ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশীয় শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: ফকির মাহবুব আনাম


দেশীয় শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: ফকির মাহবুব আনাম

সরকার দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন যে, উৎপাদন খাতে দক্ষ মানবসম্পদ, উদ্ভাবন এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

মন্ত্রী আজ খুলনায় বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড এর কার্যক্রম পরিদর্শন করার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে একটি মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শক্তিশালী করার জন্য দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড দেশের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও এগিয়ে যেতে হবে, বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ অঞ্চলে পাঁচ সাংবাদিক হত্যা, বিচার না পেয়ে উৎকণ্ঠায় পরিবার

ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড বিভিন্ন প্রজন্মের ক্যাবল উৎপাদন করে। এখানে ক্রমাগত পুরোনো প্রযুক্তির বদলে নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সাথে কার্যকর পরিকল্পনা, মার্কেটিং নীতি গ্রহণ এবং দ্রুত বিতরণ ও প্রোঅ্যাকটিভ মার্কেটিং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানকে নিজের ভাবতে হবে, তবেই প্রতিষ্ঠানের উন্নতি সম্ভব। বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লি.-এর উন্নয়নে যা যা করা দরকার তাই করা হবে বলে মন্ত্রী কর্মকর্তা কর্মচারীদের আশ্বস্ত করেন।

মন্ত্রী ঘুরে দেখেন প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম, উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মন্ত্রী উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার প্রশংসা করেন এবং সকলকে সম্মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমানের মৃত্যু

নিরীক্ষণ ও পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড প্রাঙ্গণে দেশি আমের চারা রোপণ করেন এবং পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেট ২০২৬-২৭ প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও বাস্তবায়নের পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সম্পাদকীয়

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১২ এম


বাজেট ২০২৬-২৭ প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও বাস্তবায়নের পরীক্ষা

জাতীয় বাজেট শুধুমাত্র আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং উন্নয়ন কৌশলের প্রতিফলন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটও এই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন সরকারের প্রথম বড় নীতিগত ঘোষণাপত্র। এখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহ, মানব উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বাজেটের সাফল্য বাস্তবায়নের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। সরকার পরবর্তী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, দেশ গত কিছু বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলা করছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি মনে করছে, এই অবস্থায় মূল্যস্ফীতি দ্রুত সাড়ে ৭ শতাংশে নামানো সহজ হবে না। জ্বালানি সংকট, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, দুর্বল বিনিয়োগ পরিবেশ এবং বাজার ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা এই লক্ষ্য অর্জনের পথে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে। বাজেটের ইতিবাচক দিক হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া। সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অবস্থান প্রমাণ করে যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী করতে আগ্রহী। পাশাপাশি, তরুণ উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে কর-সুবিধা ও প্রণোদনার উদ্যোগগুলো ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য সম্ভাবনাময় বার্তা বহন করে। তবে উদ্বেগের বিষয়ও রয়েছে। প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকারকে ব্যাপক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হবে। বিশেষভাবে, ব্যাংকিং খাত থেকে বড় অঙ্কের ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতের ঋণপ্রাপ্তি ও বিনিয়োগে প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি, রাজস্ব আহরণের যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জন করাও সহজ হবে না। চলমান অর্থবছরের রাজস্ব সংগ্রহের পরিস্থিতি সেই আশঙ্কাকে আরও জোরালো করে। করের আওতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক হলেও টিআইএন বাধ্যতামূলক করা কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত করের চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রেও বাস্তবতা এবং জনভোগান্তির বিষয়টি সামনে আনা দরকার। অন্যদিকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর ছাড় এবং চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর শুল্ক কমানোর উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি এনে দিতে পারে। অতএব, এই বাজেটের মূল পরীক্ষা হচ্ছে বাস্তবায়ন। ঘোষিত লক্ষ্য, সংস্কার এবং অগ্রাধিকারগুলো যদি দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথ সুগম হতে পারে। অন্যথায়, উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যগুলো কেবল কাগজের স্তরে সীমাবদ্ধ থাকার আশঙ্কা থেকেই যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ দিনে দেশে এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৩ এম


১৫ দিনে দেশে এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ১৬২ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এটি বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি ৮৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা, যা প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে গণনা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরিফ হোসেন খান জানান, সোমবার (১৫ জুন) প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ১৩ কোটি ৩০ লাখ ১২ হাজার টাকা। গত বছরের জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৭ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। সুতরাং, সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে তিন হাজার ৪৩৮ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৮৯৮ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থাৎ, গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচ শুরু: এমবাপ্পের প্রত্যাবর্তন, নাকি মানের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩২ এম


ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচ শুরু: এমবাপ্পের প্রত্যাবর্তন, নাকি মানের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?

২০০২ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্স-সেনেগাল ম্যাচের একটি দৃশ্য। ফাইল ছবি

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রেফারি বাঁশি বাজানোর সঙ্গেই শুরু হয়ে গেল ফ্রান্স এবং সেনেগালের মধ্যকার হাইভোল্টেজ লড়াই। ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচটিকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।

 

 

কাগজে-কলমে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন ফ্রান্স এবারও টুর্নামেন্টের অন্যতম হট ফেভারিট হলেও মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে তাদের তাড়া করছে ২৪ বছর আগের পুরোনো এক ভূত। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে এই সেনেগালের কাছেই ১-০ গোলে হেরে স্তব্ধ হয়েছিল তত্কালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফরাসিরা। দীর্ঘ দুই যুগ পর আবারও যখন দল দুটি মুখোমুখি, তখন ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটাই প্রশ্ন—এমবাপ্পেরা কি পারবেন সেই পুরোনো হারের মধুর প্রতিশোধ নিতে, নাকি সাদিও মানের সেনেগাল আবারও কোনো নতুন রূপকথা লিখবে?

আজকের ম্যাচে ফ্রান্স তাদের পরিচিত আক্রমণাত্মক ছক নিয়ে মাঠে নেমেছে, যেখানে মূল নজর থাকবে কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং উসমান দেম্বেলের ওপর। অন্যদিকে, রক্ষণভাগে কালিদু কুলিবালি এবং আক্রমণে সাদিও মানের অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করে ফরাসিদের রুখে দিতে প্রস্তুত আফ্রিকান জায়ান্টরা। মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় আগামী ৯০ মিনিট নির্ধারণ করবে এক্ষুনি কার মুখে ফুটবে শেষ হাসি।

ফ্রান্সের একাদশঃ

মাইক মাইনিয়ঁ (গোলরক্ষক), দায়োত উপামেকানো, জুলস কুন্দে, উইলিয়াম সালিবা, থিও হার্নান্দেজ, অরেলিয়ান চুয়ামেনি, আদ্রিয়াঁ রাবিও, উসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, দেজিরে দুয়ে।

সেনেগালের একাদশঃ

এদুয়ার্দ মেন্দি (গোলরক্ষক), ক্রেপিন দিয়াতা, কালিদু কুলিবালি, মুসা নিয়াখাতে, এল হাজি মালিক দিউফ, লামিনে কামারা, ইদ্রিসা গেয়ে, পাপে গেয়ে, ইসমাইলা সার, নিকোলাস জ্যাকসন, সাদিও মানে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ১৫ দিনেই এলো ১৬২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, বেড়েছে প্রবাসী আয়ের গতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ এম


জুনের ১৫ দিনেই এলো ১৬২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, বেড়েছে প্রবাসী আয়ের গতি

চলতি জুন মাসের প্রথম ১৫ দিনেই দেশে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ৮৩ লাখ ডলার করে প্রবাসী আয় আসছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির লক্ষণ প্রকাশ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি অর্থবছরজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, জুনের প্রথম ১৫ দিনে দেশে ১৬২ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছর এই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১৪৭ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এর ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৪৩৮ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত মে মাসে দেশে এসেছে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এর আগে এপ্রিলে প্রবাহ এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্সের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মাসিক প্রবাহের রেকর্ড গড়ে গত মার্চে দেশের জন্য আসা ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার। জানুয়ারিতে প্রবাহ ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার এবং ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

ধারাবাহিকভাবে প্রবাসী আয় বাড়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। চলতি অর্থবছরের শেষভাগে যদি এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবাহ অব্যাহত থাকে, তবে প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%