ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোমস্তাপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত ১৮ জন


গোমস্তাপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত ১৮ জন

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান রোপণ করতে গিয়ে উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের চড়ইল বিল এলাকায় রয়েছেন। আহত ১৮ জনের মধ্যে ৬ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। গোমস্তাপুর থানার ওসি নূরে আলম জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাঙ্গাবাড়ি ও আলিনগর ইউনিয়নের অনেক কৃষক ওই এলাকার ৭০ বিঘা জমি চাষাবাদ করে আসছেন। রবিবার সকালে কৃষকরা জমিতে ধান রোপণ করতে গেলে প্রতিপক্ষরা বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এই হামলায় উভয় পক্ষের মোট ১৮ জন আহত হন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

আহতদের মধ্যে ফজলুর রহমান (৫৫), কামরুজ্জামান (৭০), তাজামুল হক জেম (৫৫), বজলুর রহমান (৬০), আব্দুল লতিফ (৬৫), দেল সাদ (৫০), আব্দুর রহিম (৪৭), জামিলা বেগম (৫০), জাহিনা বেগম (৫৫), খতিজা (৫৫), মনিরুল ইসরাম (৫৫), বজলুর রহমান (৬২), মাহাদি হোসেন (২৩), ওয়াসিম বাবু (২০), রফিকুল ইসলাম (৩৮), তাইজুদ্দিন (৬৬), সাইফুল (৫৬), শহিদুল (৪২) নামক ব্যক্তিরা রয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় ৬ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। গোমস্তাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আওয়াল জানিয়েছেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের অনেক injured হয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এই ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় উভয়পক্ষ লিখিত কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক যুবকের সঙ্গে তিন তরুণীর বিয়ে, নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ এম


এক যুবকের সঙ্গে তিন তরুণীর বিয়ে, নেটদুনিয়ায় তোলপাড়

ভারতের উত্তরপ্রদেশের আমরোখা জেলায় একই মন্দিরে একটি যুবকের সঙ্গে তিন তরুণীর বিয়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। মা চামুণ্ডা মন্দিরে বিয়ের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, হিন্দু রীতি মেনে এক বর একসঙ্গে তিন কনের সঙ্গে সাতপাক ঘুরছেন এবং প্রত্যেকের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছেন।

ভিডিওতে তরুণীরা হলেন আমরোখার ধোরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সরোজ, সাবিত্রী ও সন্তোষ। জানা গেছে, তাদের মধ্যে দুজন আপন বোন এবং অপরজন ফুফাতো বোন। কিন্তু অনেকেই তাদের তিনজনকেই বোন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বর বিকাশ ওরফে ভিক্কু আগে এই তরুণীদের সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টের ক্যামেরাম্যান হিসেবে কাজ করতেন, এবং গত ছয় মাস ধরে ভিডিওগুলোর মধ্যে তাদের অন-স্ক্রিন স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করে আসছিলেন।

শুরুর দিকে অনেকেই এটিকে রিলস বা কনটেন্ট তৈরির নাটক বলে মনে করলেও, পরবর্তী সময়ে তারা ক্যামেরার সামনে এসে দাবি করেন যে এই বিয়ে পুরোপুরি বাস্তব। তরুণীরা জানান, তারা ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছেন এবং বিয়ের কারণে আলাদা হতে চাননি।

পরিবার থেকে তাদের আলাদা পাত্রে বিয়ে ঠিক করায় তারা হতাশ হয়ে পড়েন। একসঙ্গে থাকার জন্য স্বেচ্ছায় একই ব্যক্তিকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তারা। তাদের দাবি, তারা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং পারস্পরিক সম্মতিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। বর বিকাসও জানান, তরুণীদের পারস্পরিক গভীর বন্ধনকে সম্মান জানিয়েই তিনি এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন।

এদিকে, হাসনপুরের মা চামুণ্ডা মন্দিরে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, মন্দির কর্তৃপক্ষ এই বিয়ের বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। প্রশাসন জানিয়েছে যে ওই সময় মন্দিরে সংস্কার কাজ চলছিল এবং সেখানে কোনো পুরোহিত বা কর্মী উপস্থিত ছিলেন না।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই কথিত বিয়ের বৈধতা ও ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, আবার অনেকেই প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পক্ষে মত দিয়েছেন। সমালোচনার মুখে পড়ে তরুণীরা পৌরাণিক রাজা দশরথের তিন রানীর উদাহরণ টেনে নিজেদের বিয়ের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তবে আইনগত দিক থেকে, ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী বহুবিবাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী বৈধ হিন্দু বিয়েতে একাধিক জীবনসঙ্গী রাখা বেআইনি, এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮২ ধারা অনুযায়ী এই ধরনের দ্বিবাহু বা বহুবিবাহের জন্য ফৌজদারি অপরাধ ও শাস্তির বিধান রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাদেবপুরে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করেন এমপি বাবুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ এম


মহাদেবপুরে বৃক্ষরোপণ উদ্বোধন করেন এমপি বাবুল

নওগাঁর মহাদেবপুরে অনুষ্ঠিত উপজেলা কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৬ জুলাই রোববার, বিকেলে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের বুজরকান্তপুর সড়কের পাশে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষ্ণচুড়া গাছের চারা রোপণ করে এ কর্মসুচির উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের দায়িত্বশীল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি এবং সরকারি হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ফজলে হুদা বাবুল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারকরণের জন্য প্রতিশ্রুত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের একটি অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে চলতি মওসুমে দেশব্যাপী একযোগে আট লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহাদেবপুরের এমপির রাজনৈতিক সচিব এবং উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, উপজেলা কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রশিদ রাজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস সাজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মাহমুদুল হাসান সুমন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এস এম হান্নান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাহাঙ্গীরপুর সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি এনামুল হক, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং এনায়েতপুর ইউপির সাবেক মেম্বার শহীদুল ইসলাম সাগর, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সদর ইউপির সাবেক মেম্বার হাজী আক্কাস আলী, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং অবসরপ্রাপ্ত জেষ্ঠ্য প্রভাষক মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, এনায়েতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেলুজ্জামান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউল আলম লিটন, বিএনপি নেতা এবং এনায়েতপুর ইউপির সাবেক মেম্বার রেজাউল ইসলাম, বিএনপি নেতা হাজী আরফান, লিংকন চৌধুরী, কৃষক দল নেতা সামসুল আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রীবেশে আসা ব্যক্তিগত গাড়ি ছিনতাইয়ের চেষ্টা, দেবর ও ভাবি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ এম


যাত্রীবেশে আসা ব্যক্তিগত গাড়ি ছিনতাইয়ের চেষ্টা, দেবর ও ভাবি আটক

 

 চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে যাত্রীবেশে এসে একটি ব্যক্তিগত গাড়ির চালককে মারাত্মকভাবে আহত করার মাধ্যমে সেটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করার অভিযোগে এক নারীর পাশাপাশি এক পুরুষকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় দুইজনকে আটক করে পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলের দিকে উপজেলার জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (বিএসইজেড) সিপি মোড় এলাকার এক নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর এলাকার বাসিন্দা শেখ মোহাম্মদ আল ইয়াছা (৩০) এবং জোবেদা খানম চৌধুরী। তাদের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে দেবর ও ভাবি।

আহত গাড়িচালক মো. সেলিম (৪২) লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মিঠারখাল এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দ্বারা জানা যায়, রবিবার দুপুরে ইয়াছা ও জোবেদা চট্টগ্রাম নগরের অলংকার মোড় থেকে একটি কালো রঙের ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়া করে মিরসরাইয়ের সিপি মোড় এলাকায় আসেন। বিকেলের দিকে নির্জন স্থানে পৌঁছানোর পর তারা চালককে মারধর শুরু করেন এবং গাড়িটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তবে চালকের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দ্রত তাদের ধাওয়া করে। পরে স্থানীয়রা তাদের আটক করে এবং উত্তেজিত জনতা তাদের পিটুনি দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাপস চৌধুরী জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ আহত চালক ও আটককৃত দুটি ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাদের শরীরে সামান্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আসা দুই যাত্রী চালককে আহত করে গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। গাড়ির মালিকও থানায় এসেছেন। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল প্রত্যাহার ও গ্রাহক হয়রানি বন্ধের দাবি জানাল স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ এম


বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল প্রত্যাহার ও গ্রাহক হয়রানি বন্ধের দাবি জানাল স্মারকলিপি

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি-নেসকো’র বিরুদ্ধে বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল প্রত্যাহার, সঠিক বিল প্রণয়ন ও দ্রুত গ্রাহক হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে রোববার (২৬ জুলাই) সকালে নেসকো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি পাঠানো হয়। স্মারকলিপিতে জমা দেওয়া সাত দফা দাবির মধ্যে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত (ভূতুড়ে) বিদ্যুৎ বিল পুনঃ যাচাই করে ভুল বিল অবিলম্বে বাতিল ও সংশোধন করতে হবে।

এছাড়া নেসকো এর রাজশাহী কার্যালয় থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রচেষ্টার খুবই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

এসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশল মশিউর রহমান দাবিসমুহ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

এর আগে রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপার নেতাকর্মীরা রাজশাহী কলেজে শহীদ মিনারে জমায়েত করেন এবং পরে সেখান থেকে নেসকো কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দাখিল করেন।

স্টাফ রিপোর্টার এম এম মামুনের উপস্থিতির মধ্যে রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান, বাপার সভাপতি প্রকৌশলী মাহমুদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিনা বেগম, সাবেক ছাত্রনেতা রায়হান সম্রাটসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত কয়েক মাস ধরে অনেক সংখ্যক গ্রাহক অস্বাভাবিক, অতিরিক্ত ও বাস্তব ব্যবহারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিদ্যুৎ বিল পাচ্ছেন।

একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করার সত্ত্বেও পূর্ববর্তী মাসগুলোর তুলনায় দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত বিশাল বিল আসছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তি ও আর্থিক চাপের কারণ হয়েছে।

যখন গ্রাহকরা বিলের অসঙ্গতি নিয়ে নেসকোর অফিসে অভিযোগ করতে যান, তখন অনেকক্ষেত্রে তাদের দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। কোথাও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না, আবার কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রিতার কারণে গ্রাহকরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

অনেক ক্ষেত্রে মিটার রিডিং যথাযথভাবে নেওয়া হচ্ছে না। প্রকৃত ব্যবহার যাচাই না করেই বিল প্রস্তুত করা হচ্ছে বলেও গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।

স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়েছে, বিদ্যুৎ একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার। তাই গ্রাহকদের সঙ্গে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায্য আচরণ নিশ্চিত করা নেসকোর আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমানে সাধারণ মানুষ নিজেদের অসহায় ও প্রতারিত অনুভব করছেন, যা নেসকোর প্রতি জনসাধারণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করছে।

স্মারকলিপিতে রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- সকল অস্বাভাবিক ও অতিরিক্ত (ভূতুড়ে) বিদ্যুৎ বিল পুনঃ যাচাই করে ভুল বিল অবিলম্বে বাতিল ও সংশোধন করতে হবে।

সঠিক বিল প্রণয়নের জন্য মিটারের প্রকৃত রিডিং গ্রহণ করা নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত বিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের বিল সমন্বয় বা প্রয়োজনীয় প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত সেল গঠন করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া মিটার রিডার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা দরকার। ভবিষ্যতে বিভ্রান্তিমূলক বিল যাতে আর কোনো গ্রাহক না পান, সে জন্য আধুনিক ও নির্ভুল বিলিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত অতিরিক্ত বিলের ভিত্তিতে কোনো গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে, সাধারণ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। রাজশাহী থেকে নেসকো স্থানান্তর করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুশিয়ারি দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%