ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘ওরা আমার সন্তানের মতো, ক্ষমা করেছি’ প্রাথমিক শাখা চালুর প্রত্যাশা, শিক্ষকের মর্যাদা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা


‘ওরা আমার সন্তানের মতো, ক্ষমা করেছি’ প্রাথমিক শাখা চালুর প্রত্যাশা, শিক্ষকের মর্যাদা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

শিক্ষার্থীদের আপত্তি ঘিরে আলোচনা, অধ্যক্ষের ক্ষমাসুন্দর মনোভাব; ছোট শিশুদের শিক্ষার সুযোগ ও ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দাবি

দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শাখা পুনরায় চালুর পরিকল্পনাকে ঘিরে শিক্ষা অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। একদিকে ছোট শিশুদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রত্যাশা, অন্যদিকে শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের আপত্তি—সব মিলিয়ে বিষয়টি অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের প্রতি ক্ষমাসুন্দর মনোভাব প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর তপন কুমার সাহা। শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আচরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “ওরা আমার সন্তানের মতো, ক্ষমা করেছি।” তাঁর এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের প্রতি একজন শিক্ষকের স্নেহ ও দায়িত্ববোধের পরিচয় তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষকের মর্যাদা, শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের গুরুত্বও নতুন করে সামনে এসেছে।


সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের আচরণ নিয়ে তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর তপন কুমার সাহা।

শিক্ষার্থীদের একাংশের আচরণ সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, “ওরা আমার সন্তানের মতো। তাই যত বেয়াদবি, অসদাচরণ কিংবা অশ্লীল ভাষার ব্যবহারই করুক না কেন, দিনশেষে তো আমি ওদের শিক্ষক। আমি ওদের মন থেকে ক্ষমা করে দিয়েছি।”

অধ্যক্ষের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের প্রতি ক্ষমাশীলতা ও অভিভাবকসুলভ মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো দাবি বা মতপার্থক্য থাকলে তা শালীনতা, যুক্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে প্রকাশ করাও জরুরি।

অভিভাবকদের দায়িত্ব প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, “শুধু কোনো ভালো স্কুল বা কলেজে সন্তানকে ভর্তি করিয়ে দিলেই অভিভাবকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। একটি শিশুর নৈতিক ভিত্তির মূল শেকড়টি গড়ে ওঠে তার পরিবার থেকে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সমাজে অনেক বাবা-মা পেশাগত ব্যস্ততার কারণে সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে কিংবা কী করছে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত খোঁজ রাখতে পারেন না। তাঁর মতে, পারিবারিক তদারকি ও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি শিশুদের আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সন্তানকে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ানোর পাশাপাশি তার মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতেও অভিভাবকদের সচেতন থাকা প্রয়োজন।


বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক শাখা পুনরায় চালুর পরিকল্পনার বিপরীতে শিক্ষার্থীদের একাংশ শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকটের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন করে প্রাথমিক শাখার কার্যক্রম শুরু হলে উচ্চমাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হতে পারে।

অন্যদিকে, প্রাথমিক শাখা চালুর পক্ষে আগ্রহী অভিভাবকদের প্রত্যাশা, তাঁদের সন্তানরা একটি পরিচিত ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পেলে শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই ভালো ভিত্তি গড়ে তুলতে পারবে।

অভিভাবকদের মতে, শিক্ষকসংকট বা শ্রেণিকক্ষের সীমাবদ্ধতা থাকলে তা সমাধানের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এসব সমস্যা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে ছোট শিশুদের শিক্ষার সুযোগ এবং বড় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান—দুটিই কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের আপত্তির কারণ ও প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সক্ষমতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকসংখ্যা, শ্রেণিকক্ষ, সময়সূচি, শিশুদের নিরাপত্তা এবং ক্যাম্পাসে চলাচলের ব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।


প্রাথমিক শাখা চালুর উদ্যোগ এবং শিক্ষাঙ্গনের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে অভিভাবকদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শিক্ষাও অর্জন করা জরুরি।

অভিভাবকদের উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো, শিক্ষকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ। তাঁদের মতে, কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আপত্তি থাকলে তা যুক্তিসংগতভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা উচিত। দাবি আদায়ের ক্ষেত্রেও শালীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনা এবং তাদের যৌক্তিক সমস্যার সমাধান করাও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সব পক্ষের মতামত বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো গেলে শিক্ষাঙ্গনে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে।


একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন এক রকম নয়। প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, উপযুক্ত শ্রেণিকক্ষ ও বাড়তি তদারকি প্রয়োজন। অন্যদিকে, উচ্চমাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদানও নির্বিঘ্ন রাখা জরুরি।

এ কারণে প্রাথমিক শাখা চালুর আগে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সক্ষমতা, শিক্ষকসংখ্যা, শ্রেণিকক্ষের প্রাপ্যতা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ এবং সময়সূচি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উভয় শিক্ষাস্তরের প্রয়োজন সমন্বয় করা সম্ভব কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা ভুল-বোঝাবুঝি কমাতে এবং গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে পেতে সহায়ক হতে পারে।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে আ.লীগ নেতাকর্মীদের স্লোগান, কালকিনি-ডাসারে আলোচনা


বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাথমিক শাখা পুনরায় চালুর বিষয়ে সচেতন অভিভাবকদের প্রত্যাশা, কর্তৃপক্ষ যেন প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সক্ষমতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা, শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা এবং ছোট শিশুদের নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

অধ্যক্ষ প্রফেসর তপন কুমার সাহার ক্ষমাসুন্দর বক্তব্য শিক্ষার্থীদের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, অভিভাবকদের উদ্বেগ মনে করিয়ে দেয়, একটি শিশুর প্রকৃত বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকুক, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক মতপ্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত হোক এবং ছোট শিশুদের জন্য তৈরি হোক নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ। পারস্পরিক বিরোধ নয়, বরং দায়িত্বশীল আলোচনা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাথমিক শাখা চালুর বিষয়ে একটি ইতিবাচক সমাধান বেরিয়ে আসুক—এটাই সচেতন অভিভাবক সমাজের প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করাচিতে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে একই পরিবারের ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


করাচিতে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে একই পরিবারের ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

পাকিস্তানের করাচিতে একটি তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার, বিন কাসিম টাউনের গুলশান-ই-ফালাকনাজ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের মধ্যে রয়েছে এক দম্পতি, ওই ব্যক্তির বোন এবং তাদের দুই শিশুকন্যা। পুলিশ জানায়, নিহতরা হলেন শাহজাইব, তার স্ত্রী সাবা, বোন সুমাইলা এবং তাদের দুই শিশুকন্যা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহজাইব কিছুদিন আগে গুলশান-এ-হাদীদ এলাকায় নিজের বাড়ি বিক্রি করে একটি বেসরকারি আবাসন এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন।

গত মাসে করাচির আহসানাবাদ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এক চিকিৎসক, তার স্ত্রী ও তাদের তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিলেন আইজিপি।

পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পরিবারের কর্তা শাহজাইব আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ির দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশকে সেগুলো খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। শাহজাইব ও তার স্ত্রী সাবার মরদেহ একটি সোফা থেকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল। সাবার কাছ থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, শাহজাইবের বোন সুমাইলা ও তার দুই শিশুকন্যার মরদেহ একটি বিছানা থেকে উদ্ধার করা হয়। শিশুদের বিষপ্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে।

সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার এবং প্রাদেশিক পুলিশপ্রধানকে ঘটনাটি সব দিক থেকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, এধি রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, মরদেহগুলো জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের করাচিতে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাভেদ আলম ওধো। ঘটনার পেছনের কারণ ও উদ্দেশ্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের বিরুদ্ধে ৪ অভিযোগের ৩টি প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের বিরুদ্ধে ৪ অভিযোগের ৩টি প্রত্যাহার

ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সিনেট। মঙ্গলবার, অভিশংসন আদালত হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী সিনেট এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি বহাল রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিচারপ্রক্রিয়ার ফলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দুতার্তের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

জুলাই মাস থেকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা দুতার্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন করছেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসাধারণের আস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, সংবিধান লঙ্ঘন, দুর্নীতি, ঘুষ এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধ।

মঙ্গলবার, প্রধান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গারভিল লুইস্ত্রো আদালতকে জানান, তারা চারটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি প্রত্যাহার করতে চান। তার বক্তব্য, দুতার্তেকে পদ থেকে সরানোর জন্য যে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা যথেষ্ট শক্তিশালী এবং বিশ্বাসযোগ্য।

প্রত্যাহার করা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে গোপন সরকারি তহবিলের অপব্যবহার, ঘুষ এবং প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র, ফার্স্ট লেডি ও পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের সাবেক স্পিকারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ।

লুইস্ত্রো আরও বলেন, একটি অভিযোগের ওপর মনোযোগ দিলে বিচারপ্রক্রিয়া সহজতর হবে। এতে সিনেট, অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হবে। সারা দুতার্তের দপ্তর এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।

দুতার্তের আইনজীবী অভিযোগ প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য বলে দাবি করেছেন। তার বক্তব্য, অভিযোগগুলো প্রত্যাহার করায় তাদের পক্ষ থেকে ওই বিষয়গুলোতে বক্তব্য ও প্রমাণ তুলে ধরার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

এর আগে, অভিশংসন আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছিল যে, দুতার্তেকে দোষী সাব্যস্ত করার বিষয়ে ভোট দেওয়ার সময় শুধুমাত্র বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে সক্ষম সিনেটরদের গণনায় ধরা হবে। এর ফলে, তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সহজ হতে পারে।

দোষী সাব্যস্ত হলে সারা দুতার্তে সরকারি পদে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে, ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ ২৫ কোটি টাকায় শেষ পর্যায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ ২৫ কোটি টাকায় শেষ পর্যায়ে

বরিশালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্রের ভৌত অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ দেশীয় তহবিলের প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ভবনসহ সংশ্লিষ্ট নির্মাণ কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে, তবে ১০ তলা ভবনের লিফট সংযোজনের কাজ আগামী মার্চ নাগাদ শেষ হবে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুরো প্রকল্প এলাকার সীমানার প্রাচীর ও বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশনের নির্মাণ এবং তা চালু করার কাজ চলতি অর্থ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সাব-স্টেশন ভবনের কাজও ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, ট্রান্সফর্মার স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান, লিফট সংগ্রহের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এলসি খোলার কথাও বলা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সমুদয় লিফট সরঞ্জাম প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর পরেই তার সংযোজন শুরু হবে।

‘গ্রীন স্মার্ট বিল্ডিং’এর আদলে ‘বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প’র আওতায় বরিশাল-ভোলা-চট্টগ্রাম ও বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা/বরগুনা জাতীয় মহাসড়কের পাশে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নতুন ভবনটি এখন দৃশ্যমান। গত বছর ৩০ জুন ভবনটির ৩ ও ৪র্থ তলা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করার পর সেখানে দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়েছে।

২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ‘মেসার্স খান বিল্ডার্স-শফিক এন্টারপ্রাইজ জেভি’র সাথে ভবনটির নির্মাণে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১৬ কোটি ৪৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ব্যয়ে চুক্তি সম্পাদিত হয়। নকশা সংক্রান্ত জটিলতা ও প্রকল্প এলাকার জমি নিয়ে বিরোধের কারণে ২০ মাসের কাজ ৮০ মাসেও শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে লিফটের মূল্য বৃদ্ধি এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ প্রকল্পভুক্ত করায় মোট প্রকল্প ব্যয় ২৫ কোটি ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। বরিশাল ছাড়াও চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস ভবনসমূহের নির্মাণ কাজও সম্পন্ন হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রের ভবনটি প্রায় ১ লাখ বর্গ ফুটের আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন। এতে রিসেপশন, ওয়েটিং রুম, ওয়্যার হাউস, পরিচালক, রেজিস্ট্রার, প্রোগ্রামার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও শাখা কর্মকর্তাদের দপ্তর, সভাকক্ষ, সম্মেলন কক্ষ, আইসিটি সুবিধাসংবলিত ক্লাস রুম, আধুনিক রান্নাঘর, ডাইনিং, কমনরুম, ভিভিআইপি কক্ষ ও লাউঞ্জসহ প্রশিক্ষণগ্রহণকারীদের জন্য আবাসন সুবিধা রয়েছে। ভবনটির ৬ষ্ঠ তলায় শূন্য উদ্যানের সুবিধাসহ কয়েকটি তলায় খোলা ছাদ রাখা হয়েছে।

মূল ভবনটির নির্মাণসহ সাজসজ্জার কাজের প্রায় ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল বিভাগীয় ভবনটি নির্মাণে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি কাজ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গত বছর জুলাই থেকে ভবনটির ৩ ও ৪র্থ তলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাপ্তরিক কাজ করছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালক জানান, নির্মাণাধীন ভবনটি সম্পূর্ণ ব্যবহার উপযোগী হলে, এটি এ অঞ্চলের ১৮৫টি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান তদারকিসহ উন্নয়নে যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংকটকবলিত সেউতায় স্পেনের রাজা-রানির সফর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


সংকটকবলিত সেউতায় স্পেনের রাজা-রানির সফর

ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : মরক্কো থেকে অভিবাসীদের ঢল নামার পর থেকে সংকটে থাকা স্পেনের সেউতা শহরে সফর করছেন রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ ও রানি লেতিসিয়া। মঙ্গলবার তাদের এই সফর কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সংকটের মাঝে শহরটির প্রতি সমর্থন প্রদানের উদ্দেশ্যে তারা সেখানে যাচ্ছেন।

২০০৭ সালের পর এই প্রথমবারের মতো স্পেনের রাজপরিবার সেউতা সফর করছে। ওই বছর প্রতিবেশী মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সংকটের কারণে সেউতা ও উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের অপর ভূখণ্ড মেলিয়ার সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। মরক্কো সেউতা ও মেলিয়ার সার্বভৌমত্ব দাবি করে।

স্পেনের সেউতা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ৩০ ও ৩১ জুলাই নজিরবিহীনভাবে ৭০ হাজারের বেশি অভিবাসী প্রায় ৮০ হাজার বাসিন্দার ছোট শহরটিতে প্রবেশ করে। এই ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে।

অভিবাসীদের মধ্যে অধিকাংশই পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফিরে যান। তবে হাজার হাজার মানুষ সেখানে কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থান করেন। তাদের অনেকেই রাস্তায় বা সমুদ্রসৈকতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর পরিবেশে রাত কাটান।

এ সংকটের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে ২৯ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগে সমাজতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের জনপ্রিয়তা কমে গেছে। নির্বাচনে অভিবাসন ইস্যুটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সেউতার বাসিন্দা সুসানা রোমান মন্তব্য করেন, ‘রাজার প্রথম বা দ্বিতীয় দিনেই এখানে আসা উচিত ছিল। আর তাঁর আসা উচিত ছিল সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের পোশাকে, কারণ তিনি তা-ই।’

‘লেটস সেভ সেউতা’ প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত ৫৭ বছর বয়সী আইনজ্ঞ রোমান আরও বলেন, ‘সেউতার বাসিন্দাদের কাছে এটি রাষ্ট্রের উপস্থিতির একটি দ্ব্যর্থহীন বার্তা হতো।’

৬৬ বছর বয়সী কিয়স্ক ব্যবসায়ী ম্যানুয়েল ফার্নান্দেজ রাজা-রানিকে দেখতে সেদিন কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘তাঁদের সমর্থন আমাদের সত্যিই খুব প্রয়োজন ছিল।’

মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা-

সরকার জানাচ্ছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অভিবাসীদের আশ্রয় পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করতে হবে। এ ছাড়া অভিভাবকহীন কয়েক শত শিশুকে যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া ফেরত পাঠানো যাবে না।

কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে কয়েক হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা করেছে। সমুদ্রসৈকতের প্রধান শিবিরগুলোও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে কিছু অভিবাসী এখনো আশপাশের পাহাড়ি এলাকা ও রাস্তায় অবস্থান করছেন।

৩৩ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা আনা মুনোস মন্তব্য করেন, ‘রাজা যদি অনুপ্রবেশের দ্বিতীয় দিনেই আসতেন, তাহলে এখানকার পুরো বিশৃঙ্খলা দেখতে পেতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন তিনি দেখবেন, সবকিছু পরিষ্কার। কারণ, তাদের (অভিবাসীদের) ইতোমধ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’ রাজতন্ত্রের ওপর আস্থা কিছুটা হারিয়েছেন বলেও জানান মুনোস।

সফরের শুরুতে ফেলিপে ও লেতিসিয়া সিটি হলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তাঁরা একটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন।

পরে তাঁরা একটি কবরস্থানে যাবেন। সেখানে মৃত অভিবাসীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। তাঁদের অধিকাংশই সীমান্তের বেড়া ঘুরে সাঁতরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে ডুবে মারা যান।

সেউতার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে রাজা ফেলিপের ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বুধবার রাজা-রানি মেলিয়া সফর করবেন।

কূটনৈতিক ঝুঁকি-

স্পেন ও মরক্কোর ঐতিহাসিকভাবে স্পর্শকাতর সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ সফর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে। অভিবাসীদের ঢল নামার পেছনে মরক্কোর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে।

স্পেনের ডানপন্থিরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মরক্কো এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছে। তবে মরক্কো ও সানচেজ—উভয় পক্ষই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%