প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সিটি স্ক্যান যন্ত্রটি তিন মাস ধরে বিকল হয়ে রয়েছে। যার ফলে রোগীরা বাইরের রোগনির্ণয় কেন্দ্র বা হাসপাতালে গিয়ে দ্বিগুণ টাকা খরচ করে সিটি স্ক্যান করাতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে গরিব রোগীদের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম বিপাকে পড়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মেশিনটি সচল করার জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে শীঘ্রই সমস্যার সমাধান হবে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের আগস্টে ঢাকার আরপি এন্টারপ্রাইজ রামেক হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিনটি সরবরাহ করে। সাত বছরের ওয়ারেন্টি থাকার পরও চালুর প্রায় সাড়ে চার বছরের মাথায় ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর থেকেই মেশিনটি পুরোপুরি অচল হয়ে রয়েছে। এই কারণে রোগী ও তাদের স্বজনরা সিটিস্ক্যান সেবা নিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে বেসরকারি হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকায় রোগীর সিটি স্ক্যান করাতে হচ্ছে। এছাড়া, সিটি স্ক্যান রুমের দরজায় সাময়িক বন্ধের নোটিশ লাগানো হয়েছে। প্রায় তিন মাস কেটে যাওয়ার পরও কয়েক কোটি টাকার মেশিনটি সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়নি। রোগীর স্বজন সানজিদা খাতুন বলেন, হাসপাতালের সিটি স্ক্যান বন্ধ থাকায় বাইরে করতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারি হাসপাতালে করলে সাধারণত কম খরচ হত, কিন্তু বর্তমানে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে অন্তত ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মনতাজ আলীর স্বজন রজব আলী বলেন, চিকিৎসক সিটি স্ক্যানের পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু হাসপাতালের মেশিন নষ্ট রয়েছ। পরিস্থিতির কারণে রোগীকে স্থানান্তর করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে এবং অতিরিক্ত খরচও বাড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল রামেক হাসপাতালে রাজশাহী বিভাগের পাশাপাশি খুলনার চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য আসেন। সিটিস্ক্যান সেবা বন্ধ থাকার এই পরিস্থিতিতে তাদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চাপের ফলে সিটি স্ক্যান মেশিনটি বিকল হয়ে গেছে। সরবরাহকারী ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং দ্রুত মেশিনটি সচল করার চেষ্টা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন