মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫২ পি.এম
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী শ্রমিক প্রতিনিধি পেলে ১ সপ্তাহের মধ্যে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে গেজেট প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপে অনুষ্ঠিত শ্রম ও কর্মসংস্থান ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ সভায় তিনি এই আশ্বাস প্রদান করেন।
মন্ত্রী গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ ও কারখানা ভাঙচুরের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, "শ্রমিকদের বেতন আটকে রাখার ঘটনা কমেছে। তবুও বিনা নোটিশে রাস্তায় আন্দোলনে নামলে সমস্যা তৈরি হয়।"
শ্রমিক অসন্তোষ রোধে ৭টি মনিটরিং টিম কাজ করছে বলেও জানান তিনি। এ সময় মন্ত্রী মালিকপক্ষকে আহ্বান জানান, যেন শ্রমিকদের বেতন মাসের ৭ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : জাপানের কিংবদন্তি মাঙ্গা শিল্পী তেৎসুয়া চিবা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৭ বছর। তিনি বিখ্যাত বক্সিং সিরিজ ‘আশিতা নো জো’র স্রষ্টা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
মঙ্গলবার তার প্রকাশকরা এই দুঃখজনক খবরটি জানিয়েছেন।
তেৎসুয়া চিবার মাঙ্গায় বিভিন্ন খেলার তরুণ ক্রীড়াবিদদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি যুদ্ধ-পরবর্তী জাপানের সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য, হতাশা, আনন্দ ও আশাবাদের চিত্র উঠে এসেছে। গলফ, বক্সিং ও জাপানি মার্শাল আর্ট কেন্দো ছিল তার কাজের অন্যতম বিষয়বস্তু।
বার্তা সংস্থা এএফপি টোকিও থেকে এই খবরটি জানিয়েছে।
১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত প্রকাশিত ‘আশিতা নো জো’ সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো এক সমস্যাগ্রস্ত তরুণ। কিশোর সংশোধনাগারে বক্সিং শেখার পর সে পেশাদার বক্সিংয়ে নাম লেখায় এবং একপর্যায়ে রোমাঞ্চকর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়ে পড়ে।
সিরিজটি জাপানের সংস্কৃতিতে বিশেষ প্রভাব ফেলে। গল্পে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মৃত্যু হলে ভক্তরা তার শেষকৃত্যের আয়োজন করেন।
বয়স্ক ভক্তদের অনেকেই এখনো সিরিজটির সংলাপ অনায়াসে বলতে পারেন। এটি থেকে জনপ্রিয় অ্যানিমে সিরিজ, চলচ্চিত্র, ভিডিও গেম, টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ও মঞ্চনাটকও তৈরি হয়েছে।
সাত দশকের কর্মজীবনে চিবা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতা করেছেন এবং জাপান কার্টুনিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
শিল্প, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি জাপানের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘অর্ডার অব কালচার’সহ বেশ কয়েকটি সম্মাননা পেয়েছেন।
জাপানের বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান কোদাংশা গত ৪৬ বছর ধরে তরুণ মাঙ্গা শিল্পীদের ‘তেৎসুয়া চিবা পুরস্কার’ দিয়ে আসছে।
এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পেশাদার শিল্পী হওয়ার পথে অসংখ্য নবীন মাঙ্গা শিল্পী চিবার উপদেশ মনে ধারণ করেছেন। তাদের অনেকেই এখনো এ পেশায় সক্রিয়।
গত বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি আরও বলেছে, মাঙ্গা জগতে চিবার অসামান্য অবদান অপূরণীয়।
শান্তির প্রতি নিজের অঙ্গীকার নিয়ে কথা বলতে চিবা প্রায়ই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চীনে কাটানো শৈশবের স্মৃতিও তিনি তুলে ধরতেন। যুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশের চিবা প্রিফেকচারের ইচিকাওয়া শহরে অবস্থিত নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী এই পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম, প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলাম এবং গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ অন্যান্যরা।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রসচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রশ্ন তুলেছেন, "সরকারকে বিতর্কিত করতেই পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্য দিয়েছেন কি না।"
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রিজভী জানান, "পুলিশ প্রধানের বক্তব্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "গভীর ষড়যন্ত্র চলছে সরকারের বিরুদ্ধে।" তিনি সকল দলকে ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানান।
এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সস্তা কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা না করে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।
এই দিন সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান নেতাকর্মীরা। যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং রুহুল কবির রিজভী এতে অংশ নেন।
দোয়া-মোনাজাত শেষে রিজভী বলেন, "পতিত ফ্যাসিবাদ উৎসাহিত হওয়ার মতো কর্মকাণ্ড থেকে সব রাজনৈতিক দলের বিরত থাকা উচিত।"
এসময় তিনি সরকারের বিরুদ্ধে চলমান গভীর ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ও উৎসব ‘আরজেপি টেক ফেস্ট ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করেছে উত্তর বঙ্গের ৮০টি স্কুল ও ২০টি কলেজের ১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এই প্রযুক্তি উৎসবটি গত ২৬ আগস্ট রুয়েটে অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম এবং রুয়েট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী আইসিটি ক্লাব আরজেপি’র সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই প্রযুক্তি উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, আইসিটি অলিম্পিয়াড এবং প্রজেক্ট শোকেইসের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি প্রশ্নোত্তর পর্বও ছিল, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে মজার বিভিন্ন প্রশ্ন করে পুরস্কার অর্জন করে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন মন্তব্য করেন, "ছোট বয়স থেকেই শিক্ষার্থীরা যেন সহজেই ইনোভেশনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, এর জন্য নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। অর্থের জন্য কোনো উদ্ভাবন থেমে থাকবে না।"
সচিব রুয়েট ও আরজেপিকে বৃহৎ এই প্রযুক্তি উৎসব আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, "শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করলে হবে না, প্রযুক্তির উদ্ভাবক হিসেবে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে। এই কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সহযোগিতা সব সময় থাকবে।"
আরজিপি’র সভাপতি তারেক আবরার জানান, স্বেচ্ছাসেবী কাজের অংশ হিসেবে আরজেপি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও প্রোগ্রামিং শেখাচ্ছে, যাতে এই শিক্ষার্থীরাও একদিন বড় হয়ে এই ক্রমধারা চালু রাখতে পারে। প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশের প্রতিটি আনাচে-কানাচে প্রযুক্তি শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিয়ে সেখান থেকে মেধাবীদের বাছাই করে আনতে এবং বড় স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে আরজেপি বদ্ধপরিকর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ