ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাবি ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে যুবককে পুলিশে সোপর্দ


রাবি ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে যুবককে পুলিশে সোপর্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীকে মুঠোফোনের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে খন্দকার সালমান হাসান মিম নামের এক যুবককে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সময় তার ওপর মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকায় শিক্ষার্থীরা সালমানকে আটক করেন। পরবর্তীতে শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত যুবক সালমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। অভিযোগকারী ছাত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন: আমি ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে কাউকে মনোনয়ন দিইনি: মীর শাহে আলম

অভিযোগকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সালমানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর সাবেক এক রুমমেটের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সালমানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় হয়। দুই দিন আগে সালমান রাজশাহীতে আসেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ওই ছাত্রীকে মুঠোফোনে কল করেন। পরিচয় জানতে চাইলে, সালমান তাকে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।

পরে তিনি বিষয়টি বন্ধু ও পরিচিতদের জানালে, সালমানকে ফোন করে কৌশলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতে বলা হয়। ক্যাম্পাসে আসলে ছাত্রীর সহপাঠীরা তাকে আটক করেন। প্রায় চার ঘণ্টা পর চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে সালমানকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মুঠোফোনও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, "আমাকে রাত সাড়ে ৪টায় কল করে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। পরে পরিচয় জানতে পারি, সালমান আমার সাবেক রুমমেটের প্রাক্তন প্রেমিক। এ ঘটনায় আমি মামলা করার আবেদন করব। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।"

তবে সালমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি এমন কোনো প্রস্তাব দিইনি। আমার মুঠোফোন থেকে অন্য কেউ কলটি করতে পারে। তার সঙ্গে আমার পূর্বপরিচয় ছিল। সে কারণে আমি দেখা করতে চেয়েছিলাম।"

আরও পড়ুন: ফুটপাত দখলমুক্তের পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসন হবে: প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান

চন্দ্রিমা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ দায়ের করতে ভুক্তভোগীকে প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় থানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে শারীরিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে একজনকে আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) পেয়ার আহমেদ। এর আগে শুক্রবার জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত এ অভিযান চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ছয়জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১২ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জন, চরজব্বর থানায় দুজন, সোনাইমুড়ী থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় ছয়জন এবং কবিরহাট থানায় সাতজনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অক্টোবারফেস্টে নারীদেরকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে শর্টপ্যান্ট, নেপথ্যে যে কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


অক্টোবারফেস্টে নারীদেরকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে শর্টপ্যান্ট, নেপথ্যে যে কারণ

জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উৎসব, অক্টোবাফেস্ট। এই উৎসবের মধ্যে নারীদের স্কার্টের নিচে গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ প্রতিরোধে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নারী দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সাইক্লিং শর্টস বিতরণ করা হচ্ছে।

উদ্যোগটি অক্টোবাফেস্টের একটি পুরনো ও জনপ্রিয় রাইড ‘টয়ফেলসরাড’ বা ‘ডেভিলস হুইল’কে কেন্দ্র করে। রাইডটির অপারেটর এলিজাবেথ পোলাচি গত তিন বছর ধরে নারীদের বিনামূল্যে শর্টস বিতরণ করে আসছেন। চলতি বছরে তিনি ১০০টিরও বেশি শর্টস বিতরণ করেছেন।

ডেভিলস হুইল একটি বৃহৎ গোলাকার প্ল্যাটফর্ম, যা রাইড শুরু হওয়ার পর দ্রুত ঘুরতে থাকে। এক পর্যায়ে আরোহীরা ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। এই সময় নারীদের স্কার্ট কিংবা ঐতিহ্যবাহী জার্মান পোশাক ‘ডির্ন্ডল’ ওপরে উঠে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সেই দৃশ্য গোপনে ধারণ করতে কিছু দর্শক মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন।

পরে এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু ভিডিও ইতিমধ্যে লাখোবার দেখা হয়েছে। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম বিআরের একটি অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করে এক নারী প্রায় ৯ হাজার ইউরো আয় করেছেন।

জার্মানির অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদপত্র সুডুচে জেইতুং জানিয়েছে, ডেভিলস হুইলে নারীদের ধারণ করা অন্তত ৩২ হাজার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু ভিডিওতে নারীদের অন্তর্বাস দেখা গেছে। এমনকি কিছু ছবিকে ডিজিটালি সম্পাদনা করে নারীদের নগ্ন দেখানোর ঘটনাও ঘটেছে।

৮০ বছর বয়সী পোলাচি বিবিসিকে বলেন, "নারীরা যাতে রাইডে উঠে নিরাপদ ও স্বস্তিবোধ করেন, সেটিই তার প্রধান লক্ষ্য। মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে যা করার সম্ভব, তিনি তা করতে চাই। শর্টস কিনে বিতরণ করা ব্যয়বহুল হলেও নিজের মানসিক শান্তির জন্য এটি মূল্যবান।"

ডেভিলস হুইলের তাঁবুতেও এ বিষয়ে সতর্কবার্তা টানানো হয়েছে। জার্মান ও ইংরেজি ভাষার পোস্টারে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "কারও স্কার্টের নিচে গোপনে ছবি বা ভিডিও ধারণ করা অপরাধ।"

বাভারিয়ান পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবাফেস্টে ‘আপস্কার্টিং’-এর অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সাতজন। চলতি বছরও এক ৪৫ বছর বয়সী সুইস নাগরিককে এক জার্মান নারীর ডির্ন্ডলের নিচে মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জার্মান আইনে কারও পোশাকের নিচে গোপনে ছবি বা ভিডিও ধারণ অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

তবে ডিজিটাল সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তাকারী জার্মান সংগঠন ‘হেট এইড’-এর প্রধান জোসেফিন ব্যালন বলছেন, বিদ্যমান আইন সব ধরনের পরিস্থিতিতে নারীদের যথেষ্ট সুরক্ষা দিতে পারে না। বিশেষ করে স্কার্ট হঠাৎ ওপরে উঠে যাওয়ার পর সেই দৃশ্যের ছবি তোলা হলে আইনের প্রয়োগ নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে অক্টোবাফেস্টে ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট নির্মাতাদের ভিডিও ধারণেও কড়াকড়ি করেছে মিউনিখ কর্তৃপক্ষ। উৎসবস্থল থেকে লাইভস্ট্রিম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেখানে ভিডিও ধারণ করতে হলে শহর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতিপত্র নিতে হচ্ছে। চলতি বছর পণ্য প্রচার ও স্পনসরশিপের মাধ্যমে আয় করা ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্য শত শত অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোমের বিমানবন্দরে ২৮ কেজি রুপা জব্দ, বাংলাদেশি নাগরিক অভিযুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


রোমের বিমানবন্দরে ২৮ কেজি রুপা জব্দ, বাংলাদেশি নাগরিক অভিযুক্ত

ইতালির রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে চারটি লাগেজের মধ্যে লুকানো ২৮ কেজি রুপা এবং মূল্যবান গয়না শুল্ক কর্মকর্তাদের দ্বারা জব্দ করা হয়েছে। এই জব্দকৃত সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

ফিউমিসিনো (লিওনার্দো দা ভিঞ্চি) বিমানবন্দরে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ওই বাংলাদেশি নাগরিকের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

গোপন তথ্য এবং সন্দেহের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগ ‘ফিউমিসিনো গ্রুপ’এর কর্মকর্তারা যাত্রীর ওপর নজরদারি শুরু করেন। এ সময় ইতালির অর্থনৈতিক অপরাধ দমনকারী পুলিশ বাহিনী ‘গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজা’র রোম প্রাদেশিক কমান্ডের সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

প্রথমে ওই যাত্রীর বিমানে জমা দেওয়া চারটি লাগেজের এক্স-রে স্ক্যান করা হয়। স্ক্যানিংয়ে অসংগতি ধরা পড়ার পর ব্যাগগুলো খুলে তল্লাশি করা হয়। এ সময় বিভিন্ন প্লাস্টিকের মোড়কে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ রুপা এবং মূল্যবান অলংকার উদ্ধার করেন কর্মকর্তারা।

গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজার তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা রুপার বৈধ উৎস এবং সীমান্ত পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদন ওই যাত্রী দেখাতে পারেননি।

এ ঘটনায় অবৈধভাবে পণ্য বহনের সন্দেহে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি।

জব্দ করা ২৮ কেজি রুপা বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীর মোট আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ

দেশের গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর বাড়তি নির্ভরতার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণের দ্বীপ জেলা ভোলার গ্যাসসম্পদ নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

জাতীয় গ্রিডের বাইরে থাকা ভোলার গ্যাস কীভাবে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিই এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের তীব্র অপ্রতুলতা দেখা দেওয়ায় গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও প্রধানত সঞ্চালন অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে ভোলার পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

ভোলার গ্যাসের গুরুত্ব স্পষ্ট হয় দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের সার্বিক হিসাবের দিকে তাকালে। জেলার শাহবাজপুর, ভোলা-নর্থ ও ইলিশা—এই তিনটি আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৪৩২ থেকে ১ দশমিক ৪৩৩ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলনযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৭ দশমিক ৬৩ টিসিএফ। সেই হিসাবে দেশের মোট অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় ১৯ শতাংশ বা প্রায় এক-পঞ্চমাংশই রয়েছে ভোলায়।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কূপ খনন, উৎপাদন পরীক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই উত্তোলনযোগ্য মজুত সম্পর্কে আরও নিখুঁত ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।

বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার নয়টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আরও প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অব্যবহৃত থাকার তথ্য রয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ভোলার গ্যাসকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন অবকাঠামোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। গ্যাসের মজুত থাকলেও তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা না থাকলে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।’

দেশের সামগ্রিক গ্যাস পরিস্থিতিও ভোলার সম্ভাবনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ২ হাজার ৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে আসে প্রায় ১ হাজার ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানিকৃত এলএনজি থেকে আসে প্রায় ৯৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ মোট সরবরাহের একটি বড় অংশ এখনও আমদানিনির্ভর।

এলএনজি আমদানি স্বল্পমেয়াদে গ্যাসের ঘাটতি সামাল দিতে সহায়তা করলেও এর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো এবং বর্তমানে অব্যবহৃত গ্যাসকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই বাস্তবতায় ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, ভোলা-বরিশাল গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি ভোলা-বরিশাল-খুলনা রুটে পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে। এ পাইপলাইন বাস্তবায়িত হলে ভোলার গ্যাস দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। খুলনা পর্যন্ত গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামো তৈরি করা গেলে পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর জাতীয় গ্যাস ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের সুযোগও বাড়তে পারে। তবে এ ধরনের বড় অবকাঠামো নির্মাণে সময় ও বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে এর সুফল শুধু ভোলা বা বরিশালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। খুলনা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য গ্যাসনির্ভর প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একইসঙ্গে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমানো এবং আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা হ্রাসের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস নেওয়াই অবশ্য একমাত্র সম্ভাবনা নয়। ভোলায় উৎপাদিত গ্যাস স্থানীয়ভাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সেখানে সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাসভিত্তিক শিল্প, শিল্পপার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভোলায় গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ, নদীবন্দর, বিদ্যুৎ, পানি, আবাসন ও দক্ষ জনশক্তির অবকাঠামো গড়ে উঠলে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পাঞ্চল বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

ভোলায় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা নর্থ-১, ভোলা নর্থ-২ ও ইলিশা-১ কূপ থেকে অতিরিক্ত ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের জন্য প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এর পাশাপাশি ভোলায় আরও পাঁচটি নতুন গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কূপ খনন সফল হলে ভবিষ্যতে ভোলার গ্যাস উৎপাদন আরও বাড়তে পারে। ফলে শুধু বিদ্যমান গ্যাস ব্যবহারের ব্যবস্থা করাই নয়, ভবিষ্যৎ উৎপাদন বিবেচনায় নিয়েও সঞ্চালন অবকাঠামো পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

ভোলার গ্যাসের সম্ভাবনা শুধু বর্তমানে চিহ্নিত মজুতেই সীমাবদ্ধ নয়। বাপেক্স ও রাশিয়ার গ্যাসপ্রমের অনুসন্ধানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। বিশেষ করে চরফ্যাশনসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন অনুসন্ধানের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ গ্যাসসম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

ভোলার গ্যাসের সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টিও সরাসরি যুক্ত। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থাকলেও পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় অনেক সময় সেগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গেলে দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হতে পারে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, ভোলার গ্যাস ব্যবহার, মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমাম বলেন, ‘ভোলার গ্যাসের অর্থনৈতিক মূল্য শুধু কত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে, তা দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে না। গ্যাসটি কোথায় ব্যবহার করলে দেশের অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন হবে, তা নির্ধারণ করতে হবে। বিদ্যুৎ, সার, শিল্পকারখানা এবং জাতীয় গ্রিড, সবগুলো বিকল্পের ব্যয় ও সুফল তুলনা করে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ভোলার গ্যাস নিয়ে বড় বিনিয়োগের আগে গ্যাসের প্রকৃত উত্তোলনযোগ্য মজুত নির্ধারণ করা জরুরি। কোনো গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাব্য মজুত এবং বাস্তবে অর্থনৈতিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস এক বিষয় নয়। অনুসন্ধান, কূপ খনন, উৎপাদন পরীক্ষা এবং সময়ের সঙ্গে কূপের চাপ ও উৎপাদন ক্ষমতা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রকৃত সম্ভাবনা নির্ধারণ করতে হয়।

ভোলার শিল্পোদ্যোক্তারাও গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকে শিল্পায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে দেখছেন। ভোলার মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিলসের স্বত্বাধিকারী এবং ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে ভোলায় শিল্প স্থাপনের আগ্রহ বাড়তে পারে। তবে গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, সড়ক, নদীবন্দর, যোগাযোগ ও শিল্প অবকাঠামোও একসঙ্গে উন্নত করতে হবে। শুধু গ্যাস থাকলেই বড় শিল্পায়ন সম্ভব নয়।’

সরকারের সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিকল্পনাতেও ভোলার গ্যাসের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিষয়টি রয়েছে। তিনি ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এবং বাপেক্সের ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের কাজ এগিয়ে চলার কথা জানান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোলার গ্যাসের ক্ষেত্রে কোনো একটি ব্যবহারের ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। জাতীয় গ্রিডে কতটা গ্যাস যাবে, স্থানীয় শিল্পে কতটা ব্যবহার হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে কতটা দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কতটা সক্ষমতা রাখা হবে, এসব বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় থাকা প্রয়োজন।

এ ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয়ও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। ভোলার ভৌগোলিক অবস্থান, নদী ও উপকূলীয় পরিবেশ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্প ও গ্যাস অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নতুন শিল্পায়নের ফলে স্থানীয় জনগণের জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও পরিকল্পনায় থাকতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে, এলএনজি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, এই বাস্তবতায় ভোলার গ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। বর্তমানে যে গ্যাস অবকাঠামোর অভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না, তা দ্রুত কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা গেলে নতুন কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের আগেই দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় অতিরিক্ত সরবরাহ যোগ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোলার প্রায় ১ দশমিক ৪৩৩ টিসিএফ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের সমপরিমাণ। একইসঙ্গে নতুন অনুসন্ধানে আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে ভোলাকে শুধু একটি আঞ্চলিক গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে না দেখে জাতীয় জ্বালানি পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনুসন্ধান, উৎপাদন, প্রসেসিং, সঞ্চালন, শিল্পায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে একই পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%