রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৭ পি.এম
সুনামগঞ্জ, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এ স্লোগানে সুনামগঞ্জে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ রেঞ্জ, সিলেট বন বিভাগ ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘বৃক্ষরোপণ অভিযান উপলক্ষে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের সহকারী উপ-পরিচালক মাসুম বিল্লাহ, সদর উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার দ্বিপান্বীতা দেবী, জেলা ও বিভাগীয় সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন, জেলা রেঞ্জ অফিসার রিয়াজ উদ্দিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাইমিনুল হকসহ পরিবেশ কর্মী, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা।
উল্লেখ্য, এ বৃক্ষ মেলা চলবে সপ্তাহব্যাপী। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি (এমবিবিএস) পরীক্ষার ফলাফলে প্রথম ব্যাচেই প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছে বরিশাল বিভাগে প্রতিষ্ঠিত প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটির ৪৬ জন শিক্ষার্থী এবারের এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। এতে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যে কলেজজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার। ফলাফল প্রকাশের পর বরিশালের কালিজিরা, রূপাতলী (জাগুয়া) এলাকায় অবস্থিত সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা যায় উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, নিয়মিত পাঠদান ও একাডেমিক শৃঙ্খলার প্রতিফলন হিসেবে প্রথম ব্যাচের এই ফলাফলকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একে অপরকে অভিনন্দন জানান। অনেকেই সহপাঠী, শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন। কৃতী শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের সঙ্গে সাফল্য উদযাপন করেন। তাদের চোখেমুখে ছিল দীর্ঘদিনের অপেক্ষা ও পরিশ্রমের পর কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জনের আনন্দ।
শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরাও। তারা বলেন, একটি মেডিকেল শিক্ষার্থীর জন্য এমবিবিএস পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজের একাডেমিক পরিবেশ, নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি পরিচালনা পর্ষদের নজরদারি ও পরিচর্যা এ ফলাফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
কলেজ সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা নিশ্চিত করতে একাডেমিক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে ক্লাস, নিয়মিত পরীক্ষা, ব্যবহারিক শিক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নিবিড় যোগাযোগ এবং বছরজুড়ে একাডেমিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এমবিবিএস পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।
কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষকবৃন্দের নিরলস পরিশ্রম, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের পূর্ণ সহযোগিতাই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি। প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “সুনির্দিষ্ট অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ, সময়োপযোগী শিক্ষাপদ্ধতি, নিয়মিত ক্লাস এবং বছরজুড়ে অ্যাকাডেমিক শৃঙ্খলা বজায় থাকার কারণেই আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করতে পেরেছি। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা করেছে এবং শিক্ষকরা তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের সহযোগিতাও ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
অধ্যক্ষ আরও বলেন, প্রথম ব্যাচের এই ফলাফল আগামী দিনের জন্য সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজের একাডেমিক অগ্রযাত্রায় নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি করবে। উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ডা. জহিরুল হক মানিক বলেন, প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এমবিবিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন। শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের মানসম্মত চিকিৎসা শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি একজন দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
তিনি বলেন, “প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে। আমরা চাই, আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে শুধু ভালো ফলাফল করা চিকিৎসক নয়, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন দক্ষ চিকিৎসক তৈরি হোক।”
চেয়ারম্যান আরও বলেন, ভবিষ্যতে সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজের শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আধুনিক শিক্ষা উপকরণ, দক্ষ শিক্ষক, উন্নত অবকাঠামো এবং বাস্তবভিত্তিক চিকিৎসা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বরিশালের চিকিৎসা শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনা
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রথম ব্যাচের এমবিবিএস পরীক্ষায় ৭৩ দশমিক ৯২ শতাংশ পাসের হার সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজের জন্য একটি ইতিবাচক সূচনা। বরিশাল বিভাগে বেসরকারি চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। প্রথম ব্যাচের এই ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ একাডেমিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন তারা।
বরিশাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিজ বিভাগে থেকে চিকিৎসা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তৈরি এবং ভবিষ্যতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল। প্রথম ব্যাচের ৩৪ শিক্ষার্থীর এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে সেই যাত্রায় যুক্ত হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের অধ্যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ পটুয়াখালী জেলা তৃণমূল শাখার কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার দুপুর ১২ টায় শহরের চরপাড়া স্বনির্ভর রোডস্থ জেলা মহিলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি রাশিদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তৃণমূল শাখার ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্রের আলোকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় স্বাগত বক্তব্যে সহ-সভাপতি রাশিদা বেগম সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তৃণমূল পর্যায়ে সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এতে অন্যান্যের বক্তব্য দেন, জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিনা শাহনাজ, সহ-সম্পাদক ফেরদৌসি বেগম, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও গ্রন্থাগার সম্পাদক খাদিজা সুলতানা এবং অর্থবিষয়ক সম্পাদক আসমা বেগম।
বক্তারা নারী ও শিশু অধিকার বাস্তবায়ন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে নারী ও শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞ সিনিয়র সিভিল জজ ১ম আদালত, সদর, জামালপুরের ১৮৬/২০২৪ নং মোকদ্দমার আদেশের ভিত্তিতে জামালপুর সদর উপজেলার সিংহজানী মৌজায় তফসিলভুক্ত ১৩ শতাংশ ভূমির মালিকানা স্বত্ব ও দখল প্রদান করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ক্রয় সূত্রে উক্ত ভূমির একক মালিক হিসেবে মোঃ কায়েম উদ্দিন, পিতা—মৃত হানিফ উদ্দিন শেখ, সাং—ফুলবাড়ীয়া পশ্চিম, জামালপুর সদর, জামালপুর-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। এই ভূমির মোট পরিমাণ ১৩ শতাংশ, যার ওপর একটি বসতবাড়ি অবস্থিত।
প্রদত্ত তফসিল অনুযায়ী, জমিটি সিংহজানী মৌজা, জে.এল. নং-৫-এর অন্তর্ভুক্ত। জমির রেকর্ড সম্পর্কিত তথ্যে সিএস খতিয়ান নং-৯৫০, সিএস দাগ নং-৩৩৫৯; আরআর খতিয়ান নং-৫৯৬, আরওআর দাগ নং-৭০৬৯ এবং বিআরএস খতিয়ান নং-৫১০১, দাগ নং-১৭০২৩ উল্লেখ করা হয়েছে।
তফসিলে বর্ণিত তথ্য অনুযায়ী, দাবিকৃত ভূমির মধ্যে ৪ শতাংশ ও ৯ শতাংশ—মোট ১৩ শতাংশ ভূমি এবং তদস্থ একটি বসতবাড়ি রয়েছে। আদালতের আদেশ অনুসারে, কায়েম উদ্দিনকে উক্ত ভূমির মালিকানা স্বত্ব ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া ১৫ হাজার মেট্রিক টন চাল দিয়েছে। এই চালের সঙ্গে ১৫০ মেট্রিক টন ফর্টিফাইড রাইস কার্নেলও দেওয়া হয়েছে, যা পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সাগরিকা গুদামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খাদ্য সহায়তা হস্তান্তর করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কৃষি, খাদ্য ও গ্রামীণবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (এমএএফআরএ) মাধ্যমে এই চাল কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে ডব্লিউএফপির খাদ্য সহায়তা কর্মসূচীতে সরাসরি ব্যবহৃত হবে।
২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ১৫ হাজার মেট্রিক টন এবং ২০২৫ সালে ২০ হাজার ২৬৫ মেট্রিক টন চাল রোহিঙ্গা সহায়তায় প্রদান করেছিল।
সহায়তা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম শফিকুল হায়দার বলেন, "রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে পাশে রয়েছে।"
এই চালের হস্তান্তর দুই দেশের শক্তিশালী অংশীদারির একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন উল্লেখ করেন, "চাল ও ফর্টিফাইড রাইস কার্নেলের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সিউলের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।" তিনি আরও বলেন, "এই সহায়তা শুধু খাদ্যসংকটই মেটাবে না, বরং পুষ্টির অবস্থার সার্বিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখবে।"
ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা তহবিল সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, "বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন বাড়ছে, অথচ এই খাতে তহবিলের পরিমাণ দিন দিন কমছে।"
এই কঠিন সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার এই চাল প্রদান রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সময়োপযোগী ভূমিকা রাখবে।
সংস্থাটি জানায়, সাধারণ চালের সঙ্গে ফর্টিফাইড রাইস কার্নেল মিশিয়ে বিতরণ করা হবে, যা শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাবে।
এছাড়া, কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা সম্পূর্ণ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মতো পরিবেশ এখনো তৈরি না হওয়ায়, এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তার ওপর জোর দিয়েছে ডব্লিউএফপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ