প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর ধুলো, ধোঁয়া ও ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, পৃথিবীতে চলমান জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে, বায়ুমান স্কোর ৮২ নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা তালিকার ২২ নম্বরে অবস্থান করছে। এই বাতাসের মানকে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে, ১৮৯ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে। কলকাতার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে ধরা হয়।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৮৯ স্কোর নিয়ে কলকাতা শীর্ষে রয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের লাহোর ১৭৪ স্কোর নিয়ে রয়েছে, তৃতীয় অবস্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয় ১৭১ স্কোর নিয়ে রয়েছে, চতুর্থ স্থানে কাতারের দোহা ১৬৬ স্কোর নিয়ে রয়েছে এবং পঞ্চম অবস্থানে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা ১৬৩ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন