শাল্লা (সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি: মোঃ ফারুক
০৫:৫৪ পি.এম
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য এবং জননেতা মো. নাছির উদ্দীন চৌধুরীকে শাল্লা হাসিমিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বেলা ১২ টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মাদ্রাসার সভাপতি মো. হাজিরুল ইসলাম (আজহার)-এর সভাপতিত্বে এবং নলিনী কান্ত দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহবুবা আক্তারের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত সম্পন্ন হয়। এরপর দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহানের ইসলামী সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে মূল পর্ব শুরু হয়।
সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য মো. নাছির উদ্দীন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি সংসদ সদস্যের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। আলোচনা সভা শেষে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পियাস চন্দ্র দাস, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গনেন্দ্র চন্দ্র সরকার, শাল্লা উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল আউয়াল, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব সোবাহানী চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল করিম মাষ্টার, শাল্লা থানার ওসি মোঃ সুহেল আহমদ, মাওঃ নাজমুল ইসলাম জাহিদ এবং বিদ্যুৎসাহী সদস্য এম এ রাজ্জাকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অন্যান্য সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
১. কৃষকদের সহায়তা: সংসদ সদস্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পূর্বে বাহাড়া ইউনিয়ন পরিষদে ‘হাওর মানবিক সহায়তা কর্মসূচি’র আওতায় অসহায় কৃষকদের মাঝে আর্থিক সহায়তার কার্ডের টাকা তুলে দেন।
২. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অনুদান: শান্তিনগর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত শাকিল মিয়া ও জিল্লু মিয়ার শোকসন্তপ্ত পরিবারের হাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তরণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এরপর মাদ্রাসার সভাপতি সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর ধর্ষণের অভিযোগে মো. হেলাল উদ্দিন (৪২) নামে এক জামায়াত কর্মিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ৯টার দিকে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের আদর্শ গ্রাম বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আটক হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলাল মাস্টার হরণী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের বেলায়েত খলিফার ছেলে। তিনি স্থানীয় আদর্শ গ্রাম বাজারে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন বা হেলাল মাস্টার আগে স্থানীয় আদর্শ গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। ২-৩ বছর আগে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। রবিবার সকালে কৌশলে তিনি ৯ বছর বয়সী ওই শিশুকে তার ফার্মেসি দোকানে ডেকে নেন। পরে দোকানের পেছনের অংশে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন।
বিষয়টি প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি টের পেয়ে টিনের একটি ভাঙা ছিদ্র দিয়ে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। ইতিমধ্যে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দোকান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে গত ৪ আগস্ট একই এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে বিচার বসানো হয়। ওই ঘটনায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৫০টি বেত্রাঘাত ধার্য করা হয়। তিনি একসময় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি জামায়াতের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছিলেন।
হরণী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ তারিফুল মাওলা বলেন, হেলাল জামায়াতের কোনো কর্মী নন। তিনি আগে যুবলীগ করতেন। নিজেকে বাঁচাতে ৫ আগস্টের পর একটি বড় মিছিলে তিনি ঢুকে যান।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যানঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন রাসেদ বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয়দের আটক করে অভিযুক্তকে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। ভিকটিমের স্বজনেরা হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করবেন। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করবেন। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বিভিন্ন হিমাগারে সংরক্ষিত আলু পচতে শুরু করেছে। এর ফলে চাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চাষি ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, আলু পচনের জন্য হিমাগার মালিকদের অব্যবস্থাপনা ও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত আলু সংরক্ষণ দায়ী। অন্যদিকে, হিমাগার মালিকেরা দাবি করেছেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে আলু সংরক্ষণে সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং জেনারেটর চালানোর জন্য অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে।
চাষিদের অভিযোগ, হিমাগারগুলোর নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন কারণে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত আলু সংরক্ষণ করায় পচন দেখা দিয়েছে। তাঁরা বলেন, নিজেদের ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা আড়াল করতে বিদ্যুৎ বিভাগের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে। তাঁরা আলু পচনের প্রকৃত কারণ জানার জন্য অধিকতর তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবী করেছেন।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বর্তমানে ৩৯টি হিমাগার রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি সচল। এই হিমাগারে মোট ৪ লাখ ৩৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণের সক্ষমতা বিদ্যমান। তবে এবারের উৎপাদন বেশি হওয়ায় অনেক হিমাগারে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত আলু সংরক্ষণ করতে হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে রাজনৈতিক নেতাদের চাপেও কিছু হিমাগার অতিরিক্ত আলু নিতে বাধ্য হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার তালন্দ এলাকায় অবস্থিত তামান্না স্পেশাল কোল্ড স্টোরেজ থেকে প্রতিদিন গাড়ি ভর্তি করে পচা আলু বের করা হচ্ছে। ওই হিমাগারে আলু রেখেছিলেন ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত আলু গ্রহণ করা হয়েছিল। এখন লোডশেডিংয়ের কারণে আলু ঘেমে পচে যাচ্ছে। ফলে পচে যাওয়া আলু ফেলে দিতে হচ্ছে।
রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল সমবায় সমিতির সভাপতি আহাদ আলী বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে আলু পচছে—এমন ধারণা তাঁরা করেন না। বরং হিমাগার মালিকদের অব্যবস্থাপনা এবং মৌসুমের শুরুতে অতিরিক্ত আলু সংরক্ষণের কারণে আলু নষ্ট হচ্ছে।
সংগঠনটির সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি মূল সমস্যা হিসেবে ওভারলোডিংকে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি হিমাগারে বছরে ২৫ থেকে ৩০ বার আলুর অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়। এ সময় আলু বের করে বাতাস দেওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অতিরিক্ত আলু রাখার কারণে বহু হিমাগার এবার নিয়মিতভাবে এ কাজ করতে পারছে না। ফলে আলু নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজশাহীর আলাই বিদিরপুরের রহমান ব্রাদার্স-১ কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেট্রিক টন হলেও সেখানে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার টন আলু রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জেলার প্রায় সব হিমাগারেই ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।
কিন্তু রাজশাহী কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ফজলুর রহমান এসব অভিযোগ পুরোপুরি মানতে নারাজ। তিনি বলেছেন, মৌসুমের শুরুতে চাপের কারণে কিছু হিমাগারকে অতিরিক্ত আলু নিতে হয়েছিল। তবে তিনি মনে করেন, হিমাগার ব্যবস্থাপনায় বড় কোন সমস্যা হচ্ছে না এবং এই কারণে আলু পচছে—এমন ধারণা তাঁরা করেন না।
লোডশেডিংয়ের কারণে হিমাগার মালিকদের ব্যয় বেড়েছে জানিয়ে ফজলুর রহমান বলেছেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরও ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর্যন্ত হিমাগার ঠাণ্ডা থাকে। তবে এর বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটর চালাতে হয়। এক ঘণ্টা জেনারেটর চালাতে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ হয়ে যায়। প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টা জেনারেটর চালাতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, হিমাগারগুলোকে প্রতি মাসে ২৫ থেকে ২৮ লাখ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। জেনারেটরের খরচ যোগ হওয়ার কারণে মালিকদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। তাই তিনি হিমাগারগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রমেন্দ্র চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, গত বুধবার থেকে লোডশেডিং কমে গেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি ভালো আছে। হিমাগারে সমস্যা হচ্ছে জানিয়ে কেউ তাঁকে ফোন করেননি। তিনি মন্তব্য করেছেন, কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলেও হিমাগারগুলোতে বড় ধরণের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
লক্ষ্যণীয় হলো, আলু পচনের প্রকৃত কারণ নিয়ে চাষি, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে ক্ষতির মুখে পড়ছেন মূলত আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে পচনের কারণ নির্ধারণ করা এবং দায়ী পক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নীতি সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি এই নীতিকে যুক্তরাষ্ট্রের পুরনো ‘জবরদস্তিমূলক কৌশল’ উল্লেখ করেছেন।
আরাগচি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ কোনো নতুন বিষয় নয়। এটি মার্কিন নীতির পুরোনো চাপ প্রয়োগের কৌশল, যা তেহরান পূর্বে বহুবার মোকাবেলা করেছে।
এমন একটি প্রতিবেদন রবিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা প্রকাশ করেছে। আরাগচি তার বক্তব্যে বলেছেন, ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ একটি বারবার ফিরে আসা দৃশ্যপট এবং মার্কিন নীতির সেই পুরোনো জবরদস্তিমূলক কৌশল। এটি এমন একটি পুরোনো চলচ্চিত্র, যা আমরা বহুবার দেখেছি এবং কিভাবে এর মোকাবেলা করতে হয়, তা আমরা জানি।’
এদিকে, ওয়াশিংটন আবারও সামরিক হামলার হুমকি দিচ্ছে এবং সম্ভাব্য আক্রমণের কথা বলছে। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করে বলেন, এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হচ্ছে, ইরানি জাতির সামনে যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেকটাই অসহায় এবং নতুন কোনো সমাধান তাদের কাছে নেই। তিনি আরও দাবি করেন, সামরিক হুমকি ও অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানকে নত করার মার্কিন চেষ্টা সফল হতে পারবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীর একটি ঘটনায় নেশার টাকার জন্য মাদকাসক্ত ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান, যিনি মুন্না নামে পরিচিত, তার মা ও ছোট ভাইকে ধারালো বঁটির আঘাতে গুরুতর আহত করেছে। শনিবার রাতে চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডী উত্তরপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় ঘটনার সময় মুন্না তার মা মোছাঃ মনোয়ারা খাতুন, যিনি টুলু নামে পরিচিত, এবং ছোট ভাই মোঃ মৃদুলকে ধারালো বঁটি দিয়ে কুপিয়ে আঘাত করে। খবর পেয়ে চন্দ্রিমা থানার তালাইমারী ফাড়ির এসআই মাসুদ রানা ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং দরজা ভেঙে আহত মা ও ভাইকে উদ্ধার করেন। ওই সময় স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মুন্নাকে আটক করে মারধর করে। পরবর্তীতে পুলিশের সাহায্যে আহত তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে মৃদুল ও মুন্না হাসপাতালে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এবং মা মনোয়ারা টুলু ২ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালের এই ঘটনার পর আহত মনোয়ারা খাতুনের মেয়ে চন্দ্রিমা থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ মুন্নাকে গ্রেফতার করে। যে ধারালো বঁটিটি হামলায় ব্যবহৃত হয়েছিল সেটি পুলিশ জব্দ করেছে। চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, গ্রেফতারের পর মুন্নাকে চিকিৎসা শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ