সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৩ পি.এম
আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩, ৭ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নে উল্লেখ করা হলো—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ১৪ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ শুরু হবে ৬টা ৫৯ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ১৩ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩৬ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৫টা ৫৬ মিনিট এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৪৭ মিনিটে হবে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চার দিনের সরকারি সফর সম্পন্ন করে জাপান থেকে দেশে ফিরে এসেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় পৌঁছান।
সফরের সময় সেনাপ্রধান জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিএ) সভাপতি শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে ক্রীড়া খাত এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া, সেনাপ্রধান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সেনাপ্রধানের এই উচ্চ পর্যায়ের সফর এবং মতবিনিময় বাংলাদেশের সামগ্রিক ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া অঙ্গনে দেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর ধুলো, ধোঁয়া ও ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, পৃথিবীতে চলমান জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে, বায়ুমান স্কোর ৮২ নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা তালিকার ২২ নম্বরে অবস্থান করছে। এই বাতাসের মানকে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে, ১৮৯ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে। কলকাতার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে ধরা হয়।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৮৯ স্কোর নিয়ে কলকাতা শীর্ষে রয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের লাহোর ১৭৪ স্কোর নিয়ে রয়েছে, তৃতীয় অবস্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয় ১৭১ স্কোর নিয়ে রয়েছে, চতুর্থ স্থানে কাতারের দোহা ১৬৬ স্কোর নিয়ে রয়েছে এবং পঞ্চম অবস্থানে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা ১৬৩ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের সময় মক্কা নগরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
আজকের দিনেই তার জানাজা ও দাফনের কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সূত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ পায়।
শায়খ ইবরাহিম মাদানি মসজিদুল হারামের মুকাব্বিরিয়ার অন্যতম সদস্য ছিলেন। মুকাব্বিরিয়ায় দায়িত্ব পালনকারী মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ইমামের তাকবির মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।
মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান এবং ফজরের প্রথম আজান দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবির দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন।
তার ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে।
অনেকে মসজিদুল হারামে তার দেওয়া আজান ও তাকবিরের পুরনো ভিডিও ও অডিও শেয়ার করে স্মৃতিচারণা করেন।
জানা যায়, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ডও রয়েছে।
শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানি ১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পারিবারিকভাবে পবিত্র কোরআন হিফজ করেন।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে তার মুয়াজ্জিন জীবনের সূচনা হয়। ১৪২৮ হিজরিতে তিনি মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আজানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৪৩৯ হিজরিতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানি আজানের মাদানি রীতি ও সুরের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে তার বাবা তাকে মক্কায় নিয়ে গেলে তিনি মক্কি আজানের স্বতন্ত্র ধারার সঙ্গেও পরিচিত হন। মক্কায় অবস্থানকালে তিনি মসজিদুল হারামের সাবেক মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ফলে শায়খ ইব্রাহিম মক্কি ও মাদানি—দুই ধারার আজানের বৈশিষ্ট্য কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান।
আল্লাহ তাআলা মরহুমকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ