মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪১ এম
ফেনীতে দৈনিক প্রথম আলো ও বন্ধুসভার উদ্যোগে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত প্রায় ৭'শতাধিক কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার সকালে ফেনী সরকারি কলেজের বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আহমেদ অডিটোরিয়াম আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এনামুল হক খন্দকার।
ফেনী সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা মোশাররফ হোসেন ও বন্ধুসভার সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও ফেনী ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী রাইসা ফারুকের যৌথ সঞ্চালনায় অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক প্রথম আলোর হেড অব রিপোটিং টিপু সুলতান।
সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রথম আলো'র সম্পাদক মতিউর রহমানের শুভেচ্ছা বক্তব্য পাঠ করে শোনান পত্রিকাটির ফেনী জেলা প্রতিনিধি নাজমুল হক শামীম।
অতিথির বক্তব্যে ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এনামুল হক খন্দকার বলেন, 'জিপিএ ৫ জীবনের সাফ্যল নয়, তোমাদের সুনাগরিক হতে হবে। জীবন কে কাজে লাগাতে হবে । কিছু দিন পর এই ক্যাম্পাসে তোমরা পদচরাণা করবে। কলেজ আলোকিত হবে । অনেক জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতি এইচএসসিতে হয়তো ফেলও করবে। তোমাদের এই জিপিএ ৫ এইচএসসিতে ধরে রাখতে হবে। কলেজে এসে নিজে মনে করো স্বাধীন, তবে এই স্বাধীনতা তোমাদের কিশোর গ্যাং, স্বেচ্ছারীতা তোমাদের কে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। তোমরা ভালো মানুষ হয় । তোমরা এইচএসসি সহ পরবর্তীতে আরও ভালো সাফ্যল অর্জন করো।"
কৃতি শিক্ষার্থীদের বাবা ও মা দের উদ্দেশ্যে এনামুল হক খন্দকার বলেন, "আপনার সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মিশে, তা লক্ষ্য করা আপনাদের দায়িত্ব। আপনারা তাদের চাহিদ পূরণ করতে গিয়ে মোটরসাইকেল, মোবাইল হাতে তুলে দেন । তাদের আর খোঁজ খবর নেয় না । তারা মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে। সন্তানদের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন তারা এই দেশের সম্পদ। ' তিনি বলেন, "দেশসেরা গণমাধ্যম প্রথম আলো ২০২৬ সালে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রানিত করবে । ভবিষ্যতে অনুপ্রেরনা যোগাবে।"
কৃতি শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা, মুখস্থ মানে তিন 'ম' থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানান দৈনিক প্রথম আলোর হেড অব রিপোটিং টিপু সুলতান। তিনি বলেন, 'এই জিপিএ ৫ তোমার জীবন ধরে রাখতে হবে। আজকের এই দিন উপভোগ করো। তোমাদের জয় মানে, বাংলাদেশের জয়। আমরা তোমাদের সাফল্য কে অভিনন্দন জানাই। আমরা চাই আগামীতে তোমরা বিজ্ঞান, সাহিত্যে, ভাষায় সমৃদ্ধ হও। প্রথম আলো ভালো সহায়ক হিসেবে তোমাদের পাশে থাকছে। তোমরা প্রথম আলো, বিজ্ঞাচিন্তা, কিশোর আলো, প্রথম আলো'র ফিচার নিয়মিত পড়ো। প্রথম আলো চায় তোমরা ভালো শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলী, ভালো মানুষ, আলোকিত মানুষ হও।"
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডেইলি স্টারের ফেনী সংবাদদাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের। কৃতি শিক্ষার্থীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন দাগনভূঞা একাডেমি থেকে জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন নিবির ও শাহীন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ থেকে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী সুমাইয়া চৌধুরী।
বাবার সাথে ফেরিওয়ালার কাজ করে জিপিএ ৫ পেল ইসমাইল :
বাবা ফেরি করে মালামাল বিক্রি করে সংসারের খরচ চালান। ছেলেকে পড়ালেখা করানোর মতো সামর্থ্য নেই বাবার। সংসারের খরচ জোগাতে বাবার সাথে সময় দেন দরিদ্র পরিবারের সন্তান ইসমাইল হোসেন নিবির। পড়ালেখায় মেধার স্বাক্ষর রাখা ইসমাইলের পাশে দাঁড়ায় তাঁর এক স্কুল শিক্ষক। অভাব অনটনের মাঝেও চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে আলো ছড়িয়েছেন ইসমাইল। শিক্ষক ও বিভিন্ন জনের সহায়তায় ভর্তি হয়েছেন ফেনী সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে। আগামীতে হতে চান বুয়েটের প্রকৌশলী।
সোমবার সকালে শিখো-প্রথম আলো জিপিএ ৫ প্রাপ্ত কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অদম্য মেধারীর শিক্ষার্থীর বক্তব্য রাখেন দাগনভূঞা একাডেমি থেকে জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন নিবির।
ইসমাইলের এমন বক্তব্যের পর করতালিতে মুখর হয়ে উঠে পুরো হল প্রাঙ্গণ। বড় মঞ্চে নিজের এমন বক্তব্য তুলে ধরতে পেরে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন ইসমাইল। প্রথম আলোর কাছে প্রত্যাশা করেন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে প্রথম আলো তাঁর প্রতি হাত বাড়িয়ে দিবেন।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের (ছাত্রীদের) পক্ষে অনুভূতি ব্যক্ত করেন সুমাইয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, আমার আজকের এই কৃতিত্বের পেছনে একাগ্রচিত্তের পড়ালেখার পাশাপাশি বাবা ও মার অবদান অনবদ্য। কঠোর পরশ্রিমে আমার এই অর্জনে আমি আনন্দিত। আমি আগামিতে ভালো ফলাফল করে বাংলাদেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে চাই।"
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মেতেছিল কৃতি শিক্ষার্থী :
কৃতি শিক্ষার্থীদের পক্ষে আবৃত্তি করেন অদ্রিতা নাগ ও গান করেন রাজশ্রী বণিক। মঞ্চ মাতানো ভরাট কন্ঠে আবৃত্তি করেন ফেনী জেলা শিল্পকলা একাডেমীর আবৃত্তি বিভাগের প্রশিক্ষক এম এফ রহমান মিলন। শিক্ষার্থীদের আনন্দ দিতে একক নৃত্য পরিবেশন করেন সম্পূর্ণা সাহা। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন আর্য সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের এক ঝাঁক নবীন শিক্ষার্থী। সংগীতের একাধিক শাখায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী ইমন দাসের কন্ঠে 'আমার সোনা বন্ধুরে, তুমি কোথায় রইলারে" গানে হল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীরা মুখরিত হয়ে উঠে। ঢাকা থেকে আগত এই প্রজন্মের আলোচিত শিল্পী অনিক সূত্র ধর এর মন মাতানো চারটি গানে শিক্ষার্থীরা নেচে গেয়ে আনন্দ উৎসব এ মাতোয়ারা ছিলেন।
সংবর্ধনা চলাকালীন কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী দশ শিক্ষার্থীরর হাতে মূল্যবান বই তুলে দেন অতিথিবৃন্দ অতিথিবৃন্দ। শেষে বন্ধুসভায় সাধারণ সম্পাদক দিপংকর রায় চৌধুরীর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে আনন্দযজ্ঞের সমাপ্ত হয়।
এবারের জিপিএ ৫ সংবর্ধনা আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা–গ্রী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে গত রাতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের মধ্যে প্রায় ৫–৬ বার বিদ্যুৎ চলে যায়, ফলে প্রচণ্ড গরমে অনেকেই স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারেননি।
স্থানীয়রা জানান, দিনের তুলনায় রাতে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে পরিবারগুলোকে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়েছে।
বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে গরম বেড়ে যায়। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে বা খোলা জায়গায় অবস্থান করেন। আবার বিদ্যুৎ আসার পর কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই পুনরায় চলে যাওয়ায় স্বস্তি মেলেনি।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে রাতভর এভাবে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ কী? বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার সীতারামপুর এলাকায় একটি টিনশেডের দেওয়াল ঘরে পটকা জাতীয় বস্তু বিস্ফোরিত হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাস্তার পাশে সীতারামপুরের ছবুরোন নেসার একটি ঘরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এটিকে ‘হোম মেইড আইইডি বা পটকা’ জাতীয় বিস্ফোরক দ্রব্য বলছে।
বাড়ির মালিক ছবুরোন নেসা বলেন, যে ঘরটিতে বিস্ফোরিত হয়েছে; সেই ঘরের জানালার বাইরে একটি লম্বা রশি বের করা ছিল। জানালার বাইরে লম্বা রশি দেখে আমি গুছানোর চেষ্টা করি। হঠাৎ রশি টান পড়লে ঘরের ভেতরে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। মুর্হূতে ঘরের মধ্যে ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়। ছবুরোন নেসার ধারণা, কে বা কারা এই বিস্ফোরক দ্রব্যটি তার ঘরের মধ্যে রেখে গেছে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশেপাশের লোকজন তার বাড়িতে জড়ো হন।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী জানান, যে ঘরটিতে পটকা জাতীয় দ্রব্যটি বিস্ফোরিত হয়েছে, সেখানে কেউ থাকেন না। ঘরের জানালা এবং দরজাও নেই। সেখানে পাতিলের মধ্যে বিস্ফোরিত দ্রব্যের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিস্ফোরিত বস্তুটি ককটেল নয়। এটিকে ‘হোম মেইড আইইডি বা পটকা’ জাতীয় জিনিস বলা হয়। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক দ্রব্যটি রাখা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। #
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার জন্য দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি মন্তব্য করেন, জনসংখ্যার ঘনত্বের কারণে বাংলাদেশ কুষ্ঠের মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকিতে থাকলেও দেশের বৃহৎ জনসংখ্যাই আমাদের শক্তি। চিকিৎসকরা নানা সীমাবদ্ধতা ও জনসংখ্যার চাপের মধ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, যা তিনি উল্লেখ করে তাদের অবদানের প্রশংসা করেন।
ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কুষ্ঠমুক্ত বাংলাদেশ: প্রমাণ, চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের রূপরেখা—বাংলাদেশে কুষ্ঠরোগ পরিস্থিতি নিয়ে যৌথ পর্যবেক্ষণ মিশনের উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কুষ্ঠ নির্মূলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশন যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এনজিও অংশীদাররাও কুষ্ঠ নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, তিনি তাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা কামনা করেন।
সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, ডা. রাজেশ নারওয়াল, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, প্রফেসর ডা. তাকাহিরো নানরী, শেখ মোমেনা মনি, ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদ, ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ এবং ডা. মাহবুব আরেফিন রেজানুর। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ডা. আফসানা আলমগীর খান, ডা. আয়া ইয়াজিমা ও ডা. ভিভেক লাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ