ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহী মেডিকেলে তিন মাস ধরে সিটি স্ক্যান যন্ত্র নষ্ট, বিপাকে রোগীরা


রাজশাহী মেডিকেলে তিন মাস ধরে সিটি স্ক্যান যন্ত্র নষ্ট, বিপাকে রোগীরা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সিটি স্ক্যান যন্ত্রটি তিন মাস ধরে বিকল হয়ে রয়েছে। যার ফলে রোগীরা বাইরের রোগনির্ণয় কেন্দ্র বা হাসপাতালে গিয়ে দ্বিগুণ টাকা খরচ করে সিটি স্ক্যান করাতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে গরিব রোগীদের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম বিপাকে পড়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মেশিনটি সচল করার জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের আগস্টে ঢাকার আরপি এন্টারপ্রাইজ রামেক হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিনটি সরবরাহ করে। সাত বছরের ওয়ারেন্টি থাকার পরও চালুর প্রায় সাড়ে চার বছরের মাথায় ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর থেকেই মেশিনটি পুরোপুরি অচল হয়ে রয়েছে। এই কারণে রোগী ও তাদের স্বজনরা সিটিস্ক্যান সেবা নিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে বেসরকারি হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকায় রোগীর সিটি স্ক্যান করাতে হচ্ছে। এছাড়া, সিটি স্ক্যান রুমের দরজায় সাময়িক বন্ধের নোটিশ লাগানো হয়েছে। প্রায় তিন মাস কেটে যাওয়ার পরও কয়েক কোটি টাকার মেশিনটি সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়নি। রোগীর স্বজন সানজিদা খাতুন বলেন, হাসপাতালের সিটি স্ক্যান বন্ধ থাকায় বাইরে করতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালে করলে সাধারণত কম খরচ হত, কিন্তু বর্তমানে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে অন্তত ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মনতাজ আলীর স্বজন রজব আলী বলেন, চিকিৎসক সিটি স্ক্যানের পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু হাসপাতালের মেশিন নষ্ট রয়েছ। পরিস্থিতির কারণে রোগীকে স্থানান্তর করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে এবং অতিরিক্ত খরচও বাড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল রামেক হাসপাতালে রাজশাহী বিভাগের পাশাপাশি খুলনার চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য আসেন। সিটিস্ক্যান সেবা বন্ধ থাকার এই পরিস্থিতিতে তাদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চাপের ফলে সিটি স্ক্যান মেশিনটি বিকল হয়ে গেছে। সরবরাহকারী ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং দ্রুত মেশিনটি সচল করার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিপাকে শ্রমজীবীরা

পাইকগাছায় টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


পাইকগাছায় টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

খুলনার পাইকগাছায় টানা এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টির ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই বৃষ্টি উপকূলীয় নিম্নচাপের প্রভাবে গত ৪ জুলাই থেকে শুরু হয়ে শুক্রবারও (১০ জুলাই) অব্যাহত রয়েছে। একটানা বর্ষনে ভ্যাপসা গরম কিছুটা কমেছে, তবে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়া, রাস্তাঘাটের জলমগ্ন অবস্থা এবং জনজীবনের স্থবিরতা লক্ষ্য করা গেছে। বিপাকে পড়েছেন সবচেয়ে বেশি দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক, কৃষিশ্রমিক ও মৎস্যজীবীসহ দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল শ্রমজীবীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পৌর সদর, বাণিজ্যিক নগরী কপিলমুনি সহ বিভিন্ন বাজারের সড়কে মানুষের চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। ব্যস্ত বাজার ও সড়কগুলোতে এক ধরনের নীরবতা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বাণিজ্যিক নগরী কপিলমুনি বাজারে বৃষ্টির পানিতে কংক্রিটের সাথে কাঁচা রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে কৃষিকাজ, নির্মাণকাজ এবং খোলা আকাশের নিচে অধিকাংশ শ্রমনির্ভর কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে শত শত শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। সরল গ্রামের দিনমজুর কবিরুল বলেন, "টানা বৃষ্টিতে কোনো কাজ করতে পারিনি। সংসারের বাজার কীভাবে করব, সেটাই এখন বড় চিন্তা।" ভ্যানচালক সবির জানান, "যাত্রীসংখ্যা অনেক কমে যাওয়ায় সারাদিন ভিজে থেকেও কাঙ্ক্ষিত আয় হচ্ছে না।" একই ধরনের সংকটের কথা জানান দৈনিক শ্রমিক রেজাউল। তিনি বলেন, "একদিন কাজ না করলে ঘরে চুলা জ্বলে না। সেখানে এত দিনের বৃষ্টিতে কাজ নেই। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।" বৃষ্টিতে কাঁচা সড়কগুলো কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থী স্বপ্না জানান, "স্কুল-কলেজে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।" বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী ও মৎস্যঘেরে স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলাম বলেন, "টানা বৃষ্টিতে বাজারে ক্রেতা নেই বললেই চলে। কেনাবেচা অনেক কমে গেছে।" তবে কৃষকদের একাংশের মন্তব্য, "আষাঢ়ের এই বৃষ্টি আমন চাষের জন্য উপকারী।" যদিও অতিবৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে আমনের বীজতলা ও কৃষিকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, "অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে কোথাও যাতে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।" সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে না ফিরলে শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেল ডাকাত দলের সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


মায়ের জানাজায় অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেল ডাকাত দলের সদস্য

মায়ের মৃত্যুর কারণে সাময়িক প্যারোলে মুক্তি পেয়ে আবু হায়াত নামের এক হাজতি জানাজা ও দাফন শেষে পুনরায় জয়পুরহাট জেলা কারাগারে ফিরে গেছেন। তিনি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, আবু হায়াত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের একজন সক্রিয় সদস্য।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আবু হায়াতের মা আতাহেরা বেগম (৬৫) নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। তিনি উপজেলার আলমপুর গ্রামের মৃত আজিজার রহমানের স্ত্রী ছিলেন। মায়ের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর ১০ জুলাই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবু হায়াতকে সাময়িকভাবে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়, যাতে তিনি মায়ের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারেন। জানাজা এবং দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত সময়সীমা শেষে শুক্রবার তাকে পুনরায় জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্যারোলে মুক্তি পাওয়া আবু হায়াত মূলত একটি আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রুজু আছে। সম্প্রতি একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি জেলা হাজতে অবস্থান করছিলেন। মায়ের মৃত্যুর কারণে মানবিক বিবেচনায় আইনি প্রক্রিয়া মেনে তাকে সাময়িক প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। দাফন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পরই কড়া নিরাপত্তায় তাকে আবার কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

চারঘাটে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ পি.এম


চারঘাটে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার

রাজশাহীর চারঘাটে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত দেব চন্দ্র দাস (২২) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তবে গ্রেফতারে সন্তুষ্ট নন স্থানীয় বাসিন্দারা, তারা ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে চারঘাট স্লুইসগেট এলাকায় এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে দুই শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু অংশগ্রহণ করেছে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে। এছাড়া জুমার নামাজ শেষে চারঘাট মডেল মসজিদ চত্বরেও মুসল্লিরা মানববন্ধন করেছেন। এ সময় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া বাশিরুল ইসলাম বলেন, "এমন জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে সমাজে এই প্রবণতা কমবে না। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিশুকে এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়, সেজন্য দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি।"

গত বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল আসামি দেব চন্দ্র দাসকে আটক করে র‌্যাব-৫। অভিযুক্ত দেব চারঘাট উপজেলার আরজিসাদীপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের শ্রী জয় চন্দ্র দাসের ছেলে। শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি চারঘাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। গত বুধবার দুপুরে তিনি চারঘাট স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকায় বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে কেক খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে ডেকে নেয় প্রতিবেশী যুবক দেব। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। একপর্যায়ে শিশুটির মা প্রতিবেশী দেবের বাড়ির বারান্দায় তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁদতে দেখেন। মায়ের উপস্থিতি বুঝতে পেরে অভিযুক্ত দেব কৌশলে পালিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, "থানায় মামলা হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত সঠিক বিচার নিশ্চিত করবেন। এলাকাবাসীকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও সিলেট বিভাগে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ পি.এম


বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও সিলেট বিভাগে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে

বৈরি আবহাওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও সিলেট বিভাগের শনিবারের (১১ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

সিলেট অঞ্চলের চার জেলার জেলা প্রশাসকদের মতে, আপাতত পরীক্ষাগ্রহণে কোনো সমস্যা নেই।

শুক্রবার (১০ জুলাই) তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতির কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ার কারণে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলায় বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে—এমন তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে মাঠপর্যায়ের অবস্থা জানার জন্য চার জেলার জেলা প্রশাসকের কাছে জরুরি ভিত্তিতে মতামত চাওয়া হয়।

জেলা প্রশাসকদের মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শনিবার অনুষ্ঠিতব্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা গ্রহণে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বিষয়টি বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে অবহিত করেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%