ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘হনুমান অংশ’ ৪৯ দিনে আয় করেছে ২৮৬ কোটি টাকা


‘হনুমান অংশ’ ৪৯ দিনে আয় করেছে ২৮৬ কোটি টাকা

‘হনুমান অংশ’ মুক্তির সাত সপ্তাহ পেরিয়ে বক্স অফিসে সফলতার সাথে ব্যবসা করে চলেছে। সিনেমাটির ৪৯তম দিনে ভারতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ রুপি। ফলে ভারতে ছবিটির মোট নিট আয় এখন ২৮৬ কোটি ৯৮ লাখ রুপি। মোট আয় বা গ্রস সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩৩৮ কোটি ৯২ লাখ রুপি।

এই তথ্য ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, ৪৯তম দিনে ৫ হাজার ২৮৩টি শো থেকে সিনেমাটি এই আয় করেছে। এদিন ছবিটির গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল ১৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন: কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে অতিথি কঙ্গনা, প্রভাস ও রজনীকান্ত, চমক জানালেন মিঠুন

হিন্দি ভাষার দ্বিমাত্রিক প্রদর্শনীতে দর্শক উপস্থিতি ছিল ১১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সকালের শোগুলোতে উপস্থিতি ছিল ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ, যা দুপুরের শোগুলোতে বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশে।

 

সপ্তম সপ্তাহেও ছবিটির আয় সন্তোষজনক। ৪৩ থেকে ৪৯তম দিন পর্যন্ত ‘হনুমান অংশ’ মোট ৪৩ কোটি ৬০ লাখ রুপি আয় করেছে। এর মধ্যে ৪৩তম দিনে ৫ কোটি, ৪৪তম দিনে ৯ কোটি ৭৫ লাখ এবং ৪৫তম দিনে ১৩ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় করে সিনেমাটি।

এরপর ৪৬তম দিনে ৪ কোটি ১৫ লাখ, ৪৭তম দিনে ৪ কোটি ৯০ লাখ, ৪৮তম দিনে ৩ কোটি ৭৫ লাখ এবং ৪৯তম দিনে ২ কোটি ৩০ লাখ রুপি আয় করেছে ছবিটি।

আরও পড়ুন: জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

 

বিশাল চতুর্বেদী লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন ‘হনুমান অংশ’। সিনেমাটি নিম করোলি বাবার জীবন ও শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন শোভিনাও সত্যা, ভিহান শেডগে, চন্দন আনন্দ, পূর্ণিমা তিওয়ারি, অনিল কে রাস্তোগি ও গুলশান পাণ্ডে।

উল্লেখ্য, ভারতে সিনেমাটি মুক্তি পায় ৭ আগস্ট ২০২৬।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে উদ্বোধনের অপেক্ষায় দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


চট্টগ্রামে উদ্বোধনের অপেক্ষায় দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক

চট্টগ্রামকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপদ ও বিকল্প যাতায়াতব্যবস্থা নিশ্চিত করার কাজ চলছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন সড়কে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই এটি উদ্বোধনের মাধ্যমে নগরবাসী এবং পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দর এলাকায় চলমান সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এসব মন্তব্য করেন।

 

তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ‘চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট রোড সম্প্রসারণ ও অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের অধীনে বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি চার লেনবিশিষ্ট। সড়কের উভয় পাশে দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কের মাঝখানে কার্বস্টোন দিয়ে মিড আইল্যান্ড এবং এক পাশে ল্যান্ডস্কেপিং ওয়াকওয়ের সঙ্গে সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে সড়কটি শুধু যান চলাচলের উপযোগী হবে না, বরং নগরীর সৌন্দর্য ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষেত্রেও নতুন মাত্রা যুক্ত করবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসী ও পর্যটকদের জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাইকেল চলাচলের জন্য পৃথক লেন থাকায় সাইকেল আরোহীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে নগরীতে পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতন ও সক্রিয় জীবনযাপনের প্রবণতাও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত নগরে সাইকেল লেন ও সাইকেল ট্র্যাক নগর পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। আধুনিক নগরব্যবস্থায় পরিবেশবান্ধব যোগাযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামেও ধাপে ধাপে আধুনিক ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে। দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের মাধ্যমে চট্টগ্রামে পরিবেশবান্ধব ও বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি: মাহদী আমিন

সরকার দেশের বিমান পরিবহন খাতের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মাহদী আমিন বলেন, "আজ বোয়িংয়ের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়েছে। সেখানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরও ১১টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে চুক্তি করেছে।"

তিনি আরও জানান, মার্কিন সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউ, আন্ডার সেক্রেটারি অব কমার্স উইলিয়াম কিমিট এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এয়ারবাসের সঙ্গেও প্রয়োজন অনুযায়ী আলোচনা হতে পারে।

তিনি বলেন, "বাংলাদেশ চাহিদার ভিত্তিতে বিমান কিনবে। বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টর সম্প্রসারণ হচ্ছে, নতুন নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ কারণে নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন।" বোয়িং প্রতিনিধিদল পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সফরের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, কৃষি, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

তিনি জানান, গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বৈঠকে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, কৃষকদের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে আসায় বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি জানান, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়েছে। এতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে এবং প্রয়োজনে বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সংলাপের সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার রয়েছে এবং সংঘাতের কারণে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বাংলাদেশি প্রবাসীদের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা বিবেচনায় নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচনায় তুলে ধরা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি জানান, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন। নদী-খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য ও সৌর জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন ও ভারতের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উভয় পর্যায়েই সংশ্লিষ্ট দেশ ও অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

তিনি জানান, চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে মিয়ানমারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনার পথ খোলা রাখার কথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, "কূটনীতিতে সব দরজা এবং সব বিকল্প খোলা রাখতে হয়। আলোচনার পথ কখনো বন্ধ করা যায় না।"

প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের জাতিসংঘ সফরের আরও দুই দিন কর্মসূচি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামীকাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলায় বক্তব্য দেবেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল: রাষ্ট্রদূত ইয়াও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল: রাষ্ট্রদূত ইয়াও

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ‘আরও উজ্জ্বল’ হবে বলে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার অগ্রগতি কোনো বাধাই রোধ করতে পারবে না।

বুধবার সন্ধ্যায় গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব উভয় দেশের মৌলিক স্বার্থের অনুকূল এবং যুগের দাবির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি বলেন, “কোনো ঝড়-ঝাপটাই আমাদের সম্পর্কের এই অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারবে না।”

অনুষ্ঠানে সরকার ও বিরোধী দলের বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইয়াও প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালনের পর আগামী মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ছাড়তে যাচ্ছেন। তিনি এই সুযোগে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ করা রূপান্তর এবং তার মেয়াদকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির বিষয় তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “পেছনের দিনগুলোর দিকে তাকালে মন আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে। আমি বাংলাদেশে তিন বছর নয় মাস দায়িত্ব পালন করেছি এবং কদিন পরই এই কর্মস্থল থেকে বিদায় নেব।”

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, যখন তিনি চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন তার মনে গভীর মায়া ও বিদায়ের ব্যথা রয়েছে।

ইয়াও ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তর এবং সংকটময় মুহূর্তে দেশটির নেওয়া ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তগুলোর’ সাক্ষী হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের দৃঢ়তা ও জাতীয় মর্যাদাবোধের প্রশংসা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশটি সংস্কার ও উন্নয়নের এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছে।

রাষ্ট্রদূত বিশেষভাবে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সম্ভাবনার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “গত তিন বছরে আমি ঢাকার অলিগলিতে হেঁটেছি, আর আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে এ দেশের তরুণদের আশাবাদ ও উদ্যম।”

তরুণদের একটি জাতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ও ভবিষ্যৎ হিসেবে অভিহিত করে ইয়াও বলেন, “বাংলাদেশের উজ্জ্বল আগামীর বিষয়ে আমি পুরোপুরি আস্থাশীল।”

রাষ্ট্রদূত জানান, দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশিদের সঙ্গে তার মেলামেশা দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বের অভিজ্ঞতা তাকে সরাসরি উপলব্ধি করিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি যেখানেই গিয়েছি, সেখানকার আন্তরিক অভ্যর্থনা ও অমলিন হাসি চীনা জনগণের প্রতি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরের বন্ধুত্ব আমাকে অনুভব করিয়েছে।”

ইয়াও বলেন, বাংলাদেশে কর্মকালীন সময়ে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের স্মৃতি তার সঙ্গে চিরকাল থাকবে। তিনি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, “চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব চিরসবুজ থাকুক, আমাদের উভয় দেশ সমৃদ্ধ হোক এবং আমাদের জনগণ সুখ ও শান্তিতে থাকুক।”

রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ২০২৬ সাল বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫১তম বার্ষিকী এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ১০ বছর পূর্তির বছর। এছাড়া চলতি বছর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বেইজিংয়ের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং একই সঙ্গে যেকোনো বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে ঢাকা বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম সরকারি চীন সফরের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

চীন ও বাংলাদেশ গত জুন মাসের সফরে তাদের সমগ্র কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্বকে আরও উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা যৌথভাবে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের জন্য চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি’ গড়ে তুলবে।

ইয়াও বলেন, এই উন্নয়ন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

বেইজিং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো, কৃষি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সবুজ জ্বালানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে চায় বলেও তিনি জানান।

এ সময় ইয়াও বলেন, “চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে রয়েছে।” তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনেও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হলেন জাইমা রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার পদে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান।

জানা গেছে, জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাইমা রহমান খলিলুর রহমানের অফিসে আইন বিষয়ক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করবেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খলিলুর রহমানের অফিসে মোট ৪০ জন কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ৬ জন বাংলাদেশি।

বাংলাদেশি কূটনীতিক আব্দুল আলিম এই অফিসের উপ-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী হিসেবে কাজ করবেন; মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাস বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন; জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলো বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।

এদিকে, গত ৮ সেপ্টেম্বর খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%