রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০১ পি.এম
রাজশাহী পেস্টিসাইড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় ৭টায় রাজশাহী নগরীর বারো রাস্তার মোড়, ছোটবন গ্রাম নেক্সাস চাইনিজ রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন মো: ওসমান গনি, যিনি সিগনেচার ক্রপ সাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: নূরুল ইসলাম, যিনি যমুনা ক্রপ কেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সভায় সকল সম্মানিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী দুই বছরের জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কৃষিবীদ এস. এম. মাহফুজ সোবহান (আদিল), যিনি জান্নাত এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো: মজিবুর রহমান, যিনি হিমালয় এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শামসুল আলম, যিনি এগ্রো ফেন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সমন্বয়ক মো: ফিরোজ কবির, যিনি গ্রিনফিল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সহ-সভাপতি মো: সেরাজুল ইসলাম, যিনি এন এস এগ্রোকেমিক্যালসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি রিজেন্ট এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আব্দুল মালেক, যিনি উত্তরা এগ্রো কেমিক্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দায়িত্ব পালন করবেন। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন মোঃ নাসিরুল ইসলাম, যিনি রাজা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো: নজিরুল ইসলাম, যিনি গুড লাক এগ্রো কেয়ারের সাথে যুক্ত।
নির্বাচিত সভাপতি জানান, রাজশাহীতে সকল বৈধ বালাইনাশক কোম্পানির স্বার্থরক্ষা, ভেজালমুক্ত বালাইনাশক নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের সেবায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে পুলিশ চাম্পা খাতুন (২২) নামে এক নারীর অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহটি বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁর মৃত্যু চার থেকে পাঁচ দিন আগে হয়ে থাকতে পারে। চাম্পা খাতুন শিবপুর গ্রামের আসলাম হোসেনের স্ত্রী, যিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পাশের বাড়ির লোকজন ওই বাড়ির আশপাশে দুর্গন্ধ পান। পরে তারা এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানালে, স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে চাম্পা খাতুনের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাম্পা খাতুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিন মেম্বার বলেন, সকালে পাশের বাড়ির লোকজন দুর্গন্ধ পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে চাম্পা খাতুনের মরদেহ দেখতে পান। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি জানান, চাম্পা খাতুন কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, ডিমের বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, অতিরিক্ত মুনাফা ও কৃত্রিম সংকট পরিহার করে যৌক্তিক মূল্যে ডিম বিক্রি করতে।
মন্ত্রী বলেছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে উৎপাদক থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত যৌক্তিক মুনাফা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিমের উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যালোচনা বিষয়ে ডিম ও পোলট্রি খাতের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, ডিম দেশের সাধারণ মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। তিনি বলেন, "এ পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর সরাসরি চাপ পড়ে।" তাই, তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যাবে না, যাতে সাধারণ ভোক্তাকে অযৌক্তিকভাবে বেশি দাম দিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করবেন এবং যৌক্তিক মুনাফা করবেন-এটি স্বাভাবিক। তবে, ব্যবসার নামে অস্বাভাবিক মুনাফা করা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থায় অযৌক্তিক বাধা তৈরি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ নেই। তিনি জানান, সারা বছর ডিমের দাম স্থিতিশীল রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন।
উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত ডিমের মূল্য ব্যবধান পর্যালোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থার কোন পর্যায়ে অস্বাভাবিক ব্যয় বা অতিরিক্ত মুনাফা যুক্ত হচ্ছে, তা চিহ্নিত করতে হবে। বাজার ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে উৎপাদক, পাইকার, আড়তদার ও খুচরা ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখা এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা করাও সরকারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সরকার ও ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে।
সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ভুট্টা, সয়াবিনসহ পোলট্রি খাদ্যের বিভিন্ন উপকরণের দাম বাড়ায় প্রতি ডিমের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১১ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে উৎপাদক পর্যায়ে প্রতি ডিমের গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ৭ টাকা ৯১ পয়সা। যা সেপ্টেম্বরে বেড়ে প্রায় ১১ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, বছরের একটি বড় সময় উৎপাদন খরচের নিচে ডিম বিক্রি করতে হলেও দাম বাড়ার সময়টিই বেশি আলোচনায় আসে। উৎপাদক থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে সাধারণত দেড় থেকে দুই টাকা পর্যন্ত মূল্য সংযোজন হয়। দামের মৌসুমি ওঠানামা কমাতে অতিরিক্ত উৎপাদনের সময় ডিম এক থেকে দেড় মাস সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি টার্নওভার কর ও আয়করের চাপ যৌক্তিক করা, পোলট্রি খাদ্যের উপকরণের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের প্রতিবন্ধকতা কমানো এবং প্রতিদিনের উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারদরের তথ্য প্রকাশের সুপারিশ করেন তারা। ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করেন যে, সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে ডিমের দাম কমে আসবে।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, খাতটির যৌক্তিক সমস্যা ও সুপারিশ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। তবে, বাজারে যাতে কোনো পক্ষ সুযোগ নিয়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে, সেদিকেও কঠোর নজর রাখতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো উৎপাদক যেন ন্যায্যমূল্য পান, ব্যবসায়ীরা যৌক্তিক মুনাফা করতে পারেন এবং ভোক্তারা সহনীয় দামে ডিম কিনতে পারেন।
বাজারে কৃত্রিম সংকট, সরবরাহে অস্বাভাবিক বাধা কিংবা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তা পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) ড. আহমেদ উল্লাহ, কাজী ফার্মস লিমিটেডের পরিচালক কাজী জিসান হাসান, ব্রিডার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমান, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের মশিউর রহমান, অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ইসি মেম্বার আফতাব আলম, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বিপিআইসিসি ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মো. নজরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাফির রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত কাচ্চি ডাইনকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, মেয়াদ টেম্পারিং করে কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার, লেবেলবিহীন মাংস সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সনদ প্রদর্শনে ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মোবাইল কোর্টটি পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিএফএসএ উপপরিচালক বি এম রুহুল আমিন রিমন। আজ কাচ্চি ডাইনে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের সময় রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘর অত্যন্ত নোংরা ও অপরিষ্কার অবস্থায় ছিল। রান্নাঘরে ইঁদুর ও তেলাপোকা উপস্থিতি দেখা যায়। এছাড়াও, মেয়াদ টেম্পারিং করে কনডেন্সড মিল্ক সংরক্ষণ ও ব্যবহার এবং রেফ্রিজারেটরে লেবেল ছাড়া মাংস সংরক্ষণ করতে দেখা যায়।
ফায়ার লাইসেন্স ও রেস্তোরাঁ নিবন্ধন সনদ প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদী থেকে পুলিশ মস্তকবিহীন একটি অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহটির আনুমানিক বয়স ৪০ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি উপজেলার মানসা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পথচারীরা ভৈরব নদীতে মস্তকবিহীন মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তারা থানায় খবর দেন। ফকিরহাট মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, মরদেহটি রূপসা এলাকা থেকে জোয়ারের পানিতে ভাসতে ভাসতে ফকিরহাট এলাকায় চলে আসে। ভাসমান মরদেহের খবর শোনার পর আশপাশের এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ ভৈরব নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন।
ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রজিউল্লাহ খান জানিয়েছেন, ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি তিন-চার দিন আগের বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং শরীরে পচন ধরেছে। নৌ পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডিকে অবগত করা হয়েছে। তারা এলে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ