ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাঁথিয়ায় সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিনামূল্যে মা ছাগল বিতরণ


সাঁথিয়ায় সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিনামূল্যে মা ছাগল বিতরণ

পাবনার সাঁথিয়ায় বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিনামূল্যে মা ছাগল বিতরণের বিশেষ প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সাঁথিয়া পৌর সদরের সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া দুস্থ অসহায় নারী ও পুরুষদের মধ্যে ১০ জোড়া (২০টি) মা ছাগল বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৃজনী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আকলিমা পারভীন। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আমিরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাঁথিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সাঁথিয়া পৌর প্রশাসক আসিফ রায়হান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাঁথিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ খালেদ সাইফুল্লাহ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস.এম সাইদ হোসেন, পৌর জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওঃ আব্দুল গফুর, এবং সাঁথিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হাই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সাব্বির হোসেন, ধোপাদহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক প্রমুখ।

আরও পড়ুন: নড়াইলে ঊষার আলো সূর্যসংঘের সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চারঘাটের বাজারে বছরের পর বছর ভোগান্তি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


চারঘাটের বাজারে বছরের পর বছর ভোগান্তি, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

দোকান ছিল এবং ব্যবসা ভালো চলছিল। এর মধ্যে বাজার আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে সেই দোকানঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছিল, নতুন মার্কেট নির্মাণ হলে আগের ব্যবসায়ীদেরই দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু মার্কেট নির্মাণের পর বছর পেরিয়ে গেছে। কেউ আট বছর, কেউ সাত বছর, আবার কেউ দুই বছর ধরে নতুন দোকানের জন্য অপেক্ষা করছেন। এর মধ্যে অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন, কেউ ঋণের বোঝা টানছেন। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার তিনটি বড় হাট-বাজার নন্দনগাছী, চৌমুহনী ও বাঁকড়ার চিত্র এমনই। এসব বাজারের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে কোটি কোটি টাকার মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। কোথাও নির্মাণ শেষে দীর্ঘদিন ধরে মার্কেট পড়ে আছে, কোথাও উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের পরও দোকান বরাদ্দ হয়নি।

নন্দনগাছীতে মার্কেটটি এখনো উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর হয়নি। এর মধ্যে দোকান বরাদ্দের নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাজার কমিটির বিরুদ্ধে। ফলে একদিকে দোকান হারিয়ে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন, অন্যদিকে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি স্থাপনা পড়ে থাকায় কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। একই সঙ্গে বাজার থেকে সরকারের সম্ভাব্য রাজস্বও কমছে।

সাত বছরেও দোকান ফেরত পাননি ৮২ ব্যবসায়ী

চারঘাট উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট নন্দনগাছী। এটি উপজেলার একমাত্র পশুর হাটও। গত বছর প্রায় ৮০ লাখ টাকায় হাটটি ইজারা দেওয়া হয়। প্রতিবছর বিপুল রাজস্ব আদায় হলেও দীর্ঘদিন এই হাটে সরকারি উদ্যোগে কোনো মার্কেট নির্মাণ করা হয়নি। উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, নন্দনগাছী হাট আধুনিকায়নের জন্য প্রায় ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দোতলা মার্কেট নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর নির্মাণকাজ শুরুর কথা ছিল এবং ২০২১ সালের ১০ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। ২০২০ সালের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। তবে মার্কেট নির্মাণের আগেই ২০১৯ সালের শুরুর দিকে পুরোনো দোকানঘরগুলো ভেঙে জায়গা খালি করা হয়। এতে ৮২ জন ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান হারান। এক বছরের মধ্যে নতুন দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে জানান ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁরা দোকান বুঝে পাননি।

দোকান বরাদ্দে লাখ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলজিইডির পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়নি। কিন্তু ২০১৯ সালে মার্কেট নির্মাণ শুরুর সময় দোকান বরাদ্দের কথা বলে তৎকালীন বাজার কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম ও ইউনিয়ন আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলহাস ইসলাম লিটন অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নেন।

সম্প্রতি বর্তমান বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম মজনু ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দোকান বরাদ্দের নামে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। নন্দনগাছী হাটের লবণ ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘মার্কেট নির্মাণের শুরুতে আওয়ামী লীগের নেতাদের টাকা দিয়েছি। মাস দুয়েক আগে আবার বর্তমান সভাপতি আব্দুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক মজনুকে তিন লাখ টাকা দিয়েছি। এখনো দোকান বরাদ্দ পাইনি।’ সিট-কাপড় ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সাত বছর ধরে দোকান বন্ধ থাকায় অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে ঢাকায় কাজ করছেন। আমি দুই দফায় ঋণ করে টাকা দিয়েও এখনো দোকান বুঝে পাইনি।’

তবে অভিযোগের বিষয়ে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম মজনু তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় পক্ষে-বিপক্ষে লোক থাকে। এখানে একটি পক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কারও কাছ থেকে টাকা নিইনি।’ ব্যবসায়ীদের আরো অভিযোগ, বর্তমান বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোনো নির্বাচন ছাড়াই দায়িত্বে রয়েছেন। সভাপতি আব্দুল খালেক একটি কলেজের অফিস সহকারী এবং সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম মজনু একজন স্কুলশিক্ষক।

আট বছরেও চালু হয়নি চৌমুহনী মার্কেট

নন্দনগাছীর মতো চৌমুহনী বাজারেও দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে সরকারি মার্কেট। উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের এই বাজারের উন্নয়নে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের নভেম্বরে মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলে মার্কেটটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর কেটে গেছে প্রায় আট বছর। কিন্তু এখনো দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। মার্কেট নির্মাণের সময় বাজারের ১৫ ব্যবসায়ীর দোকান ভেঙে ফেলা হয়েছিল। নতুন মার্কেটে তাঁদের দোকান দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তাঁরা তা পাননি। চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মোক্তার হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দোকান বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা অনেকের কাছ থেকে টাকাও নিয়েছিল। কিন্তু দোকান বরাদ্দ হয়নি। এখনো হচ্ছে না। সরকারি সম্পদ পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে, আর আমরা ব্যবসা করতে না পেরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি।’ চৌমুহনী বাজার কমিটির সভাপতি জাহিদুল করিম বলেন, ‘দোকান বরাদ্দের নামে কেউ টাকা নিয়েছে কিনা আমার জানা নেই। নানা কারণে বারবার উদ্যোগ নিয়েও মার্কেট চালু হয়নি। চেষ্টা চলমান আছে।’

দুই বছরেও বরাদ্দ হয়নি বাঁকড়ায়

উপজেলার ভায়ালক্ষ্ণীপুর ইউনিয়নের বাঁকড়া বাজারেও একই চিত্র। প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালে মার্কেট নির্মাণ করা হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে এলজিইডি মার্কেটটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও দোকান বরাদ্দ হয়নি। বাজারের পুরোনো ব্যবসায়ীদের অনেকের দোকান ভেঙেই নতুন মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু নতুন মার্কেটে তাঁদের জায়গা না পাওয়ায় তাঁরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। বাঁকড়া বাজারের ব্যবসায়ী বাচ্চু আলী বলেন, ‘আমার দুটি দোকান সেখানে ছিল। আমার মতো আরও অনেকের দোকান ভেঙে মার্কেট করা হয়েছে। কিন্তু এখন আর দোকান বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না। দোকানের জন্য আবেদন করে রেখেছি। দিনের পর দিন ঘুরেও দোকান পাচ্ছি না।’ বাঁকড়া বাজার কমিটির সভাপতি শামীম রানা সুমন বলেন, ‘আমিও গত এক বছর ধরে দোকান বরাদ্দ করানোর জন্য ঘুরছি। ব্যবসায়ীরা বারবার আমার কাছে আসছেন। উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।’

দায়িত্ব প্রশাসনের, অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা

তিন বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ও দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ফারুক হোসেন বলেন, ‘বাঁকড়া বাজারের মার্কেট বছরখানেক আগে এবং চৌমুহনী বাজারের মার্কেট পাঁচ বছরের বেশি সময় আগে উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নন্দনগাছী মার্কেটও অল্প সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। দোকান বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন তদারকি করে।’ চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘নন্দনগাছী বাজারের মার্কেট বুঝে পেলে নিয়ম অনুযায়ী ঘর বরাদ্দ করা হবে। কারও অনিয়ম করার সুযোগ নেই। বাঁকড়া ও চৌমুহনী বাজারের মার্কেটও বরাদ্দ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাটমোহর পৌরসভায় জলাবদ্ধতা, জনদূর্ভোগ চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


চাটমোহর পৌরসভায় জলাবদ্ধতা, জনদূর্ভোগ চরমে

চাটমোহর পৌরসভায় বর্তমানে পৌরবাসী বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। পৌরসভায় উন্নয়নের নামে নিম্নমানের সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সামান্য বৃষ্টির পর প্রতিটি সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পৌরসভার প্রধান সড়কসহ অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ ধারণ করেছে।

প্রতিটি মহল্লা ও সড়কে জমে থাকা পানি জনদূর্ভোগকে চরম আকারে পৌঁছে দিয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, ফলে পৌরবাসীর কর আদায়ে পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যতটা ব্যস্ত, নাগরিক সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের উদাসীনতা ততটাই স্পষ্ট। মাসিক বেদন-ভাতা নিতেই যেন তাদের ব্যস্ততা। পৌরসভার প্রধান সড়কসহ প্রতিটি মহল্লার রাস্তাগুলো এখন একেকটি নালা বা খাল হয়ে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়ে গেছে।

বৃষ্টি হলেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা জলাশয়ে পরিণত হয়। জলাবদ্ধতা ও ময়লা-আবর্জনার মিশ্রণে এসব স্থান মশার প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। পৌরসভার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বড়াল নদ ময়লার ভাগারে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যার পর সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা বাসা-বাড়িতে উঠে আসে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ গত কয়েকদিন ধরে মশা নিধনে ওষুধ ছিটালেও, তা তেমন কার্যকর হচ্ছে না। পৌরসভার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "পৌরসভার নাগরিক হিসেবে আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত।" অসংখ্য বেওয়ারিশ কুকুরের ভয়ে থাকতে হয় তাদের। মশার উপদ্রব তো লেগেই আছে। জলাবদ্ধতা যেন ‘গোদের উপর বিষফোঁড়।’ পৌরবাসী এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ চান।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, "পৌরসভায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। বৃষ্টি হওয়ার কারণে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। দ্রুতই প্রকল্প গ্রহণ করা হবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য। জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে মিয়ানমারের নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে মিয়ানমারের নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন ও সিথওয়ে নৌবন্দরের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের নৌ-যোগাযোগ পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মো।

বুধবার বিকালে চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চিটাগাং চেম্বার ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সরকার-টু-সরকার এবং ব্যবসায়ী-টু-ব্যবসায়ী যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও জানান, ইয়াঙ্গুনের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কিয়াও সোয়ে মো বলেন, "মিয়ানমারের অন্যতম প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে চীন-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

তিনি আরও জানান, মিয়ানমারে রাশিয়ার সহযোগিতায় একটি এলএনজি হাব গড়ে তোলা হচ্ছে এবং দেশটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার হলে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে এলএনজিসহ বিদ্যুৎ আমদানি করতে সক্ষম হবে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে চাল, আদা, রাবার, মাছসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস, রাসায়নিক ও পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন পণ্য মিয়ানমারে রপ্তানি করা সম্ভব।

সভায় চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, "মিয়ানমার প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ।" তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। চট্টগ্রামের প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে উপকূলীয় জাহাজ চলাচল, সড়ক যোগাযোগ ও সরাসরি ফ্লাইট চালুর কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, "চট্টগ্রাম এ অঞ্চলের আঞ্চলিক ও বিনিয়োগ হাবে পরিণত হয়েছে।" ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হতে পারে। সরকার চট্টগ্রাম বিমানবন্দর নিয়ে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে ফ্লাইট যোগাযোগ আরও জোরদার হবে।

মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতারা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য পারস্পরিক আস্থা, উন্মুক্ত যোগাযোগ ও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা, নৌ-প্রটোকল স্বাক্ষর এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থ বিনিময়ের জটিলতা দূর করার জন্য রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, প্রাক্তন সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ ছালাম, প্রাক্তন পরিচালক এসএম আবু তৈয়ব, মিয়ানমার দূতাবাসের কাউন্সেলর হতেত মিয়াত লুইন, মিয়ানমার প্রজাতন্ত্রের অনারারি কনসাল জেনারেল এএইচএম হাকিম আলী, চেম্বার পরিচালক আমান উল্লা আল ছগির (ছুট্টু), মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম সরওয়ার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিচার প্রশংসা সালমানের ট্রলিং ও বডি শেমিং নিয়ে বক্তব্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৫ পি.এম


রিচার প্রশংসা সালমানের ট্রলিং ও বডি শেমিং নিয়ে বক্তব্যের

বলিউডের অভিনেতা সালমান খান অনলাইনে ট্রলিং ও বডি শেমিং নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন। বিগ বস ২০ এর উইকেন্ড কা ভারের একটি প্রোমোতে তিনি কাউকে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না করে মানুষের ওজন, চেহারা, পরিবার, হাসি এবং মাতৃত্বের বিষয়েও কটাক্ষ করার সমালোচনা করেন। ভারতীয় অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা সালমানের এই বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন।

সালমান মন্তব্য করেন, "কেন ট্রল করতে চান? কারও ওজন নিয়ে, চেহারা নিয়ে, পরিবার নিয়ে, কারও হাসি নিয়ে, কারও ব্যর্থতা নিয়ে, কেউ মা হওয়া নিয়ে—আপনারা আসলে নিজেদের পারিবারিক শিক্ষাই প্রকাশ করছেন।"

রিচা সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ কে বলেন, "আমি জানতাম না যে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন। তবে এটা দারুণ ব্যাপার। এমন কথা বলা সত্যিই উদার মানসিকতার পরিচয়।" তিনি সন্তানের জন্মের পর নারীদের শরীরে স্বাভাবিক পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা করেন। তার মতে, মায়েদের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে উপহাস করা উচিত নয়। রিচা আরও বলেন, "যারা মাতৃত্ব নিয়ে ট্রল করেন তারা এই মায়ের মাধ্যমেই পৃথিবীতে এসেছেন। তাই মায়েদের নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা শুরু করলে তার ফল খুব খারাপ হতে পারে।"

নিজের অভিজ্ঞতার কথাও বলেছেন রিচা

বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও কথা বলেছেন হীরামান্ডির এই অভিনেত্রী। বলিউডে কাজের সময় নিজের ইটিং ডিসঅর্ডারের অভিজ্ঞতার কথাও তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীদের ওজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা বিভিন্ন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন রিচা। সালমানের মন্তব্যের সময়ও অনলাইনে তারকাদের চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে সমালোচনা চলছিল।

প্রসব-পরবর্তী অভিজ্ঞতা নিয়ে রিচার নতুন সিরিজ

এদিকে, রিচা মুসাফিরি নামে একটি নন-ফিকশন ইউটিউব সিরিজ তৈরি করেছেন, যা তার প্রসব-পরবর্তী সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে। সিরিজটির নির্মাতা, লেখক, প্রযোজক ও উপস্থাপক তিনি নিজেই।

রিচা বলেন, "এখানে নিজের সৌন্দর্য বা চেহারা নিয়ে ভাবার সুযোগ নেই। শেষবার মানুষ আমাকে যেমন দেখেছিল, তার তুলনায় এখন আমি বেশি ওজনের কি না—এসব নিয়ে ভাবতে পারি না। আমি তো আমার প্রসব-পরবর্তী যাত্রা নিয়ে একটি অনুষ্ঠান তৈরি করছি।"

সিরিজটির কাজ সম্পন্ন করতে ধারাভিসহ বিভিন্ন জায়গায় শুটিং করেছেন রিচা। সেখানে কাজ করার সময় ইচ্ছাকৃতভাবেই নিজের সাজসজ্জা ও বাহ্যিক উপস্থিতিকে গুরুত্ব দেননি বলে জানান এই অভিনেত্রী।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%