মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৪ পি.এম
স্বামী রাতেই মারা গেছেন। স্ত্রীর কান্নাকাটি চলছিল মরদেহের পাশে। কিন্তু ভোরের দিকে বাড়ির নিকটবর্তী রেললাইনে স্ত্রীর খণ্ডিত মরদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের মতে, স্বামীর মৃত্যুর শোক সহ্য করতে না পেরে রেললাইনে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। স্বামীর প্রতি তার গভীর ভালোবাসা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
নিহত হরেন্দ্রনাথ বর্মণ (৮০) এবং স্ত্রী নিত্য বালা বর্মণ (৭৫) পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। হরেন্দ্রনাথ স্থানীয় একটি মন্দিরের পূজারি ছিলেন এবং নিত্য বালাও নিয়মিতভাবে স্বামীর সঙ্গে পূজার কাজে যুক্ত থাকতেন।
এই দম্পতির মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের শেষকৃত্য পাশাপাশি চিতায় সম্পন্ন করা হয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভোগার পর সোমবার রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হরেন্দ্রনাথ বর্মণ। স্বামীর মৃত্যুর পর রাতভর স্ত্রীর কান্না চলছিল। বাড়িতে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় থাকলেও মঙ্গলবার ভোরে তিনি পরিবারের অগোচরে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।
দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্বজনরা। পরে সকালে আত্মীয়রা রেললাইনের দিকে হাঁটতে গিয়ে নিত্য বালার খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজশাহী থেকে পঞ্চগড়গামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে শুয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত নিত্য বালার ছেলে রবীন চন্দ্র বর্মণ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পর মা সারা রাত বাবার পাশে বসে কেঁদেছেন। মা বাবাকে বড্ড ভালোবাসতেন, এই শোক সইতে না পেরে ভোরে নিখোঁজ হন। পরে রেললাইনে আমরা মায়ের মরদেহ পাই।’
প্রতিবেশী যতীন চন্দ্র বর্মণ জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি কাকিমার (নিত্য বালা) কাকার প্রতি গভীর ভালোবাসা দেখে এসেছেন। কাকার বিয়োগ মেনে নিতে না পেরেই তিনি এমন চরম পথ বেছে নিয়েছেন।
আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান জানান, ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মৃত্যুর পর পরিবার নিজ উদ্যোগে মরদেহ উদ্ধার করে সৎকারের ব্যবস্থা করে। ঘটনাটি রেলওয়ে পুলিশের অধিক্ষেত্রভুক্ত হওয়ায় তারা এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শহীদ আবু সাঈদের বাড়ি নির্মাণ, তার বাবা-মায়ের থাকার ব্যবস্থা এবং কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এক কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা প্রদান করেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনা দূর করার জন্য কাজ করছে। তিনি বলেন, "আবু সাঈদের আত্মত্যাগ তরুণ সমাজ ও ছাত্র-জনতার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।" তার আত্মত্যাগের মাধ্যমে যে আন্দোলন সারা দেশের মানুষকে রাজপথে নামিয়েছিল, তা ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, ‘আবু সাঈদ আমাদের অনুপ্রেরণা। তার আত্মত্যাগ তরুণদের মাঝে, সমাজের মাঝে এবং ছাত্র-জনতার মাঝে একটি আন্দোলনকে প্রজ্বালিত করেছিল। সেই আন্দোলনে সারা দেশের লাখো মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল।’
আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আবু সাঈদ গণ-অভ্যুত্থানের বীর। আমরা আবু সাঈদকে ছড়িয়ে দিতে চাই।’ তার বাড়ির উন্নয়ন ও কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনে এক কোটি টাকা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। এ জন্য জেলা প্রশাসককে নকশা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি, স্বাস্থ্য কার্ড, খাল খনন, কর্মসংস্থান ও খেলাধুলার উন্নয়নসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারের নারীপ্রধানদের এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। একইভাবে আগামী চার বছরে প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানির বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তৃতীয় ভাষা চালুর চিন্তা করছে সরকার। এর মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে তেল-গ্যাসের বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির জন্য সরকার দুঃখ প্রকাশ করেছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিরোধীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘লং মার্চ করে কখনো সমস্যার সমাধান হবে না। আপনাদের কোনো সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলুন।’ একই সঙ্গে সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা মূল্যায়নের জন্য সময় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে আন্ত জেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সৈয়দপুর উপকণ্ঠের চৌমুহনী বাজার ও কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ ফাইলেরিয়া হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন হলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে সাব্বির হোসেন (২৬) এবং সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের সরদারপাড়ার মৃত জহুরুল ইসলামের ছেলে শাহরিয়ার হোসেন ওরফে ফরহাদ (২৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজার নেতৃত্বে চৌমুহনী বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চৌমুহনী বাজার সেতুর সামনে থেকে সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাব্বিরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ ফাইলেরিয়া হাসপাতালসংলগ্ন মতির মোড় এলাকায় শাহরিয়ার হোসেন ওরফে ফরহাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে পালসার, ডিসকভার ও হর্নেট ব্র্যান্ডের তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজনের মোটরসাইকেল চুরি ও চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। সাব্বিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর শহর থেকে চুরি করা হয়েছিল।
ওসি বলেন, এ চক্রের সঙ্গে আরো কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৈয়দপুরে মোটরসাইকেল চুরি প্রতিরোধ ও চোরাই যানবাহন উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির নাম উল্লেখ করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন ইশরাক।
এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাটি মূলত জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি মো. আবদুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে মামলার ৯ নম্বর আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বোরহান ইশরাক বলেন, ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির ফেসবুক লাইভে এসে বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার প্রশ্ন, এ ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কোথায় ছিলেন এবং বিএনপির কোনো নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে হামলা কিংবা চাঁদা দাবির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে কি না।
তিনি বলেন, “যেখানে ঘটনার তদন্তে জমি-বিরোধের বিষয় সামনে এসেছে, সেখানে বিএনপিকে ‘চাঁদাবাজ দল’ বলার ভিত্তি কী—সালমান মুক্তাদিরকে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।”
বোরহান ইশরাক আরও বলেন, কারও স্টুডিওতে হামলা বা ভাঙচুর হলে অবশ্যই জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ তোলাও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির বিরুদ্ধে সালমান মুক্তাদিরের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারা চাঁদা চেয়েছে, তাদের নাম ও প্রমাণ সামনে আনা উচিত।
একই সঙ্গে বিএনপিকে নিয়ে কোনো বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান জানান বোরহান উদ্দিন ইশরাক।
বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, “অপরাধীদের বিচার যেমন চাই, তেমনি বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও প্রমাণহীন অভিযোগের জন্যও জবাবদিহি চাই।”
এ ঘটনায় প্রয়োজনে মানহানি ও মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বোরহান উদ্দিন ইশরাক
সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
ঢাকা কলেজ ছাত্রদল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে ব্রাজিল নিজেদের দখলে রেখেছে দুই ম্যাচের সিরিজ। ব্রিসবেনের সানকর্প স্টেডিয়ামে ৫২ হাজার ৪২৩ জন সকারুস দর্শকের উল্লাস সেলেসাওদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। প্রথমার্ধে ২-২ সমতা থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের আক্রমণাত্মক খেলার ধারায় ম্যাচটি নিজেদের করে নেয় রাফিনহারা।
এবিসি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিল চমক দেখায়। মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় একটি চমৎকার বিল্ড-আপ থেকে লক্ষ্যভেদ করে দলের জন্য এগিয়ে যান ডিফেন্ডার ভ্যান্ডারসন।
তবে শুরুতে এই ধাক্কা সামলে দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরে আসে টনি পোপোভিকের অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের ২৮ মিনিটে আলেসান্দ্রো সিরকাটি গোলে পুরো গ্যালারি উল্লাসে ফেটে পড়ে।
কনর মেটকালফের নিখুঁত ক্রস থেকে দারুণ ফ্লিকে অস্ট্রেলিয়াকে ১-১ সমতায় ফেরান আলেসান্দ্রো সার্কাটি। শুরুর দিকে অফসাইডের বাঁশি বাজালেও ভিএআর পরীক্ষার পর গোলটি বহাল থাকে।
সমতায় ফেরার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের এক দর্শনীয় দূরপাল্লার শটে সকারুজদের ২-১ ব্যবধানে লিড এনে দেন মিডফিল্ডার কনর মেটকালফে।
প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে, বক্সের ভেতরে দানিলো ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের সাহায্যে ব্রাজিল পেনাল্টি পায়। স্পট-কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করে ম্যাচ ২-২ সমতায় নিয়ে আসেন রাফিনহা।
দ্বিতীয়ার্ধে কার্লো আনচেলত্তির দল আরো বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ৬৯ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় এন্ড্রিকের বাড়ানো পাস থেকে দারুণ এক মাইনাসে বল পেয়ে জালে জড়াতে ভুল করেননি ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক ব্রুনো গিমারায়েস। এতে ৩-২ ব্যবধানে লিড পুনরুদ্ধার করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
৮০ মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে বক্সের ভেতর ফাউল করা হলে ম্যাচ রেফারি ব্রাজিলের পক্ষে দ্বিতীয় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। নিজের আদায় করা পেনাল্টি থেকে গোল করেন তিনি। ফলে ৪-২ গোলে জয় নিশ্চিত করে আনচেলত্তির শিষ্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ