ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানসহ হেলপার গ্রেপ্তার, তদন্ত চলছে


কালীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানসহ হেলপার গ্রেপ্তার, তদন্ত চলছে

গাজীপুরের কালীগঞ্জে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকে চাপা দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি উদ্ধার করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত পিকআপের হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৩ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম রাত্রিকালীন টহল ডিউটির সময় সন্দেহভাজন তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় ফিরছিল। সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের সামনে পৌঁছালে পৌর ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মোল্লা (৪৫) পুলিশ গাড়িটি দাঁড় করাতে বলেন। রাত সাড়ে তিনটার দিকে টঙ্গী থেকে ঘোড়াশালগামী একটি বেপরোয়া গতির পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশ টিম ও বিএনপি নেতাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিএনপি নেতার মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় এসআই (নিরস্ত্র) মো. মিজানুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও দুই পুলিশ সদস্য—পিএসআই জাবেদ ওমর এবং চালক কনস্টেবল ফজলে রাব্বি গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনার পর ২৫ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা (নম্বর-২৬) দায়ের করা হয়। পরে থানা পুলিশের একটি চৌকস দল সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৮ অক্টোবর রাতে নরসিংদীর পলাশ থানার ডাঙ্গা গ্রামের কনফিডেন্স সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সামনে থেকে ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি (ঢাকা মেট্রো-ম-১২-০৫৮২) উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পিকআপের হেলপার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে রাজু শেখকে (২৯) গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন: এসআরবির অভিযানের সময় তরুণ মারুফের মৃত্যু, তদন্তের দাবি এইচআরএসএসের

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, হেলপার রাজু জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে পিকআপ ভ্যানটির মূল চালক ছিলেন মাজহারুল ইসলাম। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার রাজু শেখকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ নাহিদকে নিয়ে বিশপের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ নাহিদকে নিয়ে বিশপের সতর্কবার্তা

নাহিদ রানা ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে সক্ষম। বাংলাদেশের এই গতিশীল পেসারকে দীর্ঘ সময় ধরে সার্ভিস পাওয়ার জন্য এখনই তাঁর শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ক্যারিবীয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ। তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাৎক্ষণিক সাফল্যের আশায় যেন ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে’ মেরে ফেলা না হয়।

বিশপের অভিমত, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাহায্যে নাহিদকে যত্নে রাখতে হবে, যাতে সময়ের সাথে সাথে তাঁর শরীর পেস বোলিংয়ের কঠিন চাপ সহ্য করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের অভিজ্ঞতার প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে। বিশপ সিমন্সকে নিজের বড় ভাইয়ের মতো উল্লেখ করে বলেন, তিনি অত্যন্ত চমৎকার একজন কোচ এবং বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি করবেন।

নিজের ক্যারিয়ারে একাধিক স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের অভিজ্ঞতা থেকে বিশপ জানেন পেস বোলিং কতটা কঠিন। তাঁর মতে, কিছু খেলোয়াড়ের শরীরে চোটের প্রবণতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। সুতরাং, নাহিদের ফিটনেস এবং কন্ডিশনিং ট্রেনারদের সতর্ক থাকতে হবে। যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁর শরীরকে চোট প্রতিরোধে সক্ষম করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মেডিকেল দলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

এ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের উদাহরণ দেন বিশপ। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় মিচেল স্টার্ক, চোট কাটিয়ে ফেরা প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডরা নিজেদের ভালোভাবে সামলেছেন। ফলে ৩৩, ৩৫, ৩৬, এমনকি ৩৭ বছর বয়সেও তাঁরা দুর্দান্ত বোলিং করছেন। স্কট বোল্যান্ডের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

চোটের কারণে নাহিদ সম্প্রতি কিছু সিরিজের পাশাপাশি চলমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও নেই। বিশপের বার্তা পরিষ্কার, এই মুহূর্তের সাফল্যের চেয়ে নাহিদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ করল সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা গেজেট প্রকাশ করল সরকার

সরকার ব্যাটারিচালিত তিন চাকার স্বল্পগতির রিকশা বা ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা জারি করেছে। সিটি করপোরেশন এলাকায় এই বিধিমালার আওতায় ই-রিকশার নিবন্ধন ও নবায়ন ফি, গতিসীমা, যাত্রী ধারণক্ষমতা, চলাচলের রুট, পার্কিং এবং ব্যাটারি চার্জিং সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা এবং নিষিদ্ধ সড়কে চলাচলকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। এই বিধিমালাটি ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নামে পরিচিত এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন বিধিমালার অধীনে, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার জন্য নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। সব ধরনের ই-রিকশার ফিটনেস সনদের জন্য ১ হাজার টাকা দিতে হবে।

ই-রিকশার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি, নিবন্ধন ফি জমার রসিদ এবং নির্ধারিত ফিটনেস সনদসহ আবেদন করতে হবে। কর্তৃপক্ষ আবেদন যাচাই-বাছাই করে সন্তুষ্ট হলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন প্রদান করবে। আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ জানাতে হবে। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নিবন্ধন নম্বর, নম্বর প্লেট এবং বিস্তারিত তথ্যসংবলিত ব্লু-বুক প্রদান করা হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর হবে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বাধিক পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চালানো যাবে না।

বিধিমালায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার হবে। আকারভেদে চালক ছাড়া সর্বাধিক দুই বা চারজন যাত্রী বহন করা যাবে। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না। হর্নের শব্দের তীব্রতা ৪০ ডেসিবেলের বেশি হতে পারবে না।

ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটি করিডোর, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সড়ক এবং ফুটপাতে চলাচল করতে পারবে না। চালকদের সড়কের বাম লেন অনুসরণ করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, নিয়মবহির্ভূত ওভারটেকিং এবং অনিয়ম করে লেন পরিবর্তন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য রুট নির্ধারণ করবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় বিভিন্ন জোনে ভাগ করে প্রতিটি জোনে ই-রিকশার সংখ্যা, চলাচলের সড়ক এবং নির্দিষ্ট রং নির্ধারণ করা হবে। এক জোনে চলাচলের অনুমতি পাওয়া ই-রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না। প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয় পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময় শেষ হলে সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন ও নম্বর প্লেট বাতিল করতে হবে। প্রতিটি গাড়িতে স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য অনুসারে গাড়ির নকশা ও ফিটনেস নিশ্চিত করতে হবে। যান্ত্রিক বা নিরাপত্তাজনিত ত্রুটিযুক্ত এবং নিবন্ধনবিহীন ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না।

ব্যাটারি চার্জের ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ব্যাটারি চার্জ করতে হবে। চার্জিং অবকাঠামোয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

পরিবেশ সুরক্ষায় পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যে ফেলা বা পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় বিক্রেতাকে ক্রেতার কাছ থেকে একটি পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে অনুমোদিত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোর কাজও করা যাবে না।

বিধিমালায় ই-রিকশা চালকদের ট্রাফিক আইন, সড়ক নিরাপত্তা, ব্যাটারি এবং যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটলে চালককে তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি থামিয়ে আহত ব্যক্তিদের সহায়তা করতে হবে এবং পুলিশকে জানাতে হবে।

নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অনুমোদিত গতিসীমা অতিক্রম করা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার করা, মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন করা, নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল করা, বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো, সিগন্যাল অমান্য করা এবং দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া ই-রিকশার উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের সুপারিশ দিতে একটি কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যাচাই-বাছাইয়ের পর সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে উৎপাদন লাইসেন্স দেওয়া হবে।

নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৫’ বাতিল করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে কৃষক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


রাজশাহীতে কৃষক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার মধুসূদনপুর মধ্যপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ (৪৫) নামের এক কৃষককে তাঁর বাড়ির ছাদে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে খবর পেয়ে পবা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানান, রাতে নিহতের স্ত্রী ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিল না।

তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ এবং এতে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ওসি আরও জানান, সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার পর থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ট্রোকের লক্ষণ শনাক্ত করে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


স্ট্রোকের লক্ষণ শনাক্ত করে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

স্ট্রোকের চিকিৎসা শুরু করার ক্ষেত্রে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে যখন মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধে, তখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চিকিৎসা শুরু হলে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। তবে স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে অসচেতনতার কারণে অনেক সময় হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব ঘটে। এই বিলম্ব মৃত্যুঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অক্ষমতার আশঙ্কা বাড়ায়।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে অনুষ্ঠিত এক র‌্যালি ও সচেতনতামূলক সেশনে এসব বিষয় তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্পট ইট, স্টপ ইট’। অনুষ্ঠানে স্ট্রোকের লক্ষণ শনাক্তকরণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জরুরি চিকিৎসার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সেশনে উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডা. রত্নদীপ চাস্কার এবং গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। আলোচনায় অংশ নেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. আব্দুল কাদের শেখ, সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. খন্দকার মাহবুবর রহমান, ডা. এস এম হাসান শাহরিয়ার এবং অধ্যাপক ডা. আনোয়ার ইসরাইল।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন, শরীরের এক পাশ হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ে শক্তি কমে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া অথবা মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া লক্ষণ দেখা দিলে দেরি করা উচিত নয়। রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। এসব লক্ষণকে অবহেলা করা বা নিজে থেকে চিকিৎসা নেওয়ার চেষ্টা বিপজ্জনক হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে প্রথম সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে ক্লট বাস্টার বা রক্তের জমাট গলানোর ওষুধ প্রয়োগের সুযোগ থাকে। তাই লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি কমানো এবং রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা সম্ভব।

এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, ‘স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকায় নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি সেবা রয়েছে। জরুরি বিভাগ থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার পর্যন্ত আমাদের স্ট্রোক ইউনিট রোগীদের সেবা দিতে প্রস্তুত থাকে। তবে এসব ব্যবস্থার সুফল পেতে হলে মানুষকে সচেতন হতে হবে এবং রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।’

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. আব্দুল কাদের শেখ বলেন, ‘স্ট্রোকের চিকিৎসায় হাসপাতালের প্রস্তুতির পাশাপাশি জনসচেতনতাও জরুরি। বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে স্ট্রোকের লক্ষণ চেনানো এবং দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করা। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এভারকেয়ার কাজ করছে।’

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড, পেরিফেরাল নার্ভ ও মাংসপেশির বিভিন্ন রোগের পরামর্শ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের সহযোগিতায় স্ট্রোক-পরবর্তী পুনর্বাসন সেবাও প্রদান করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া উচিত। লক্ষণ শনাক্ত করা এবং দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছানোর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে অনেক ক্ষেত্রে প্রাণহানি ও দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%