বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ পি.এম
চাঁদপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
"করবো কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" ‘চেতনায় নারী, বিপ্লবে নারী, গণতন্ত্র ফেরাতে আমরাই পারি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁদপুরে আজ ৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আজ বুধবার বিকাল ৩ টায় জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোড এলাকায় অবস্থিত জেলা বিএনপির দলীয় প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন লেকেরপাড় 'অঙ্গীকার' এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় জেলা ও বিভিন্ন পর্যায়ের মহিলা দলের অসংখ্য নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে, দলীয় কার্যালয়ে জেলা মহিলা দলের সভাপতি মুনিরা বেগম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা মুক্তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম সলিম উল্যা সেলিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. কোহিনুর বেগম। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন খান বাবুল, দেওয়ান মো. সফিকুজ্জামান, খলিলুর রহমান গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনীর চৌধুরী, হাহী মো. মোশারফ হোসাইন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নুরুল আমিন খান আকাশ, জেলা মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাইমা মোশারফ, অ্যাড. ইয়াসমিন কচি, যুগ্ম সম্পাদক নাহিদা সেতু সহ জেলা উপজেলা ও পৌর মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্যা সেলিম বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষের কল্যাণে নারীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। রাজপথের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বলেন, চাঁদপুর ৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের নেতৃত্বে চাঁদপুরে মহিলা দল আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আগামী দিনের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাহস, নিষ্ঠা ও ঐক্যের সঙ্গে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংবর্ধনা ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এ সংবর্ধনা ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানটি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ৭১ জন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট ও এককালীন নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। একই সাথে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে ফলজ গাছের চারা প্রদান করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
সদ্য সমাপ্ত এসএসসি পরীক্ষায় ১২০২ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী বায়েজিদ ইবনে ওবায়েদ বলেন, ‘নিজ জেলার জেলা পরিষদ থেকে এ ধরনের সংবর্ধনা পাওয়া আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমার এই ফলাফলের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী অমিত হাসান বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন আগে দেখিনি। আমাদের জন্য এটি অত্যন্ত আনন্দের ও অনুপ্রেরণার। এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমরা জেলা পরিষদের কাছে কৃতজ্ঞ।’ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নানা ধরনের কর্মসূচি রয়েছে। তার মধ্যে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা ও মেধার বিকাশে সহায়তা করা অন্যতম। শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। অথচ আমাদের লিড দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। সেই ধারণা থেকেই আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।’
কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তোমাদের ফলাফলে আমরা গর্বিত। মেধাবীদের পাশে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ আছে এবং থাকবে। আমরা নেগেটিভ নারায়ণগঞ্জ নয়, পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ চাই।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে বোর্ড পরীক্ষায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রথম হবে। শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যারা প্রতিভাবান, তাদের খুঁজে বের করে সম্মানিত করা হবে। মেধাবীদের জন্য জেলা পরিষদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নিজেকে প্রশ্ন করতে শিখতে হবে। নিজেকে জানতে হবে। নিজের ভেতর থেকেই সবকিছু জানার ও বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্ণীছড়ি সেনা জোন কর্তৃক ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ
খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্ণীছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ঢেউটিন ও অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে লক্ষীছড়ি উপজেলার লক্ষীছড়ি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের ঘর মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ঢেউটিন এবং নগদ ৩ হাজার টাকা প্রদান করা হয় জোনের এ্যাডজুটেন্টের মাধ্যমে। প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন এই অনুদান গ্রহণ করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাঁশরী রেপার্টরি থিয়েটার শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত নাটক ‘আলেয়া’ মঞ্চায়ন করেছে। ঢাকার ৪১৬ বছর উদযাপনের অংশ হিসেবে শিল্পকলা একাডেমিতে চলমান নয়দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের চতুর্থ দিন বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে নাটকটি প্রদর্শিত হয়।
দ্রোহ, প্রেম, চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন গোলাম সারোয়ার। নাটকের মূল বিষয় হলো ত্রিভুজ প্রেম, প্রেমের স্বরূপ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও তার ট্র্যাজিক পরিণতি।
নাটকের কাহিনী রাজা মীনকেতু, চন্দ্রকেতু এবং অন্য রাজ্যের রানী জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এছাড়া কৃষ্ণা, উগ্রাদিত্যসহ আরও কিছু চরিত্র নিয়ে নজরুলের অমর সৃষ্টি ‘আলেয়া’ রচনা করা হয়েছে। নাটকে জয়ন্তী একটি আকর্ষণীয় ও জাদুকরী নারী চরিত্র। তার প্রেমের ব্যাকুলতা, সিদ্ধান্তহীনতা এবং আবেগের তীব্রতা চারপাশের পুরুষ চরিত্রগুলোকে মোহিত ও বিভ্রান্ত করে। মরুভূমির মরীচিকা বা ‘আলেয়া’ যেমন দূর থেকে আলো দেখায় কিন্তু কাছে গেলে তার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব বা স্থায়িত্ব মেলে না, তেমনি জয়ন্তীর প্রেম ও আচরণ চারপাশের মানুষদের জন্য আলেয়ার ছলের মতো ধোঁয়াশাপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে। প্রেমের এই রূপ ও স্বরূপ খুঁজতে গিয়ে এবং জয়ন্তীর অনিশ্চিত আবেগের নাগাল পেতে গিয়ে চরিত্রগুলোর জীবনে চরম হতাশা ও ট্র্যাজেডি নেমে আসে। নজরুল এখানে দেখিয়েছেন কীভাবে সমাজ ও প্রথার ঊর্ধ্বে গিয়ে বা আবেগের বশে মানুষ ভালোবাসার পিছে ছুটে বিভ্রান্ত হয়।
বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাঁশরী রেপার্টরি থিয়েটারের নিয়মিত অভিনয় শিল্পীরা। ১৯৩১ সালে প্রকাশের পর ওই বছরই প্রথম মঞ্চস্থ হয় কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রূপকধর্মী গীতি-নাট্য বা নাটক ‘আলেয়া’।
প্রথমে এর নাম দেওয়া হয়েছিল 'মরুতৃষ্ণা', যা পরে পরিবর্তন করে ‘আলেয়া’ রাখা হয়।
সন্ধ্যা সাতটায় নাটক মঞ্চায়নের আগে উৎসবের অংশ হিসেবে বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনের বাইরের উন্মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উৎসবের পঞ্চম দিন বৃহস্পতিবার একই সময়ে একই মিলনায়তনে মঞ্চায়ন হবে আরণ্যক নাট্যদল প্রযোজিত এবং মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত নাটক ‘কম্পানি’। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার শেষ হবে নয়দিনের এই নাট্যোৎসব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তৃণমূল পর্যায় থেকে কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে।
বুধবার বিকেলে বগুড়ায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এ তথ্য জানান।
আমিনুল হক উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজও চলছে।
তিনি বগুড়ায় ‘আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, বগুড়ায় দ্রুত একটি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
খেলার মাঠে দর্শকদের বসার জায়গার অভাবের বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাঠের চারপাশে দ্রুত গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে সেই গ্যালারিতে বসে দর্শকরা স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।
আমিনুল হক নিজের পুরোনো স্মৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন, নির্বাচনের কিছুদিন আগে তিনি নিজে এই মাঠে খেলেছিলেন। সেই মাঠে আবার ফাইনাল ম্যাচের খেলায় উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি সত্যিই আনন্দিত।
দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় শহরে খেলাধুলা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তরুণদের মাদক ও বিভিন্ন আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সুযোগ আরও বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, "আমরা আমাদের সন্তানদের ডিভাইসের হাত থেকে দূরে রাখতে চাই।" পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে দর্শক সারিতে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, "আমরা সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ, মাদকমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।"
জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে বগুড়া সিটি করপোরেশন চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ