প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্প্যানিশ লা লিগায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বার্সেলোনা লেভান্তের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা দুর্দান্ত ফুটবল প্রদর্শন করলেও, শেষের দিকে স্বাগতিকরা কামব্যাক করার চেষ্টা করে। তবে কাতালানরা ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ত্যাগ করে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এস্তাদিও সিউদাদ দে ভ্যালেন্সিয়ায় ইয়ামাল জোড়া গোল করেন, এবং একটি করে গোল করেন কারিম আডেইয়েমি ও শাভি এস্পার্ত। অধিনায়ক হাফিনিয়া দুটি গোলের জন্য অবদান রাখেন।
বার্সেলোনা ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, লেভান্তে সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে।
এদিন, বার্সেলোনা চতুর্থ মিনিটে প্রতিপক্ষের মাঠে এগিয়ে যায়। হাফিনিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ডি বক্সে ঢুকে এস্পার্ট গোল করেন। পেশাদার ফুটবলে তরুণ লেফট ব্যাকের এটি প্রথম গোল।
এস্পার্টের ডান পায়ের শটে খুব বেশি জোর ছিল না, তবে লেভান্তের একজনের পায়ে লেগে বলের দিক পরিবর্তন হয়ে জালে প্রবেশ করে। গোলরক্ষক ঝাঁপিয়েও নাগালে পাননি।
চতুর্দশ মিনিটে রাতকভের শট ব্লক করেন পাউ কুবার্সি। পরের মিনিটে রজার ব্রুগেইয়ের শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করেন জোয়ান গার্সিয়া। ১৯তম মিনিটে ইয়ামাল স্কোরলাইন ২-০ করেন। হাফিনিয়ার কাট ব্যাক থেকে বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড গোল করেন।
এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতায় আট গোল করা হাফিনিয়ার এটি ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট। লেভান্তে রক্ষণে গুটিয়ে না থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবলে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বার্সেলোনার রক্ষণে চাপ তৈরি করে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বার্সেলোনা ব্যবধান বাড়ায়। ৪৮তম মিনিটে ইয়ামাল সফল স্পট কিকে গোল করেন। তাকেই ফাউল করায় বার্সেলোনা পেনাল্টি পায়। চলতি মৌসুমে ইয়মালের গোল হলো সাতটি।
৫৬তম মিনিটে হাফিনিয়ার শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। চার মিনিট পর গোললাইন থেকে আইভান রোমেরোর শট ঠেকিয়ে দেন আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিয়ানসেন। পরের মিনিটে বার্সেলোনা গোলরক্ষক পা দিয়ে রোমেরোর শট ঠেকান।
৭৯তম মিনিটে বার্সেলোনার রক্ষণের মারাত্মক ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান রোমেরো। তিনি সহজেই গার্সিয়াকে এড়িয়ে গোল করেন। এতে ম্যাচ জমে ওঠে।
৮৮তম মিনিটে ব্রুগেই চমৎকার গোল করে ব্যবধান আরও কমান। দুই জনের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। ক্রিস্তিয়ানকে এড়িয়ে শট নেন, গার্সিয়া হাত বাড়িয়ে ঠেকাতে পারলেও ফিরতি বলে তাকে পরাস্ত করেন ব্রুগেই।
বার্সেলোনা চাপের মধ্যে পড়লেও আডেইয়েমি যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্বস্তি ফেরান। মাঝমাঠে বল পেয়ে একজনের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি বক্সে প্রবেশ করেন। সেখানে আরেকজনকে ডজ দিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে গোল করেন। তার গতি ও পায়ের চমৎকার কারিকুরিতে প্রতিপক্ষ বিভ্রান্ত হয়ে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন