ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৮ মাসে ৬৫৫৪ কল


সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৮ মাসে ৬৫৫৪ কল

আইনি পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য এবং বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে গত আট মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইনে ৬ হাজার ৫৫৪টি কল এসেছে। এই তথ্য সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইন মনিটরিং সেল প্রকাশ করেছে।

 

সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশ ও বিদেশ থেকে আইনি পরামর্শ, মামলা সম্পর্কিত তথ্য এবং অভিযোগের জন্য মোট ৬ হাজার ৫৫৪টি কল এসেছে। এর মধ্যে আইনি পরামর্শের জন্য ৮৭০টি কল এসেছে। মামলার তথ্য জানার জন্য ১ হাজার ১৩০টি কল এসেছে। কলগুলোর তথ্য সেবাগ্রহীতাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন: ২০ বছর পলাতক থাকার পর গ্রেফতার হলেন ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হুমায়ূন কবির

 

মনিটরিং সেলের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৭৮৪টি কল এসেছে। তবে, এসব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ারবহির্ভূত হওয়ায় হেল্পলাইন থেকে কোন পরামর্শ প্রদান করা হয়নি।

হেল্পলাইন নম্বর ১০৩-তে সেবা গ্রহণের জন্য কল করা সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ৩ হাজার ৬৫২টি কলের জন্য কোনো প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি। এই সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এবং জেলা আদালতের বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, বিলম্বে সেবা প্রাপ্তি এবং অসদাচরণ সম্পর্কিত ১১৮টি অভিযোগ এসেছে।

 

আরও পড়ুন: একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমের জেরে ব্যবসায়ী হত্যা

এসব অভিযোগের মধ্যে বিলম্বে আইনি সেবা প্রাপ্তি, রায়ের কপি না পাওয়া, নথি নিখোঁজ এবং দ্রুত নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ৯৯টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং ১২টি অভিযোগের নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা এবং অসদাচরণ সম্পর্কিত অবশিষ্ট ৭টি অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে গত ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন সেন্টার উদ্বোধন করা হয় এবং হেল্পলাইন ‘১০৩’ চালু করা হয়। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইন নম্বর (০১৩১৬-১৫৪২১৬ ও ০১৭৯৫-৩৭৩৬৮০) কল এবং হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভিস ও ‘১০৩’-তে অনলাইন সার্ভিস চালু রয়েছে।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রজন্মের পর প্রজন্ম সালমান শাহর অরা ধারণ করছে : অপূর্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


প্রজন্মের পর প্রজন্ম সালমান শাহর অরা ধারণ করছে : অপূর্ব

ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনয় করেছেন সালমান শাহর জীবন ও ক্যারিয়ার অবলম্বনে নির্মিত ওয়েব সিরিজ ‘বুকের মধ্যে আগুন’-এ। এই সিরিজের মাধ্যমে সালমান শাহকে ঘিরে তৈরি গল্পে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, যা তাকে কিংবদন্তি অভিনেতার নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে জানার সুযোগ করে দেয়।

 

সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা সম্প্রতি আবারও আলোচনায় এসেছে। তিন দশক পর মামলাটিতে নতুন আইনি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে মামলার আসামিদের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এমন একটি সমসাময়িক ইস্যুর প্রেক্ষাপটে অপূর্বর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সালমান শাহকে তিনি কিভাবে দেখেন। এ প্রশ্নের জবাবে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘উনি এত সুদর্শন ছিলেন, মনে রাখার মতো এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধারণ করে রাখার মতো একজন ছিলেন সালমান শাহ।

 

তিনি ছিলেন স্টাইল আইকন। যদি কেউ তার অর্ধেকও ক্যারি করতে পারে, তাহলে মানুষ ওই ব্যক্তিকে স্টাইলিশ বলে। সালমান শাহের মধ্যে সেই ধরনের অরা ছিল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তার সেই অরাটাকে ক্যারি করে গেছে এবং আরও অনেক দিন করবে।

এটা থেকেই বোঝা যায় যে, তিনি কত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন।

অপূর্বর মতে, সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন না, বরং তার নিজস্ব স্টাইল, ব্যক্তিত্ব ও পর্দায় উপস্থিতি তাকে সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে অনন্য এক তারকায় পরিণত করেছে। মৃত্যুর তিন দশক পরও নতুন প্রজন্মের কাছে তার আবেদন এতটুকু কমেনি। বরং সময়ের সঙ্গে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

‘বুকের মধ্যে আগুন’ ওয়েব সিরিজে সালমান শাহর জীবনের নানা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে।

 

সেই চরিত্র ও গল্পের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা অপূর্বর ক্যারিয়ারে একটি আলাদা অধ্যায় হয়ে আছে। সালমান শাহকে নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে—বাংলা চলচ্চিত্রে তার প্রভাব কতটা গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।

উল্লেখ্য, আজকের এই দিনে (৬ সেপ্টেম্বর) তিন দশক আগে ঢালিউডে নেমে এসেছিল শোকের ছায়া। মাত্র ২৪ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ঢাকাই চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে তৈরি হয়েছিল এক অপূরণীয় শূন্যতা। সময়ের হিসাবে আজ সেই শূন্যতার তিন দশক পূর্ণ হলো। অথচ এত বছর পরও দর্শকের হৃদয়ে সালমান শাহ রয়ে গেছেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক রাজপুত্র হয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোড়া অ্যাসিস্ট করে দলকে জেতালেন শমিত সোম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


জোড়া অ্যাসিস্ট করে দলকে জেতালেন শমিত সোম

নিউ ইয়র্ক কসমস ইউএসএল লিগ ওয়ানের ম্যাচে শমিত সোমের অসাধারণ মিডফিল্ড পারফরম্যান্সের মাধ্যমে একটি বড় জয় অর্জন করেছে। ফোর্ট ওয়েন এফসিকে ৪-২ গোলে পরাজিত করার এই ম্যাচে শমিত জোড়া অ্যাসিস্ট করে দলের সেরা পারফর্মার হিসেবে আবির্ভূত হন।

ম্যাচের শুরু থেকেই কসমস নিজেদের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল, যেখানে শমিতের নিখুঁত পাসিং এবং আক্রমণ তৈরির দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে, তার নিখুঁত থ্রু বল থেকে গোল করে ফরোয়ার্ড জাওনেহ লামিন দলকে এগিয়ে দেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন মুহূর্তটি ঘটে, যখন শমিতের চমৎকার থ্রু বল থেকে লামিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন, যা দলকে ৩-০ গোলের নিরাপদ ব্যবধানে নিয়ে যায়।

 

স্বাগতিকরা শেষ দিকে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও, লামিনের হ্যাটট্রিক এবং শমিতের নিয়ন্ত্রিত মাঝমাঠের পারফরম্যান্সের কারণে নিউ ইয়র্ক ৪-২ গোলের জয় নিশ্চিত করে।

শমিত শুধু আক্রমণ গড়াতেই নয়, পরিসংখ্যানেও নজর কেড়েছেন। তিনি ম্যাচে ৪৫ বার বলের স্পর্শ নিয়েছেন এবং ৩৬টি পাসের মধ্যে ৩০টি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন, যার ফলে তার পাস সাফল্যের হার ছিল ৮৩ শতাংশ। এছাড়া, ৫টি লং বলের ৪টিতেও তিনি সফল হন এবং দুটি গোলের সহায়তার পাশাপাশি একটি বড় সুযোগ তৈরি করেন।

এই মিডফিল্ডার রক্ষণেও সমান কার্যকর ছিলেন—৩টি ট্যাকল, ২টি ক্লিয়ারেন্স, ২টি বল রিকভারি ও ১টি শট ব্লক করে প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্লাবের হয়ে শমিত এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলেছেন এবং প্রতিটিতেই শুরুর একাদশে ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‎রাঙামাটিতে সাইবার পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার ৬১ হারানো মোবাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


‎রাঙামাটিতে সাইবার পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার ৬১ হারানো মোবাইল

‎তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া ৬১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎
‎এ উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল অনুসন্ধান শুরু করে। ধারাবাহিক প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে মোবাইল ফোনগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৬১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
‎পরে উদ্ধার করা ফোনগুলোর প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে মালিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের কার্যক্রমের প্রশংসা করে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
‎
‎অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সেকান্দার, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীন, সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের ইনচার্জ এইচ.এম. মাহমুদসহ সেলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নাগরিকদের সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ দমন ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ তদন্তে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজিবির উদ্যোগে মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিং কোর্সের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


বিজিবির উদ্যোগে মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিং কোর্সের উদ্বোধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত অঞ্চলে শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন, ৫৩বিজিবির উদ্যোগে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন, ৫৩বিজিবির অধিনায়ক লে, কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান।

অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রেখেছেন পুলিশ পরিদর্শক শাহীন হোসেন, চরবাড়ডাঙ্গা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূরুল হক এবং ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বিজিবি অধিনায়ক উল্লেখ করেন, সীমান্ত এলাকার শিক্ষিত বেকার যুবকেরা এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করবে। তিনি আরও বলেন, "এতে করে অন্যরাও বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকতে পারবে।" তিনি জানান, আগামীতে বিভিন্ন বিষয়ে বেকার ও শিক্ষিত যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%