বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ পি.এম
দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাই মাসে অভিযানের মাধ্যমে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ১০৪টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত ৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত ১০৪টি অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৬৫টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩৯টি বিদেশি অস্ত্র। এসব অস্ত্র উদ্ধার করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে, মানবাধিকার রক্ষা করতে ও সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব কাজ করছে। একই সঙ্গে অপরাধ চিহ্নিত করে প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীদের আইনগতভাবে গ্রেপ্তারের জন্য, ভবিষ্যতেও র্যাব আরও দৃঢ়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের জন্য সেবা দিতে আমরা সর্বদা নিজেদের নিয়োজিত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ক্ষেত্রে জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মো. জিয়াউল মোর্শেদকে হঠাৎ করেই পরিবর্তন করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম।
আলমগীর কুমকুম বলেন, রহস্যজনকভাবে মামলার তদন্তকর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর আগে সিআইডি প্রধানকেও পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু একজন তদন্তকর্মকর্তা যখন একটি মামলা নিয়ে কাজ শুরু করেন, তখন তিনি মোটামুটি অনেকটা পথ অতিক্রম করার পর তাকে পরিবর্তন করে দেয়া হয়। এটা কি ধরনের আইন? আবার নতুন কেউ এসে শুরু থেকে শুরু করেন। হঠাৎ করে দেখা যায় কিছু দিন পর তিনিও পরিবর্তন হন।
এভাবে একটি মামলা বছরের পর বছর ধরে কৌশলে নিয়ে যাওয়া হয়, মামলার মেরিট নষ্ট করে দেওয়া হয়।
সালমানের মামা সরকারের কাছে দাবি করেন, কোনো মামলার তদন্তকর্মকর্তা যখন দায়িত্ব পালন করছেন, তখন যেন বদলি বা ওই কাজ থেকে অব্যাহতি না দেওয়া হয়। হাতে থাকা সমস্ত মামলা শেষ করার পর তাকে পরিবর্তন করা উচিত। তাহলে অনেকাংশে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমবে এবং মামলার গতিও থাকবে।
তদন্তকর্মকর্তা জিয়াউল মোর্শেদকে পরিবর্তনের বিষয়ে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে গুপ্তছড়া-কুমিরা নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে পারেননি এক বীর মুক্তিযোদ্ধা। দীর্ঘক্ষণ ঘাটে অপেক্ষার পর বুধবার সকাল ১১টার দিকে গুপ্তছড়া ঘাটেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়ার উদ্দেশ্যে গুপ্তছড়া ঘাটে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো স্পিডবোট পাওয়া যায়নি। রোগী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জরুরি ভিত্তিতে তাকে পারাপারের প্রয়োজন—এ কথা জানিয়ে অনুরোধ করা হলেও স্পিডবোটের ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ স্বজনদের। একপর্যায়ে ঘাটেই চিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্পিডবোট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, ঘাটের আধিপত্য ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে নৌরুটে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এর জেরে স্পিডবোট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘আরকে এন্টারপ্রাইজ’ ও ‘আদিল এন্টারপ্রাইজ’ কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সেবা বন্ধ করে দেয় বলে দাবি তাদের।
স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় শুধু রোগী নয়, সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াতকারী শত শত সাধারণ যাত্রীও দুর্ভোগে পড়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্পিডবোট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর স্পিডবোট সেবা চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হালদার বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ থানায় আসেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার ছাদ থেকেই প্রায় ১ হাজার ৭৬৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
এতে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ পূরণ করা যেতে পারে। অথচ অর্থায়ন সংকট এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বর্তমানে এই সম্ভাবনার মাত্র ৩ শতাংশ কাজে লাগানো যাচ্ছে। এমন তথ্য উঠে এসেছে সিপিডির এক গবেষণায়।
গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশই চুক্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে না। ফলে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না।
প্রায় এক মাস ধরে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে দেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়ে ওঠেছে।
এতে শিল্প খাতে উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। একইসঙ্গে রফতানি ক্রয়াদেশ হারানোর ঝুঁকিতেও পড়ছেন উদ্যোক্তারা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত এক আলোচনায় শিল্প খাতের সংশ্লিষ্টরা এসব তথ্য জানান। তারা বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং সামলাতে হচ্ছে শিল্পকারখানাগুলোকে। এ পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে পারে সম্ভাব্য সমাধান।
সিপিডির গবেষণা বলছে, দেশের তৈরি পোশাক কারখানার ছাদ থেকেই প্রায় ১ হাজার ৭৬৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এতে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১৪ শতাংশ পূরণ করা যেতে পারে। কিন্তু পরিকল্পিত বিনিয়োগের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে নীতিগত জটিলতা।
প্রাথমিকভাবে মূল্যায়িত প্রকল্পগুলোর মাত্র ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ সৌরবিদ্যুতের চুক্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের সদিচ্ছার ঘাটতি এবং জটিল কর কাঠামোর কারণে সম্ভাবনাময় হওয়া সত্ত্বেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত এগোতে পারছে না।
আলোচনায় সবুজ জ্বালানি খাতে সফট লোন এবং সিঙ্গেল ডিজিট সুদের ঋণ সুবিধা বাড়ানোর তাগিদ দেয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন এক সময় ১১ সন্তানের মা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তবে প্রেমের সম্পর্কের এক তিক্ত অভিজ্ঞতা ও মানসিক নির্যাতনের কারণে এখন আর মা হওয়ার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন ‘প্রেমাম’খ্যাত এই অভিনেত্রী।
ধ্যান ভার্মার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেন। অনুপমা জানান, তিনি প্রায় দুই বছর একটি সম্পর্কে ছিলেন এবং এ সময় প্রেমিকের কাছ থেকে মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। যদিও সেই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি তিনি।
তিনি বলেন, সম্পর্কের সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যে তিনি নারী হওয়ার জন্যও লজ্জাবোধ করতেন। অভিনেত্রী হওয়ার আত্মবিশ্বাসী হওয়া কিংবা নিজের স্বাভাবিক শারীরিক বিষয় নিয়েও তাঁকে অপরাধবোধে ভুগতে হতো।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, প্রেমিকের কোনো ভুল নিয়ে প্রশ্ন তুললেই সেটিকে তার পিরিয়ড বা পিএমএসের সঙ্গে যুক্ত করা হতো। ফলে ধীরে ধীরে তিনি নিজের অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়াকেই ভুল মনে করতে শুরু করেন।
এক সময় ১১টি সন্তান নেওয়ার স্বপ্ন দেখলেও, সেই সম্পর্কের অভিজ্ঞতার পর তার চিন্তাভাবনা পুরোপুরি বদলে গেছে। অনুপমা বলেন, এখন তিনি সন্তানই চান না। সম্পর্কের সেই সময়ে একজন নারী হওয়া এবং নিজের অর্জনগুলো নিয়েও তার খারাপ লাগত।
নিজের এই অভিজ্ঞতাকে ‘নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজ’ বা আত্মমুগ্ধতাজনিত মানসিক নির্যাতন হিসেবে উল্লেখ করেন অনুপমা। অভিনেত্রী ম্যাডোনা সেবাস্তিয়ান-এর একটি ইনস্টাগ্রাম রিল দেখার পর তিনি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পান বলেও জানান।
ওই কঠিন সময়ে তার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওজনও কমে গিয়েছিল। অনুপমার মনে হতো, তিনি ধীরে ধীরে নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছেন।
প্রেমিকের নাম প্রকাশ না করলেও বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন রয়েছে, দক্ষিণী অভিনেতা-গায়ক ধ্রুব বিক্রমের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন অনুপমা। তবে এ বিষয়ে অনুপমা বা ধ্রুবের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হওয়া অনুপমা পরমেশ্বরন ‘প্রেমাম’ সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের নজর কাড়েন। এরপর দক্ষিণী সিনেমার বিভিন্ন ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ