ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ধানমন্ডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে: সড়ক মন্ত্রী


ধানমন্ডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে: সড়ক মন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ধানমন্ডি লেকে কোনো বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ চলবে না। ধানমন্ডি এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ৩৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নাগরিক সেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে ধানমন্ডিতে রোববার (৭ জুন) সকালে ধানমন্ডি লেক সংলগ্ন রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে ডিএসসিসি গণশুনানিতে তিনি এ কথা জানান।

সড়কমন্ত্রী আরো বলেন, নাগরিকদের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারলে এবং তাদের সমস্যা প্রতিষ্ঠানের নিজেদের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করলে জনগণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সোসাইটি নাগরিক সংগঠন এবং বাসিন্দাদের আরও ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

তিনি উল্লেখ করেন, ধানমন্ডি লেকটিকে ঝলমলে বাণিজ্যিক স্থানে রূপান্তরিত না করে বরং একটি মনোরম, প্রশান্তিময় ও প্রকৃতিনির্ভর জনপরিসর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। হাঁটাচলা, বিনোদন এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি লেকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য সংরক্ষণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

এ সময় লেকের পানির মান উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো নিয়েও চলমান পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি ধানমন্ডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বৃহৎ অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথাও জানান।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে আজ যেসব সড়ক দিয়ে যাবে বিএনপির শোভাযাত্রা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা রায়ের প্রতি আদালতের মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


রামিসা ধর্ষণ-হত্যা রায়ের প্রতি আদালতের মন্তব্য

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায় আদালত প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার করেন।

রায়ে উল্লেখ রয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অর্থদণ্ডের টাকা ভুক্তভোগী শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের কাছে পৌঁছানো হবে। আসামিরা যদি এই ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে আদালতের।

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে এই বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার মামলাটি শুধুমাত্র একটি ফৌজদারি বিচারকর্মকাণ্ড নয়; এটি আমাদের সমাজের বিবেক, মানবতা, আইনশৃঙ্খলা ও আইনের শাসনের পরীক্ষার একটি বিষয়। শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। যখন কোনো শিশু অত্যন্ত জঘন্য অপরাধের শিকার হয়, তখন তা একা একটি পরিবারকেও নয় বরং সমগ্র সমাজকেও গভীরভাবে আঘাত করে।

আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে বলেন, বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালে ১ হাজার ৮০০-র অধিক বিচারাধীন মামলা রয়েছে, যার প্রতিটি মামলাই শিশুদের প্রতি সংঘটিত গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই প্রেক্ষাপটের আলোকে রামিসার মামলাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, কারণ এটিতে তদন্ত, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্যগ্রহণ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনার মাত্র ৪ দিনের মাথায়, গত ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ১৮ জনকে সাক্ষী করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। আদালত এই দ্রুততা এবং মানসম্মত তদন্তের জন্য তদন্তকারী সংস্থা এবং দ্রুত সময়ে সাক্ষীদের আদালতে উপস্থাপন করার জন্য প্রসিকিউশনের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। বিচারক আশা প্রকাশ করেন যে, এই মামলা ভবিষ্যতে শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার জন্য একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

এর আগে গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং ২ জুন মাত্র এক দিনে ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও, ৪ জুন উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বিশেষ দিন ধার্য করা হয়েছিল রায়ের জন্য।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে সাড়ে ৯টায় পল্লবীর বাসা থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। প্রতিবেশী স্বপ্না খাতুন তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন। পরে রামিসাকে খুঁজে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তার মা। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, শয়নকক্ষে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতর তার কাটা মাথা রয়েছে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল ঘাতক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেছিলেন রামিসার বাবা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার আসামি পার্থসহ গ্রেফতার ৩৯জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


খুলনায় বিশেষ অভিযানে হত্যা মামলার আসামি পার্থসহ গ্রেফতার ৩৯জন

মহানগর এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

এই বিশেষ অভিযানে গতকাল শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত মোট ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে খুলনা সদর থানায় ৯ জন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় ৫ জন, লবণচরা থানায় ১ জন, হরিণটানা থানায় ৬ জন, খালিশপুর থানায় ৪ জন, দৌলতপুর থানায় ২ জন, আড়ংঘাটা থানায় ৭ জন এবং খানজাহান আলী থানায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

এই বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসী পলাশ গ্রুপের চিংড়ি বাবুর সহযোগী, খুলনা সদর থানা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি কাজী রাফসান মাহমুদ পার্থ (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বাসসকে জানিয়েছেন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ মহানগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ দমন এবং শান্তিপূর্ণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভার থানা ছাত্রদলের সভাপতি মাশফি ও সম্পাদক সামির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


সাভার থানা ছাত্রদলের সভাপতি মাশফি ও সম্পাদক সামির

ফয়সাল আহমেদ মাশফিকে সভাপতি এবং মাহবুব হোসেন সামিরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাভার থানা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ছাত্রদলের ঢাকা উত্তর জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ উদ্দিন শুক্রবার (৫ জুন) এই কমিটি ঘোষণার করেছেন।

আংশিক পূর্ণাঙ্গ এ কমিটিতে মোট ১৮৮ জন স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রফিকুল ইসলাম নোমান। সহ-সভাপতি করা হয়েছে ৬৬ জনকে।

এছাড়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ৮১ জন।

এদিকে, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. রাকিব হাসান নিয়োগ পেয়েছেন। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ২৫ জন।

এছাড়া, প্রচার সম্পাদক ও সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে যথাক্রমে শিশির হাসান ও নজরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, দফতর সম্পাদক ও সহ-দফতর সম্পাদক হিসেবে মো. শারাফাত হোসাইন ও জাহিদ হাসানকে নির্বাচন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, নতুন কমিটিতে সাতজন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না, সঠিক চেহারা দেখাতে প্রয়োজন বস্তুনিষ্ঠতা: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না, সঠিক চেহারা দেখাতে প্রয়োজন বস্তুনিষ্ঠতা: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র, সমাজ এবং আধুনিক সভ্যতার এক অপরিহার্য আয়না। এটি কেবল ব্যাংকিং খাতেই নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রকে স্বচ্ছ করার পিছনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের এই আয়না বা সিস্টেমের মধ্যে যদি কোনো গুণগত ত্রুটি থাকে, তবে তা সঠিক প্রতিবিম্ব দেখাতে পারে না। তাই নিজেদের সঠিক চেহারা এবং সমাজকে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের একমাত্র মানদন্ড ও শক্তি হতে হবে ‘বস্তুনিষ্ঠতা’। ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাইয়ের মেকানিজম ছাড়া গণমাধ্যমের বিশ্বস্ততা অর্জন সম্ভব নয়।’

আজ রোববার সকালে রাজধানীর পল্টনে ইআরএফ মিলনায়তনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘ব্যাংকখাতে সুশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্পর্কিত সেমিনারটি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-এর সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছিল এবং এটি সভাপতিত্ব করেন ইআরএফ প্রেসিডেন্ট দৌলত আকতার মালা। সেমিনারে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি আবুল কাশেম।

সেমিনারে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার, ডেইলি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান জাহিদ এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র যদি সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারে বা সমাজ যদি ব্যর্থ হয়, তবে বিচ্ছিন্নভাবে গণমাধ্যমের উপস্থিতির কারণে একটি সুস্থ ব্যাংকিং খাতে সুশাসন বজায় থাকবে- এটা আশা করা যায় না। এটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, রাষ্ট্র এবং সমাজের সুশাসনের প্যারামিটার অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতে গণমাধ্যমের ভূমিকা নির্ধারিত হবে।’

রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের আগে বলেছিলেন- ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। তাঁর সেই দূরদর্শী কণ্ঠকে প্রতিধ্বনিত করে আমাদের সরকার কাজ করছে। যদি আমরা প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং দুর্নীতি দমনের জন্য সংস্কার কমিশন গঠন করতে পারি, তবে অর্থনীতির মূল প্রবাহ তথা ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কেন করব না? ব্যাংকিং খাতের ত্রুটি ও ক্ষতগুলো দূর করতে ‘ব্যাংকিং কমিশন’ গঠন করব।’

অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য কেবল ব্যাংকের ওপর চাপ না বাড়িয়ে পুঁজিবাজার বা শেয়ার বাজারকে পুঁজির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাগিদ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের যে দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন, তা আজ অনেক দূর বিস্তৃত হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে একটি শ্রেণীর ‘নন-পারফর্মার’ আমানতকারী এবং শেয়ার বাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অর্থ টার্গেট করে অনিয়ম করছে, যাদের কঠোর হাত দিয়ে দমন করা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশের ওপর সাম্প্রতিক কড়াকড়ির প্রতি ইঙ্গিত করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কে ব্যাংকের ফার্স্ট ফ্লোর, থার্ড ফ্লোর নাকি লাস্ট ফ্লোরে ঢুকলেন- সেটা আমার কাছে বড় প্রশ্ন নয়। আমার কাছে মূল প্রশ্ন হলো ‘এক্সেস টু ইনফরমেশন’ বা তথ্যের অবাধ প্রাপ্তি। তথ্যিকোথাও থাকুক, সাংবাদিকদের সেখানে গিয়ে পৌঁছানোর অধিকার থাকতে হবে। সব তথ্য যাতে উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ থাকে, তা নিশ্চিত করাই সুশাসনের প্রথম শর্ত।’

তিনি অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের প্রশংসা করে বলেন, অর্থনৈতিক সাংবাদিকতাই ব্যাংকিং সুশাসনের একমাত্র পাহারাদার হিসেবে কাজ করছে। মানুষের জানার অধিকার রক্ষা এবং নীতি-পরিকল্পনা প্রণয়নে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী তৎপরতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

সেমিনারে ইআরএফ-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%