০৪:২৬ পি.এম
কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকায় ছাত্রদল নেতা ইশফাতুল ইসলাম জিসান (২৭) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, প্রেমের সম্পর্ক এবং আর্থিক লেনদেনের কারণে বিরোধের জেরে ভাড়াটে লোক দিয়ে অপহরণের পর পরিকল্পিতভাবে জিসানকে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে থানায় সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করে পুলিশ। চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল আজিজ এ বিষয়ে ব্রিফিং করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যায় জড়িত পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা এবং অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের অভিযান চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া দুই চালক আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তারা হত্যার রহস্যও আদালতকে জানিয়েছে।’
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের দক্ষিণ লোটনী গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে আনোয়ার হোসেন, যিনি কাল্লু ড্রাইভার হিসেবে পরিচিত, এবং অপহরণে ব্যবহৃত নোয়া গাড়ির চালক জিসাত মিয়া, যিনি শওকত ড্রাইভার নামে পরিচিত, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং এলাকার বাহাদুর আলমের ছেলে।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওসি মো. আরিফুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূর আলম মাসুম সিদ্দিকীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারার মাইজ কাকারা এলাকা থেকে কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ইশফাতুল ইসলাম জিসানকে একটি সাদা রঙের নোয়া গাড়িতে তুলে অপহরণ করা হয়। এরপর ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে চকরিয়ার খুটাখালীর মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের পাহাড়ি জঙ্গলের ভেতর থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জিসানের বড় ভাই কাইচার হামিদ বাদী হয়ে প্রেমের সম্পর্কের রেজিয়া সুলতানা, তার চার প্রবাসী ভাই বিএনপি নেতা জকরিয়া, নাজিম উদ্দিন, মিজানুর রহমান ও মিনহাজ উদ্দিন, বেগম নাজিম, একে তারেকসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ১৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন