বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ এম
২০২৬ বিশ্বকাপ এবার শুধু মাঠের লড়াই নয়, বরং বৈচিত্র্য ও অভিবাসনের গল্পও তুলে ধরছে। এবারের আসরের পালা কিংবা কাঠামোয় রেকর্ডসংখ্যক ফুটবলার নিজেদের জন্মভূমির বাইরে অন্য দেশের হয়ে রাজনৈতিক বা সামাজিকভাবে তারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাতীয়তার ধারণাকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলের এক হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের প্রায় ২৩ দশমিক ৬ শতাংশই নিজেদের জন্মভূমির পরিবর্তে অন্য দেশের জার্সি গায়ে নিয়ে মাঠে নেমেছেন। আগের কাতার বিশ্বকাপে এই হার ছিল ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
এতে অন্যতম পরিস্কার উদাহরণ হিসেবে ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসির কথা উল্লেখ করা যায়। তিনি ফ্রান্সের হয়ে খেললেও তাঁর শিকড় রয়েছে আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া এবং যুক্তরাজ্যে। তিনি তাঁর বহুজাতীয় পরিচয়কে শক্তি হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে তিনি ৭টি অ্যাসিস্ট করে পেলের পূর্বের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন।
বিশ্বকাপে জন্মভূমির বাইরে অন্য দেশের হয়ে খেলছেন এমন খেলোয়াড়দের পা থেকে এসেছে ৭০টি গোল ও অ্যাসিস্ট। এর মধ্য থেকে ১৯টি গোল এমন, যেখানে গোলদাতা ও অ্যাসিস্টদাতা—দুজনই জন্মসূত্রে ভিন্ন দেশের নাগরিক।
এছাড়াও, তিনটি আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর দলে অভিবাসী খেলোয়াড়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া হুলিয়ান কিনিয়োনেস মেক্সিকোর হয়ে গোল করেছিলেন, জার্মানিতে জন্ম নেওয়া মালেক তিলমান যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে মারাত্মক পারফরমেন্স দেখিয়েছেন, এবং যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী জোনাথন ডেভিড কানাডার হয়ে ইতিহাস এঁকেছেন।
ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ৭৪ জন ফুটবলার এবার বিভিন্ন দেশের হয়ে বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতা করেছেন, অন্যদিকে কুরাসাও দলের ২৬ সদস্যের মধ্যে ২৫ জনই নেদারল্যান্ডসে জন্মেছেন।
স্পেনের নিকো উইলিয়ামস, আইভরি কোস্টের গুয়েলা দুয়ে, অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সটার কিংবা স্কটল্যান্ডের জন সটার—একই পরিবারের সদস্য হয়েও ভিন্ন দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই উদাহরণগুলো আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাতীয়তার ক্রমবর্ধমান বৈচিত্র্যের প্রতিফলন।
দ্য গার্ডিয়ানের মতে, আধুনিক ফুটবলে জাতীয়তার সংজ্ঞা দীর্ঘকাল ধরে যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বহুমাত্রিক হয়ে উঠেছে। বিশ্বায়ন, অভিবাসন ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজের প্রভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে জন্মস্থান এবং জাতীয় পরিচয়ের একমাত্র নির্ধারক থাকছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে টিসিবি পণ্যের একটি তালাবদ্ধ গোডাউনের আগুন নেভাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ ও ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে ১৭ বছর বয়সী তরুণ নাসিম আলী ওরফে নয়নের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হাটবাকইল বাজারের শাপলা মার্কেটের নিচতলায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নয়নের পিতার নাম আব্বাস আলী, তিনি নেজামপুর ইউনিয়নের হাটবাকইল গ্রামের বাসিন্দা।
ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাটবাকইল বাজারের শাপলা মার্কেটের নিচতলায় টিসিবি পণ্যের একটি তালাবদ্ধ গোডাউনে আগুনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে থাকে। তারা গোডাউনের দরজা ভেঙে মার্কেটের পাম্প থেকে পানি সরবরাহ করে আগুন নেভাতে সচেষ্ট হন।
এ সময় স্থানীয়রা বালুও ব্যবহার করেন।
নয়নও আগুন নেভানোর জন্য ওই ঘরে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে দোতলায় উঠার চেষ্টা করে এবং পানির ট্যাংক থেকে বালতিতে পানি নিয়ে নিচে নামার সময় প্রচণ্ড ধোঁয়ায় আটকা পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
নাচোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার এন্তাজুল হক জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুরো ভবনটি তল্লাশি শুরু করলে সিঁড়ির পাশে নয়নের মরদেহ পাওয়া যায়।
বিভিন্ন অংশ কিছু ফোসকা পড়ে ঝলসে যায়।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, আগুনের আঁচ এবং ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে নয়ন মারা গেছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে বলে চিন্তা করছে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাগণ।
নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেছেন, ঊর্ধ্বমুখী আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়ার কারণে নয়নের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং আবেদন অনুযায়ী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিতে যাচ্ছেন। তিনি শেষবারের মতো পর্তুগালের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন। এরপরেই জাতীয় দল থেকে অবসর নেবেন এই তারকা ফুটবলার। নেশনস লিগে ওয়েলসের বিপক্ষে খেলেই তার রেকর্ড গড়া ক্যারিয়ার থামবে। এই ক্যারিয়ারের পাতায় তিনি সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা এবং সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড় হয়েছেন।
রোনালদোর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার জানা যাচ্ছে তার শেষ দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেছে। ক্রীড়া সাংবাদিক মোহাম্মদ আওয়াদের বরাত দিয়ে গোল ডট কম জানাচ্ছে, পর্তুগালের একজন এজেন্ট বলেছেন যে রোনালদো একটি ম্যাচ খেলেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরে যাবেন।
আওয়াদ জানিয়েছেন এই ম্যাচ সম্পর্কে, ‘তিনি উয়েফা নেশনস লিগে ওয়েলসের বিপক্ষে খেলবেন। ম্যাচটি হবে স্পোর্টিং লিসবনের হোম মাঠ হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে।’ এর মানে হলো, ২৪ সেপ্টেম্বরের এই ম্যাচেই সমর্থকরা শেষবারের মতো রোনালদোকে পর্তুগালের জার্সিতে দেখতে পাবেন।
এই বিদায়ের খবর মিলে যাচ্ছে পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুজের নিয়োগের সঙ্গে। জেসুস সম্প্রতি চার বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দল এখনই বড় ধরনের পরিবর্তন করবেন না। ফলে রোনালদোর জন্য দরজা খোলা থাকছে।
ক্যানাল ১১-কে জেসুস বলেছেন, ‘অনেকে হয়তো ভাবছেন নতুন কোচ এসেই অনেক খেলোয়াড় বদলে দেবেন। তবে তা হবে না। আমি বোকা নই। এ ছাড়া, যারা এবার ডাক পাননি, এমন অনেক খেলোয়াড়কে দলে আনার মতো সময়ও আমার হাতে নেই।’ তার এই বাস্তবসম্মত চিন্তার কারণে রোনালদো তার প্রাপ্য বিদায়ী সংবর্ধনা পেতে সক্ষম হতে পারেন, তারপর দল বদল আসবে।
ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচের পর রোনালদো সরে দাঁড়ালে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হবে অসাধারণ পরিসংখ্যান নিয়ে। রোনালদো পর্তুগালের হয়ে ২৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন এবং ১৪৬টি গোল করেছেন। এতে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা এবং সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়।
জাতীয় স্তরে তার ট্রফি ক্যাবিনেটে আছে ২০১৬ সালে জেতা একটি ইউরো শিরোপা। এর পাশাপাশি ২০১৯ ও ২০২৫ সালে জেতা দুটি নেশনস লিগ শিরোপাও রয়েছে। বর্তমানে রোনালদোর বয়স ৪১ বছর হলেও, আল নাসরের সঙ্গে তার চুক্তি ২০২৭ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে। ক্লাব ফুটবলে তিনি আরও কিছু মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্যে চেষ্টা করছেন।
২৪ সেপ্টেম্বর তার আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ হতে চললেও, রোনালদোর পেশাদার ক্যারিয়ারে এখনো একটি বড় লক্ষ্য বাকি আছে। রোনালদোর ক্যারিয়ারে গোলসংখ্যা ৯৭৬টি। অবসরের আগে তিনি ১০০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে চান। পর্তুগালের দায়িত্ব শেষ হলে তার সমস্ত মনোযোগ ক্লাবের মৌসুমের দিকে চলে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যবিপ্রবিতে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীদের দ্বারা দ্রুত পদোন্নতির দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। ছবি: আরটিভি।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজিত মৌসুমি ফল উৎসবে, তারা উপাচার্যের সামনে তাদের দীর্ঘদিন প্রাপ্য পদোন্নতি না পাওয়া, অস্থায়ী পদ স্থায়ীকরণ, এবং শিক্ষা ছুটির জটিলতা সহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর সমস্যা গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন, এছাড়াও যবিপ্রবিতে কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, "আমাদের যবিপ্রবিয়ানরা ছাত্র উপদেষ্টা, প্রভোস্ট বডি, প্রক্টরিয়াল বডিসহ বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ স্থানে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, তবে কিছু আক্ষেপ রয়েছে। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে প্রাপ্য পদোন্নতি পাচ্ছেন না। দুই-তিন বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের পদোন্নতি আটকে আছে।"
তিনি আরও বলেন, "বাইরে থেকে স্থায়ী পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী পদে কর্মরতদের পদ স্থায়ী করা হচ্ছে না। আমাদের অনেকেই স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেও শিক্ষা ছুটির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন।" এই কারণে, তারা উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, "আপনারা যারা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখন শিক্ষক ও কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের চেয়ে বেশি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আর কেউ ভালোবাসতে পারে না।।"
তিনি আরও বলেন, "আপনারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হয়ে এটিকে আরও এগিয়ে নিতে পারেন। শিক্ষা ছুটি ও পদোন্নতি-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনগত কাঠামোর মধ্যে থেকে আমরা সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখব। সমস্যাগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।"
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, "আজ যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো শুধু যবিপ্রবিয়ানদের সমস্যা নয়; এগুলো আমাদের সবারই দাবি। আমরা এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।"
তিনি যোগ করেন, "তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আপনাদের দায়িত্ববোধ।"
উপাচার্য বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে আপনারা যেভাবে অনুভব করবেন, অন্যরা সেভাবে করবে না। আমি আশা করি, আপনারা সেই দায়িত্ববোধ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে অভিযান পরিচালনা করে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে। আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সোমবার রাত ৮টার সময় জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসন আইন অনুসারে বিদেশিদের অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাস ও অন্যান্য অভিবাসন-সংক্রান্ত সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধ করা।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের, তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুজন নেপালের নারী রয়েছেন।
জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। তিনি সাধারণ জনগণকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ