ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমনের চুক্তি


বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমনের চুক্তি

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য সংগঠিত অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধ দমনে, প্রতারণামূলক অভিবাসন প্রতিরোধে এবং অপরাধী চক্রের শোষণ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষায় একটি নতুন সহযোগিতা কাঠামো গঠনে সম্মত হয়েছে।

আজ ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে যুক্ত নথিপত্র ও ভিসা জালিয়াতি এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডসহ সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ চিহ্নিত করা এবং প্রতিহত করার লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করা এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

এই কাঠামোর আওতায় উভয় দেশ প্রতারণামূলক কৌশলে অভিবাসীদের শোষণকারী অপরাধী চক্রগুলোকে শনাক্ত ও মোকাবিলা করতে তথ্য বিনিময় এবং কার্যকরী সমন্বয় বৃদ্ধি করবে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

চুক্তিতে অগ্রগতি পর্যালোচনা, তথ্য আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচনার জন্য নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, "এই নতুন উদ্যোগ ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড মোকাবিলার ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ঘনিষ্ঠ সুসম্পর্ক শক্তিশালী ও স্থায়ী অংশীদারিত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।"

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, "আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অভিবাসনকে পুঁজি করতে চাওয়া সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের হাত থেকে নাগরিকদের সুরক্ষায় আমাদের যৌথ দৃঢ় সংকল্পেরই বহিঃপ্রকাশ হলো এই চুক্তি।"

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বিদেশি সফর শেষে দেশে ফিরলেন

সারাহ কুক বলেন, "দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে তা নিরাপদ ও আইনানুগ অভিবাসনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি অভিবাসন সংক্রান্ত জালিয়াতি, শোষণ এবং মানব পাচার প্রতিরোধে সহায়ক হবে।"

তিনি আরও বলেন, "ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশ সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ মোকাবিলা, বৈধ অভিবাসন সমর্থন এবং জালিয়াতি, শোষণ ও পাচার থেকে ব্যক্তি ও পরিবারগুলোকে সুরক্ষার প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করবে।"

এই নতুন অবকাঠামোটি অনিরাপদ ও অনিয়মিত অভিবাসনের পথ তৈরি করে ফায়দা লোটা অপরাধী চক্রগুলো থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের রক্ষা করতে দুই দেশের যৌথ অঙ্গীকারকেই পুনর্ব্যক্ত করে।

এছাড়া এটি আন্তঃসীমান্ত অভিবাসন অপরাধ মোকাবিলায় এবং সম্ভাব্য অভিবাসীদের শোষণ থেকে রক্ষা করতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কৃষিমন্ত্রী: নিয়মবহির্ভূত সবকিছুই পরিচ্ছন্নতার আওতায় আসবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে চা শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রশিক্ষণ ও আস্বাদনী অধিবেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


পঞ্চগড়ে চা শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রশিক্ষণ ও আস্বাদনী অধিবেশন

পঞ্চগড়, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : উত্তরাঞ্চলের চা শিল্পকে উন্নত করার লক্ষ্যে নিজেদের উৎপাদিত চায়ের গুণগত মান সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হতে এবং দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।

আজ রোববার বিকেলে পঞ্চগড়ে বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত গুণগতমানের চা উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও চা আস্বাদনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

চা বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, "নিজেদের চায়ের মান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের চায়ের দুর্বলতাগুলো জেনে নিয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে। কারণ নিজের ভুল চিহ্নিত করার সক্ষমতাই মান উন্নয়নের প্রথম শর্ত।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, চা শিল্পের গুণগত মান উন্নয়নে উৎপাদিত চায়ের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো ধরে রাখা এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে তা শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া, চায়ের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হ্যান্ডলিংয়ের কোন পর্যায়ে মানের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, তা বুঝে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসময় বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য (যুগ্মসচিব) (গবেষণা ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের (শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার) পরিচালক ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, পরিচালক ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ বটলিফ চা কারখানার সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতী, স্মল টি ওনার্স এন্ড ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শাহজাহান খান, চা চাষি সমিতির উপদেষ্টা আনিসুর রহমান নূতন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কর্মশালায় চা চাষি, চা কারখানা কর্মকর্তা, মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন। পরে পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের নিচতলায় ৩০টি কারখানার উৎপাদিত চা পান করে মান যাচাই করেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের (শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার) পরিচালক ইসমাইল হোসেন। পরে সমতেলের বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত চায়ের গুণগতমান পরীক্ষা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরীপুরে স্বজনের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাল্যবিয়ে বিরোধী শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


গৌরীপুরে স্বজনের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাল্যবিয়ে বিরোধী শোভাযাত্রা

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্বজন সমাবেশের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বাল্যবিয়ে বিরোধী শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে স্বজনরা প্রতীকীভাবে বাল্যবিয়েকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।

উপজেলা স্বজন সমাবেশের সভাপতি মো. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কবি সেলিম আল রাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপজেলা স্কাউটের সম্পাদক ও ডক্টর রেজাউল করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছাইফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম মিন্টু, কাজী আব্দুল্লাহ আল আমিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ বিপ্লব, অর্থ সম্পাদক শামীম খান, গৌরীপুর উদীচী সংসদের সভাপতি ওবায়দুর রহমান, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুর রউফ দুদু, হুমায়ুন কবীর সুমন, উপজেলা স্বজনের সহ-সভাপতি একেএম মাহফুজুর রহমান এবং মো. ফিরোজ মিয়া।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন গৌরীপুর রক্তদান ফাউন্ডেশনের সভাপতি আশিকুর রহমান রাজিব, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী সানজানা তাসনিম তারিন, ফয়জুর নাহার লিয়া, স্বজন মাজহারুল ইসলাম, অলকেশ পণ্ডিত এবং যুগান্তরের গৌরীপুর প্রতিনিধি মো. রইছ উদ্দিন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
৭ পুলিশ সদস্যের নামে মামলা

সিআইডির প্রতিবেদন নিয়ে নারাজি, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


সিআইডির প্রতিবেদন নিয়ে নারাজি, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সাতজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলায় আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেছেন। বাদী সিআইডির চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন জানালে আদালত এই আদেশ দেন।

রোববার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এই নির্দেশনা দেন।

বিকালে বাদীর আইনজীবী আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রায়পুরে আটকের পর আবদুর রহিম রনি নামের এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় তার স্ত্রী রিনা আক্তার বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর আদালতে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—রায়পুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ, নুরুল ইসলাম, মো. আবু হানিফ, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সফিক মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন, কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি।

ভুক্তভোগী রনি রায়পুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের পূর্ব চরপাড়া গ্রামের মো. শহিদুল্লাহর ছেলে।

আদালত ও বাদীর আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, আদালত প্রথমে মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেন। পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিলে ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি বাদী নারাজি দেন। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য নোয়াখালী পিবিআইকে দায়িত্ব দেন। পিবিআই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও বাদী ফের নারাজি দাখিল করেন। এরপর একই বছরের ৯ জুলাই আদালত অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব দেন।

চলতি বছরের ২ জুলাই সিআইডি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। গত ১৭ আগস্ট বাদী সিআইডির প্রতিবেদনের বিরুদ্ধেও আদালতে নারাজি আবেদন জানান। বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তা মঞ্জুর করে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

বাদীর আইনজীবী আবদুল আহাদ শাকিল পাটওয়ারী মন্তব্য করেন যে, তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযুক্তদের বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত না করে প্রভাবিত হয়ে একপেশে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তিনি বলেন, রায়পুর থানা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজের হার্ডডিস্ক জব্দ বা ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়নি। বাদীর সাক্ষীদের জবানবন্দি বিবেচনায় না নিয়ে মনগড়া তথ্য দেওয়া হয়েছে। এজন্য সিআইডির প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়া হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের বর্ডার বাজার এলাকায় রায়পুর-চাঁদপুর সড়ক থেকে রনিকে আটক করেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা। অভিযোগ রয়েছে যে, ওই সময় তার সঙ্গে থাকা গরু বিক্রির ৯০ হাজার টাকা তারা নিয়ে নেন। পরে তাকে মারধর করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে পানি খেতে চাইলে টিউবওয়েলের সঙ্গে তার মাথায় আঘাত করা হয়।

আটকের খবর পেয়ে রনির স্ত্রী রায়পুর থানা, সদর থানা, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয় ও জেলা কারাগারে খুঁজেও স্বামীর কোনো সন্ধান পাননি। পুনরায় রায়পুর থানায় গিয়ে স্বামীর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি দেখতে পেয়ে সন্ধান চাইলে পুলিশ দুর্ব্যবহার করে। পরে তিনি এসআই হানিফকে কল দিলে রনিকে ছাড়ার জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর হুমকি দেওয়া হয়।

তখন থানা পুলিশ দাবি করেছিল, ১৮ ডিসেম্বর ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রনিসহ দুজনকে একটি একনলা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ, দেশীয় অস্ত্র, ১৮০ পিস ইয়াবা ও ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরগঞ্জে বিদ্যালয় পরিদর্শনে তিন শিক্ষক অনুপস্থিত, সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


কিশোরগঞ্জে বিদ্যালয় পরিদর্শনে তিন শিক্ষক অনুপস্থিত, সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি যাচাই করতে গিয়ে ব্যত্যয়ের চিত্র লক্ষ্য করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর। হাজিরা রেজিস্টারে ছয়জন শিক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন মাত্র তিনজন। অনুপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং দুই সহকারী শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাঁদের অনুপস্থিতির বিষয়ে ছুটির অনুমোদন কিংবা কর্তৃপক্ষকে আগাম অবহিত করার কোনো তথ্য পরিদর্শন বহিতে পাওয়া যায়নি।

রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর ধনপুর ইউনিয়নের সহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে এ চিত্র দেখতে পান। পরিদর্শন বহিতে লিপিবদ্ধ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনুপস্থিত তিন শিক্ষক হলেন প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল হক এবং সহকারী শিক্ষক আনোয়ারা পারভীন ও সজল। তাঁদের অনুপস্থিতির কারণ, হাজিরা রেজিস্টারে স্বাক্ষর থাকা এবং কর্তৃপক্ষকে আগাম অবহিত না করার বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনের পর প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমানে কিশোরগঞ্জে অবস্থান করছেন। তিনি দাবি করেন, সকালে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পরে চলে এসেছেন। তবে পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও হাজিরা রেজিস্টারে তাঁর স্বাক্ষর থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

অন্য দুই সহকারী শিক্ষকের বক্তব্য জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁদের অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

বিদ্যালয়ের সার্বিক পাঠদান কার্যক্রম ও শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পাঠদানের মান নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এ কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের কিন্ডারগার্টেনসহ বিকল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাচ্ছেন। তাঁর মতে, পাঠদানের মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি যথাযথ মনোযোগ বাড়ানো গেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

এ বিষয়ে ইটনা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম মো. এহছানুল হক বলেন, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা রেজিস্টারে উপস্থিতির স্বাক্ষর থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত পাঠদান অব্যাহত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিদর্শনে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়ে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণ এবং এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আগাম অবহিত না করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তাঁদের সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%