বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:৫৯ পি.এম
ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন এক সময় ১১ সন্তানের মা হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তবে প্রেমের সম্পর্কের এক তিক্ত অভিজ্ঞতা ও মানসিক নির্যাতনের কারণে এখন আর মা হওয়ার ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন ‘প্রেমাম’খ্যাত এই অভিনেত্রী।
ধ্যান ভার্মার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেন। অনুপমা জানান, তিনি প্রায় দুই বছর একটি সম্পর্কে ছিলেন এবং এ সময় প্রেমিকের কাছ থেকে মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। যদিও সেই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি তিনি।
তিনি বলেন, সম্পর্কের সময় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যে তিনি নারী হওয়ার জন্যও লজ্জাবোধ করতেন। অভিনেত্রী হওয়ার আত্মবিশ্বাসী হওয়া কিংবা নিজের স্বাভাবিক শারীরিক বিষয় নিয়েও তাঁকে অপরাধবোধে ভুগতে হতো।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, প্রেমিকের কোনো ভুল নিয়ে প্রশ্ন তুললেই সেটিকে তার পিরিয়ড বা পিএমএসের সঙ্গে যুক্ত করা হতো। ফলে ধীরে ধীরে তিনি নিজের অনুভূতি ও প্রতিক্রিয়াকেই ভুল মনে করতে শুরু করেন।
এক সময় ১১টি সন্তান নেওয়ার স্বপ্ন দেখলেও, সেই সম্পর্কের অভিজ্ঞতার পর তার চিন্তাভাবনা পুরোপুরি বদলে গেছে। অনুপমা বলেন, এখন তিনি সন্তানই চান না। সম্পর্কের সেই সময়ে একজন নারী হওয়া এবং নিজের অর্জনগুলো নিয়েও তার খারাপ লাগত।
নিজের এই অভিজ্ঞতাকে ‘নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজ’ বা আত্মমুগ্ধতাজনিত মানসিক নির্যাতন হিসেবে উল্লেখ করেন অনুপমা। অভিনেত্রী ম্যাডোনা সেবাস্তিয়ান-এর একটি ইনস্টাগ্রাম রিল দেখার পর তিনি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পান বলেও জানান।
ওই কঠিন সময়ে তার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওজনও কমে গিয়েছিল। অনুপমার মনে হতো, তিনি ধীরে ধীরে নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছেন।
প্রেমিকের নাম প্রকাশ না করলেও বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন রয়েছে, দক্ষিণী অভিনেতা-গায়ক ধ্রুব বিক্রমের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন অনুপমা। তবে এ বিষয়ে অনুপমা বা ধ্রুবের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হওয়া অনুপমা পরমেশ্বরন ‘প্রেমাম’ সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের নজর কাড়েন। এরপর দক্ষিণী সিনেমার বিভিন্ন ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।
বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকার পরও গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়ন করতে পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো এবং টাকার মান কমানো হয়েছিল। সেই হিসেবে গত মাসে দেশের আন্ত ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে প্রায় ১ টাকা বেড়েছিল। তবে সম্প্রতি ডলারের দাম আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত মাসের শুরুতে আন্ত ব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল।
এরপর সেটি বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে আজ সেটি ১২২ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২০ আগস্ট ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ২০ পয়সা
ইউরো : ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ২৯ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৮৬ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ১১ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৯৩ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৫ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৩৪ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৫২ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৪ টাকা ০৪ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ০৮ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
যদিও আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত মাসে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে বর্তমানে সেটি আগের থেকে অনেকটা কমে আজ ১২২ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, গত মাসের শুরুতে ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও মাসের শেষ দিকে সেটি ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে আজ ১২২ টাকা ২০ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ওষুধ এনে হাসপতালে এসে দেখতে পাই আমার মেয়েকে অ্যাম্বুল্যান্সে উঠানো হচ্ছে। দেখি শ্রাবণীর মুখ কাপড়ে ঢাকা, কী হয়েছে কিছুই বুঝতে পারিনি।’ – এভাবেই বলছিলেন রংপুরের পীরগঞ্জের মাতৃসদন ক্লিনিকে নবজাতকসহ মারা যাওয়া প্রসূতির বাবা মতিহার রহমান। তিনি দাবি করেছেন, চিকিৎসা অবহেলার কারণে তার মেয়ের মৃত্যু ঘটেছে।
নিহত প্রসূতির নাম শ্রাবণী বেগম (১৯)। তিনি গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ইসলামপুর ছাইগাড়ী গ্রামের রোহানের স্ত্রী। তার বাবার নাম মতিয়ার রহমান। স্বজনরা জানিয়েছেন, শ্রাবণী তার বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে ছিলেন।
নিহতের স্বজনরা বিস্তারিত জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত ৮টায় শ্রাবনী তার মা-খালাকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য নগর মাতৃসদনে যান। সেখানে প্রেসার চেক-আপের পর সিজারের জন্য ফি পরিশোধ করতে বলা হয়।
টাকা পরিশোধের পর প্রসূতি শ্রাবনীকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। থিয়েটারে তাকে প্রায় দুই ঘণ্টা অর্থাৎ রাত ১১টা পর্যন্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. আহসানুল আবেদীন মামুন রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন উল্লেখ করে তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে মুখ কাপড় দিয়ে ঢেকে শ্রাবনীকে এম্বুলেন্সে উঠানো হয়। রংপুর মেডিক্যালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। যদিও স্বজনদের দাবি, অপারেশন থিয়েটারের ভেতরেই প্রসূতি ও তার সন্তানের মৃত্যু হয়েছিল।
শ্রাবণীর বাবা মতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, মাতৃসদন ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে আমাদের ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করানোর পর অন্যত্র নিয়ে যেতে বলেন। তবে মাতৃসদন ক্লিনিকে থাকতেই তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা তার মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে বিচার দাবি করেছেন শ্রাবণীর স্বজনরা। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে নগর মাতৃসদনের ক্লিনিক ম্যানেজার ডা. মো. আহ্সানুল আবেদীন মামুন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেছেন, ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধের একাধিকবার মৌখিক নির্দেশ দেওয়ার পরও কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’
পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাতৃসদন কেন্দ্রে পৌরসভার তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান বন্ধ রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে (ইউএনও) জানান রোগী একলামেশিয়া রোগে আক্রান্ত ছিল। প্রেসার বেশি হওয়ার কারণে খিঁচুনি উঠে বলে জেনেছি। সিভিল সার্জন তদন্ত করলেই প্রকৃত কারণ উৎঘাটন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ফ্রেন্ডস’ খ্যাত মার্কিন অভিনেতা ম্যাথিউ পেরির ৫৭তম জন্মদিনে তাঁর মা সুজান মরিসন তাঁকে স্মরণ করেছেন। তিনি একটি পুরনো ছেলের ছবি শেয়ার করে বললেন যে, জীবন শেষে মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াই করা মানুষের সাহায্য করতে চেয়েছিলেন ম্যাথিউ।
এই স্মৃতিচারণ সুজানের পক্ষ থেকে ম্যাথিউ পেরি হাউসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে রয়েছে ম্যাথিউকে ছোটবেলায় খাওয়ানোর একটি পুরনো পারিবারিক ছবিও।
১৯ আগস্ট ছিল ম্যাথিউর জন্মদিন, ১৯৬৯ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সুজান জানান, ম্যাথিউর জন্মের দিনটির কথা তিনি স্পষ্ট মনে রাখতে পারেন। তিনি ছেলের কঠিন সময়গুলোও মনে পড়েন। ওই সময় ম্যাথিউ তাঁর আসক্তির বিষয়টি লুকিয়ে রেখেছিলেন, এমনকি তাঁর মায়ের কাছ থেকেও।
সুজান সন্তানের স্মরণে বলেন, ম্যাথিউ ছিলেন ভালোবাসাপূর্ণ, প্রাণবন্ত এবং মজার একজন মানুষ। তবে তিনি একগুঁয়েও ছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, তিনি সুস্থ হতে চেয়েছিলেন। সুজান বললেন, তিনি ছেলেকে ভীষণ মিস করেন এবং প্রতিদিন তার কথা মনে পড়ে।
ম্যাটিউর জীবনের শেষ দিনগুলোর কথা উল্লেখ করে সুজান জানান, তিনি বলতেন যে, আসক্তি সমস্যায় থাকা তার মতো মানুষের সাহায্য করতে চান। যদিও ম্যাথিউ নিজে এখন তা করতে পারছেন না, তবে অন্যরা তা পূরণ করতে পারে বলে মনে করেন সুজান।
‘ফ্রেন্ডস’ সিরিজে চ্যান্ডলার বিং চরিত্রে অভিনয় করে ম্যাথিউ বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। তিনি ২৮ অক্টোবর ২০২৩ সালে ৫৪ বছর বয়সে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে কেটামিনের তীব্র প্রভাবকে দায়ী করা হয়।
মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে ম্যাথিউর সহকারী কেনেথ ইওয়ামাসা জানান, মৃত্যুর আগের কয়েক দিন তিনি অভিনেতাকে একাধিকবার কেটামিনের ইনজেকশন দিয়েছিলেন। মৃত্যুর দিনও তিনবার কেটামিন দেওয়া হয়েছিল।
ঐদিন ম্যাথিউ দুই ডোজ কেটামিন নেওয়ার পর বড় ডোজ দেওয়ার জন্য সহকারীকে বলেছিলেন। পরে ইওয়ামাসা কাজে গিয়ে ফিরে এসে ম্যাথিউকে জ্যাকুজিতে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
আদালতে সাজা ঘোষণার পর কাউন্ট কেনেথ ইওয়ামাসা ম্যাথিউর পরিবার ও বন্ধুদের কাছে ক্ষমা চান। সেখানে ম্যাথিউর মা সুজান ও তার স্বামী কিথ মরিসনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করে বলেন, এই ঘটনার জন্য তিনি সারা জীবন অনুতপ্ত থাকবেন এবং ম্যাথিউর স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন এক প্রেমের গল্প নিয়ে ছোট পর্দায় দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজনীন নাহার নিহা। নির্মাতা ইমরাউল রাফাতের নতুন নাটক ‘মনের মতো মন’-এ দেখা যাবে তাকে।
এই নাটকে দেখা যাবে তাকে ইয়াশ রোহান-এর বিপরীতে অভিনয় করতে।
ভালোবাসার ভিন্নধর্মী এবং আবেগঘন গল্পে অভিনয়ের জন্য ইতিমধ্যে ছোট পর্দায় নজর কেড়েছেন নিহা। তিনি বলেন, “চমৎকার চিত্রনাট্য আর চরিত্রের গভীরতা পছন্দ হওয়ায় নতুন এই কাজটিতে যুক্ত হয়েছি।” ইয়াশ-নিহা জুটির রসায়নের পাশাপাশি গল্পনির্ভর নাটকে থাকবে অভিজ্ঞ তারকাদের শক্ত উপস্থিতি।
নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সানজিদা হিমু, আজিজুল হাকিম, চিত্রলেখা গুহ, সাবেরী আলম, মানস বন্দ্যোপাধ্যায় ও কচি খন্দকারের মতো একঝাঁক গুণী অভিনয়শিল্পী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ