রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৯ পি.এম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই, এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) নেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত। সাক্ষাৎ শেষে প্রতিমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। আমাদের স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটি আইন রয়েছে, সেই পাঁচটি আইনের কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সুতরাং, যারা আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তাদের অনুরোধ করব, এ বিষয়ে বিভ্রান্ত হবেন না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমি আবারও বলছি, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদে দাঁড়ানোর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন নেই। ইউপি চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ানোর জন্যও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একইভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার চেয়ারম্যান বা মেয়র, কাউন্সিলর এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর- সকল পদে নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয় বা প্রয়োজন নেই।
মীর শাহে আলম বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি প্রশ্ন রয়েছে। আমাদের লোকাল গভর্নমেন্ট আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রে বা পরিষদে বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মে লাভজনক সার্বজনীন পদে অধিষ্ঠিত থাকলে তিনি অযোগ্য হবেন।
এখন এই বিষয়টি ক্ল্যারিফিকেশন করতে গিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল-কলেজ, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৫-এ বিধি ১১-এর পয়েন্ট ১৭(খ)-তে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সময়ে একাধিক কোনো পদ বা চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। ১১.১৭(খ)-তে আরও বলা হয়েছে, আর্থিক লাভজনক পদ বলতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো ধরনের বেতন, ভাতা, সম্মানি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় বা আইন পেশাকর্মীর বিনিময়ে প্রদত্ত বেতন, ভাতা ও সম্মানিকে বোঝাবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার আইন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের নীতিমালাকে এক জায়গায় করে এটি ঠিক করবে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন কি না। এরপরও যদি নির্বাচন কমিশনের আইনগত কোনো মতামতের প্রয়োজন হয়, অথবা বিষয়টি আরও বিস্তারিত জানার প্রয়োজন হয় কিংবা কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে তারা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠালে আমরা আবার আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পরিষ্কার করে দেব।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এমপি হওয়ার ক্ষেত্রে তো শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমি এমপি হয়েছি, আমার তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফর্মে। কারণ আইনে নেই, সংবিধানেও নেই। যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্নে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি, লোকাল গভর্নমেন্টের যে পাঁচটি আইন আমরা করেছি, সেখানেও আমরা এটি রাখিনি।
কারণ এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় হয়ে যেতে পারে। একজন সমাজসেবক হয়ত লেখাপড়া নাও করতে পারেন। তিনি স্বশিক্ষিত হতে পারেন। ফরমালি যে লেখাপড়া, অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও একজন মানুষ শিক্ষিত হতে পারেন। অথবা কোনোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না গিয়েও তার মধ্যে আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান থাকতে পারে। তার মধ্যে যদি জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা থাকে, তাহলে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, এই কারণে সাংবিধানিকভাবে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা স্থানীয় সরকারের এই পাঁচটি আইনেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা রাখিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষর জাল করে মিউটেশন জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশে আটক করা হয়েছে কে এম প্রিন্স (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে। তিনি একজন দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেড নামক একটি কোম্পানির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাম্মী আক্তারের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে কলাপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস থেকে প্রিন্সকে আটক করা হয়। প্রিন্স পৌর শহরের এতিমখানা এলাকার বাসিন্দা।
ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেডের এইচআর এডমিন নিবির জানান, প্রিন্স মিয়া তাঁর কাছে মিউটেশনের দুটি কাগজ দিয়ে কোম্পানিকে আপাতত না জানাতে নিষেধ করেন। তখনই নিবিরের সন্দেহ হয় এবং তিনি কোম্পানির উপপরিচালক শাম্মী ম্যাডামের কাছে কাগজপত্র জমা দেন।
উপপরিচালক মোসা. শাম্মী আক্তারের অভিযোগ, প্রায় ৩ মাস আগে তিনি প্রিন্সের কাছে ৫৬ নম্বর জেএল খাজুরা মৌজার ৭টি দলিলের মিউটেশন করার কাগজপত্র জমা দেন। পরে প্রিন্স দুটি দলিলের মিউটেশন সম্পন্ন হওয়ার কাগজ শাম্মীর কাছে জমা দিলে তিনি কিউআর কোড সার্চ করে দেখতে পান যে, মিউটেশন দুটি ভুয়া। এছাড়া, ওই মিউটেশনে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি বসানো ছিল। এর পর আজ রবিবার দুপুরে এসিল্যান্ড অফিসে উপস্থিত হয়ে তিনি থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন এবং প্রিন্সকে হাতেনাতে ধরিয়ে দেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, এভাবে জালিয়াতি চক্রের প্রতারণার কারণে বিনিয়োগকারীরা কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তিনি জানান, তাঁর কাছে অন্তত ২৭টি জালিয়াতি ধরা পড়েছে এবং এসব জালিয়াতির বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এ ধরনের জালিয়াতি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৪ ও ৫ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালির ভেনিসে অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ ‘সন অব এ পিচ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ আসরে বাংলাদেশের নির্মাতা রাকায়েত রাব্বি ‘হাওয়াই মিঠাই’ (The Sweetness of Air) শর্ট ফিল্মের জন্য ‘সেরা পরিচালক’ পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভেনিসের ঐতিহাসিক হোটেল এক্সেলসিয়র-এর ক্যাম্পারি লাউঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর ‘সন অব এ পিচ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হওয়ার তথ্য জানা গেছে।
যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত ‘হাওয়াই মিঠাই’ (The Sweetness of Air) চলচ্চিত্রটি এক শিশুর মনস্তত্ত্ব ও যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরেছে। বুলেটের খোসার বিনিময়ে হাওয়াই মিঠাই কেনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত মানবিক ও সংবেদনশীল গল্পটি বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
পুরস্কার পাওয়ার পর নির্মাতা রাকায়েত রাব্বি মন্তব্য করেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের হয়ে পুরস্কার পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা অনুভূতি। এটি আমার দ্বিতীয় শর্টফিল্ম। এর আগে আমি ওটিটি প্লাটফর্ম বায়োস্কোপের জন্য আমার প্রথম শর্টফিল্ম 'জহরে কহরে' বানিয়েছিলাম, আলফা আই এর ব্যানারে। এরপর হাওয়াই মিঠাই নির্মাণ করি। পরে চরকির জন্য গ্যাড়াকল, টিফিন বক্স ফ্ল্যাশফিল্ম বানানো হয়। এটি আমার প্রথম পুরস্কার। এর আগেও অনেকগুলো ফেস্টিভ্যালে সিলেক্টেড হয়েছে।
হাওয়াই মিঠাই (The Sweetness of Air) শর্ট ফিল্মের মাধ্যমে নির্মাতা কী বার্তা দিতে চেয়েছেন, জানতে চাইলে রাব্বি বলেন, ‘পৃথিবীর সকল যুদ্ধ বন্ধ হোক, সকল শিশু তার মায়ের বুকে ফিরে যাক। তার পরিবারের সাথে সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় বড় হোক। কেউ তাদের হাওয়াই মিঠাইয়ের লোভ না দেখাক।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্প্যানিশ লা লিগায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বার্সেলোনা লেভান্তের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা দুর্দান্ত ফুটবল প্রদর্শন করলেও, শেষের দিকে স্বাগতিকরা কামব্যাক করার চেষ্টা করে। তবে কাতালানরা ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ত্যাগ করে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এস্তাদিও সিউদাদ দে ভ্যালেন্সিয়ায় ইয়ামাল জোড়া গোল করেন, এবং একটি করে গোল করেন কারিম আডেইয়েমি ও শাভি এস্পার্ত। অধিনায়ক হাফিনিয়া দুটি গোলের জন্য অবদান রাখেন।
বার্সেলোনা ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, লেভান্তে সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে।
এদিন, বার্সেলোনা চতুর্থ মিনিটে প্রতিপক্ষের মাঠে এগিয়ে যায়। হাফিনিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ডি বক্সে ঢুকে এস্পার্ট গোল করেন। পেশাদার ফুটবলে তরুণ লেফট ব্যাকের এটি প্রথম গোল।
এস্পার্টের ডান পায়ের শটে খুব বেশি জোর ছিল না, তবে লেভান্তের একজনের পায়ে লেগে বলের দিক পরিবর্তন হয়ে জালে প্রবেশ করে। গোলরক্ষক ঝাঁপিয়েও নাগালে পাননি।
চতুর্দশ মিনিটে রাতকভের শট ব্লক করেন পাউ কুবার্সি। পরের মিনিটে রজার ব্রুগেইয়ের শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করেন জোয়ান গার্সিয়া। ১৯তম মিনিটে ইয়ামাল স্কোরলাইন ২-০ করেন। হাফিনিয়ার কাট ব্যাক থেকে বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড গোল করেন।
এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতায় আট গোল করা হাফিনিয়ার এটি ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট। লেভান্তে রক্ষণে গুটিয়ে না থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবলে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বার্সেলোনার রক্ষণে চাপ তৈরি করে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বার্সেলোনা ব্যবধান বাড়ায়। ৪৮তম মিনিটে ইয়ামাল সফল স্পট কিকে গোল করেন। তাকেই ফাউল করায় বার্সেলোনা পেনাল্টি পায়। চলতি মৌসুমে ইয়মালের গোল হলো সাতটি।
৫৬তম মিনিটে হাফিনিয়ার শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। চার মিনিট পর গোললাইন থেকে আইভান রোমেরোর শট ঠেকিয়ে দেন আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিয়ানসেন। পরের মিনিটে বার্সেলোনা গোলরক্ষক পা দিয়ে রোমেরোর শট ঠেকান।
৭৯তম মিনিটে বার্সেলোনার রক্ষণের মারাত্মক ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান রোমেরো। তিনি সহজেই গার্সিয়াকে এড়িয়ে গোল করেন। এতে ম্যাচ জমে ওঠে।
৮৮তম মিনিটে ব্রুগেই চমৎকার গোল করে ব্যবধান আরও কমান। দুই জনের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। ক্রিস্তিয়ানকে এড়িয়ে শট নেন, গার্সিয়া হাত বাড়িয়ে ঠেকাতে পারলেও ফিরতি বলে তাকে পরাস্ত করেন ব্রুগেই।
বার্সেলোনা চাপের মধ্যে পড়লেও আডেইয়েমি যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্বস্তি ফেরান। মাঝমাঠে বল পেয়ে একজনের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি বক্সে প্রবেশ করেন। সেখানে আরেকজনকে ডজ দিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে গোল করেন। তার গতি ও পায়ের চমৎকার কারিকুরিতে প্রতিপক্ষ বিভ্রান্ত হয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ