০৩:১৮ পি.এম
সাজেকের পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা করেছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন। রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে এই অবরোধ শুরু হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর সশস্ত্র তৎপরতা ও হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
সংগঠন দুটি জানায়, ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়ার পরও তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির বিষয়টি তুলে ধরেন সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা এবং সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা।
বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেন, জেএসএস সন্তু গ্রুপের নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকে অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। ৮ অক্টোবরের সমাবেশ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হলেও প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বরং প্রতিবাদকারীদের দোকান ও বাসাবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪
নেতারা বলেন, সাজেকের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষার দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা সাজেক ইউনিয়নসহ বাঘাইছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার যানবাহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতাও চেয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অবরোধ চলাকালে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, মরদেহ বহনকারী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন, সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে।
অভিযোগ করা হয়, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর মদদে জেএসএস সন্তু গ্রুপের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকের ভুয়োছড়ি, চাইল্যাতলী ও মাচলং ক্যাম্পের আশপাশে অবস্থান করছে এবং স্থানীয় লোকজনকে হুমকি দিচ্ছে। ২৯ সেপ্টেম্বর ওই গোষ্ঠীর ছোড়া গুলিতে কস্মিতা ত্রিপুরা (৮) নামে এক শিশু আহত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। সংগঠন দুটির নেতারা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সশস্ত্র গোষ্ঠীটিকে সরিয়ে নিয়ে সাজেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন