি খোলা হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে খালিদুজ্জামানের অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কিছু ব্যক্তি নিজেদের অবস্থান বদলে নতুন পরিচয়ে আবির্ভূত হন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যারা দলটির অনুসারী ছিলেন, তাদের কেউ কেউ এখন জামায়াত-শিবিরের পরিচয়ে সক্রিয় হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
খালিদুজ্জামানের বক্তব্য ও আচরণের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সংগ্রামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আগে নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে তিনি সুযোগসন্ধানী মনোভাব হিসেবে অভিহিত করেন।
পোস্টের শেষাংশে খালিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তবে তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ১৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন