ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আগামী সোমবার ইউক্রেনের মিত্রদের বৈঠক, নেতৃত্বে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি


আগামী সোমবার ইউক্রেনের মিত্রদের বৈঠক, নেতৃত্বে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের পাশে থাকা দেশেরগুলোর আগামী সোমবার বৈঠকে বসার পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্ধারিত বৈঠকটি ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসের দিন অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে কিয়েভের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হবে বলেও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এলিসি প্রাসাদ নিশ্চিত করেছে যে, ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে পরিচিত এই জোটের বৈঠকটি যৌথভাবে সভাপতিত্ব করবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

আরও পড়ুন: সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি

এলিসি প্রাসাদ থেকে জানা গেছে, মাখোঁ অনলাইনে ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।

একজন ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান আন্তোনিও কোস্তাসহ প্রায় ১০ জন নেতা জোটের বৈঠকে যোগ দিতে কিয়েভে উপস্থিত থাকতে পারেন।

ন্যাটো জানিয়েছে, জোটটির উপমহাসচিব রাদমিলা শেকেরিনস্কা অনলাইনে যুক্ত হয়ে বৈঠকে অংশ নেবেন।

এদিকে, মস্কো ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়ে দেওয়ার সময়েই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: গ্রিস ও সাইপ্রাসের পার্লামেন্টে ইসরায়েলের সহযোগিতামূলক কমিটি গঠন

বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে মস্কোর ‘উত্তেজনা বাড়ানোর’ বিরোধিতা করে বিশ্ববাসীকে সম্মিলিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর আহ্বান জানালেন।

গেল জুলাইয়ে জেলেনস্কিসহ জোটের ৩৭টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর ১৬তম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার হামলা শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য এই জোট প্রতিষ্ঠা করেছে।

সর্বশেষ বৈঠকে ইউক্রেনকে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ইউক্রেনে মোতায়েন করা হতে পারে এমন বাহিনীর মহড়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। এর মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর চাপ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জুমার নামাজের পর আল-আকসা মসজিদের খতিবকে গ্রেপ্তার করলো ইসরায়েলি বাহিনী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে জমি আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


মধুপুরে জমি আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের মধুপুরে শরিকদের জমি প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী শরিক, স্বজন ও এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লাবনী আক্তার। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, মধুপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা (বড়বাজার) গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন খানের ছেলে বজলুর রশিদ খান চুন্নু শরিকদের জমি গোপনে ক্রয় ও বিভিন্ন ধরনের জাল কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মৌজায় শরিক ও অন্যান্য ব্যক্তির জমি নিয়ে গোপনে লেনদেন এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে বিরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে ভুক্তভোগীরা তাদের জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে নানা জটিলতার মধ্যে পড়েছেন।
সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ভুক্তভোগী শরিক, তাদের স্বজন, প্রতিবেশী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শরিকদের প্রতিনিধি মোনছের আলী খান, ছানোয়ার হোসেন খান, ফারুক খান, শিরিনা খানম, হবি খান, বিল্লাল খান, লাবনী খানম, ফিরোজা আক্তার, মিনা, মমতা আক্তার, আশিক খান, আজহার আলী, মুক্তার আলী, আলম, জলিল, রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে বজলুর রশিদ খান চুন্নু শরিকদের জমি প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের নামে রেকর্ড করিয়েছেন। জমির রেকর্ড সংশোধনের বিষয়ে কথা বললে ভুক্তভোগীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও দাবি করেন বক্তারা।
বক্তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে বজলুর রশিদ খান চুন্নু, ইব্রাহিমসহ সংশ্লিষ্ট সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের জমির রেকর্ড যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকদের নামে পুনরায় রেকর্ড করারও দাবি জানান তারা।
এলাকাবাসী বলেন, বিষয়টি শুধু একটি ব্যক্তিগত জমি বিরোধ নয়; এর সঙ্গে একাধিক মানুষের সম্পৃক্ততা ও সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন জড়িত। তাই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনের পক্ষে থেকেও নেতানিয়াহুর ভাইকে সম্মান, উগান্ডার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


ফিলিস্তিনের পক্ষে থেকেও নেতানিয়াহুর ভাইকে সম্মান, উগান্ডার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কী?

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান নেওয়া উগান্ডা এবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বড় ভাই ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য উন্মোচন করেছে। উক্ত ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছে ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক এন্টেবে বিমানবন্দর জিম্মি উদ্ধার অভিযানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে।

রাজধানী কামপালা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওল্ড এন্টেবে টার্মিনালে উগান্ডার সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা ভাস্কর্যটি উন্মোচন করেন। তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির জ্যেষ্ঠ পুত্র।

তবে গাজায় চলমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ ভাস্কর্য উন্মোচনের ঘটনা এবং সম্প্রতি গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা বাহিনীর অধীনে উগান্ডার সেনা মোতায়েনে পার্লামেন্টের অনুমোদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে জেনারেল কাইনেরুগাবা এ স্মারকটির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, "এই স্মারক শুধু একজন বীর সেনাকে স্মরণ করার জন্য নয়, বরং বিপদের সময় সাহস এবং নির্দোষ মানুষের জীবন রক্ষায় তাঁর প্রতিশ্রুতি ও অবদানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।"

হাতে মেশিনগান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর এই ভাস্কর্যটি উগান্ডা এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্ময় ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

এদিকে উগান্ডার স্থানীয় রাজনীতিক এবং সাবেক কূটনীতিকদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি এই উদ্যোগকে দেশটির সার্বভৌমত্বের অবমাননা হিসেবে দেখছেন। সাবেক আঞ্চলিক বিষয়ক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসুমান কিয়িঙ্গি দ্য অবজারভারে প্রকাশিত এক নিবন্ধে স্মারকটিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে সরানোর দাবি জানিয়েছেন।

কিয়িঙ্গি বলেন, "উগান্ডা এমন একজন বিদেশি সামরিক কমান্ডারকে সম্মান জানাতে প্রস্তুত, যিনি উগান্ডার সম্মতি ছাড়াই দেশটিতে প্রবেশ করেছিলেন।" তিনি যুক্তি দেন যে, এন্টেবে বিমানবন্দর রক্ষা করতে গিয়ে নিহত উগান্ডার সেনাদের জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

তাঁর মতে, এই উদ্যোগ একটি বার্তা দিচ্ছে যেখানে আফ্রিকান সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করে বিদেশি সামরিক শক্তিকে উঁচুতে তুলে ধরা হচ্ছে।

১৯৭৬ সালের ২৭ জুন পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব ফিলিস্তিন এবং জার্মানির একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা তেল আবিব থেকে প্যারিসগামী এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমান ছিনতাই করে উগান্ডার এন্টেবে বিমানবন্দরে নিয়ে যায়। বিমানটিতে থাকা ২৪৮ জন আরোহীর মধ্যে ১০৫ জন ছিলেন ইসরায়েলি নাগরিক।

উগান্ডার তৎকালীন স্বৈরশাসক ইদি আমিন অপহৃতদের অভ্যর্থনা জানান এবং ছিনতাইকারীদের সমর্থন করেন। ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবিতে এই জিম্মি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে ৩ জুলাই, ইসরায়েলি স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডোরা উগান্ডা সরকারের অনুমতি ছাড়াই এন্টেবে বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ১০২ জন জিম্মিকে উদ্ধার করেন।

অভিযানে ৪৫ জন উগান্ডার সেনা এবং সব ছিনতাইকারী নিহত হন, এবং অভিযানটি পরিচালনাকারী ইসরায়েলি কমান্ডো দলের প্রধান ইয়োনাতান নেতানিয়াহুই ছিলেন অভিযানে নিহত একমাত্র ইসরায়েলি সেনা।

এ ঘটনাটি ইসরায়েলে অপারেশন থান্ডারবোল্ট নামে পরিচিত, তবে পরে ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর সম্মানে এর নাম বদলে অপারেশন জোনাথন রাখা হয়। এই ঘটনাই পরবর্তীতে তাঁর ছোট ভাই বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করে।

উগান্ডা ও ইসরায়েলের সম্পর্কের ইতিহাসও নজরকাড়া। ১৯৬২ সালে স্বাধীনতার পর উগান্ডার সঙ্গে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকি ১৯৭১ সালে ইদি আমিনের ক্ষমতা দখলের পেছনেও ইসরায়েলি সমর্থনের ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ১৯৭২ সালে ইদি আমিন ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং দেশটির সামরিক উপদেষ্টাদের বহিষ্কার করেন। ১৯৮৬ সালে প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনি ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের সম্পর্ক আবারও ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করে। মুসেভেনি একাধিকবার ইসরায়েল সফর করেন এবং দুই দেশের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার হয়।

পরবর্তীতে এন্টেবে অভিযানের ঘটনাকে উগান্ডার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনা হিসেবে দেখার পরিবর্তে দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের একটি প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হয়। ২০১৬ সালে অভিযানের ৪০ বছর পূর্তিতে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেই এন্টেবে সফর করেছিলেন।

উগান্ডার রাজনীতিতে প্রভাবশালী খ্রিষ্টান জায়নবাদী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতার কারণে ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির ধর্মীয় ও সামাজিক যোগাযোগও বেড়েছে। তবে এর মধ্যেও কামপালা নীতিগতভাবে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে। জাতিসংঘে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনা একাধিক প্রস্তাবের পক্ষেও ভোট দিয়েছে দেশটি।

বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও ধর্মীয় কূটনীতির মাধ্যমে ইসরায়েল উগান্ডার ওপর কিছুটা প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করলেও দেশটির মূল পররাষ্ট্রনীতিতে পুরোপুরি পরিবর্তন আনা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীভাঙন- বন্যায় বিপন্ন জীবন, কুড়িগ্রামে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


নদীভাঙন- বন্যায় বিপন্ন জীবন, কুড়িগ্রামে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উত্তরের সীমান্তজেলা কুড়িগ্রামে নদী ভাঙন, বন্যা, খরা সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এসব কারণে ১৬ নদনদী বেষ্টিত এই অঞ্চলের জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। কৃষি সহ অন্যান্য সম্পদের ক্ষতিও হচ্ছে। এজন্য সাড়ে চারশতাধিক চরের এই জেলার পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নারী-এ্যাসোসিয়েট ফর রিভাইভাল এন্ড ইনিশিয়েটিভ (নারী)-এর উদ্যোগে এবং ক্লাইমেট জাস্টিস রেসিলিয়েন্স ফান্ডের (সিজেআএফ) আর্থিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের কারিগরি সহযোগিতায় গৃহীত কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এন্ড নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন হয়েছে।

এ সময়ের বক্তৃতায় নারী-এর নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমীন, গ্রীন ভিলেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম রশিদ আলী, প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম, আফাদের সমন্বয়কারী কার্তিক চন্দ্র বর্মন, পরিবেশকর্মী আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম রানা এবং উলিপুর উপজেলা জলবায়ু পরিষদের সম্পাদক মো. শোয়েব আলী উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কুড়িগ্রামের নদী ভাঙন, বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে কম দায়ী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেই এর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।”

তারা আরও বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার নিশ্চিত, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” বক্তারা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত অভিযোজন সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের দাবি করেন।

এ সময় কুড়িগ্রাম সিএসও হাব, চিলমারী, উলিপুর ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার উইম্যান ইন ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ওক্যান), ডিস্ট্রিক্ট ক্লাইমেট নেটওয়ার্ক-কুড়িগ্রাম, উলিপুর জলবায়ু পরিষদ এবং জেন্ডার ইন হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশন (জিহা)-কুড়িগ্রাম চ্যাপটারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নারী সংগঠনটি ২০০৬ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জরুরি মানবিক সহায়তা এবং বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে নারীর কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শায়খ সুদাইসের বিশেষ বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শায়খ সুদাইসের বিশেষ বার্তা

মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আবদুর রহমান আস-সুদাইস মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মদিন বা ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন প্রসঙ্গে একটি বিশেষ বার্তা প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, নবীজি (সা.) এর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা প্রকাশের জন্য এর সর্বোত্তম উপায় হলো তার সুন্নাহ অনুসরণ করা।

শায়খ সুদাইস 'মাওলিদ উদযাপনের বিধান সম্পর্কে একটি ব্যাখ্যা' শীর্ষক বক্তব্যে বলেন, কোরআন ও সুন্নাহতে মাওলিদ উদযাপনের কোন ভিত্তি নেই। মহানবী (সা.), তার সাহাবি এবং খুলাফায়ে রাশেদিন কেউই এ ধরনের আয়োজন করেননি। এইভাবে তিনি মুসলমানদের আহ্বান জানান যে, দ্বীনের মধ্যে নতুন কোনো রীতি সংযোজন থেকে বিরত থাকার জন্য।

এ প্রসঙ্গে তিনি কোরআনের নির্দেশনা তুলে ধরে বলেন, কোনো বিষয়ে মতভেদ দেখা দিলে তা আল্লাহ ও তার রাসুলের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। তিনি কয়েকটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্বীনে নতুনভাবে উদ্ভাবিত বিষয় বা বিদআত থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

শায়খ সুদাইস বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এর পর যারা জীবিত থাকবে, তারা অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। তাই তিনি রাসুলের সুন্নাহ এবং সুপথপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদিনের পথ দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করার ওপর জোর দেন।

তিনি সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এর বক্তব্যও উল্লেখ করেন যে, নতুন কিছু উদ্ভাবন করা যাবে না। পাশাপাশি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) এর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, মানুষ কোনো বিষয়কে ভালো মনে করলেও, বিদআত একটি ভ্রষ্টতার পথ হতে পারে।

শায়খ সুদাইস ইমাম ইবনে তাইমিয়্যার বক্তব্য উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শরিয়তে ভিত্তি নেই এমন কোনো সময় বা দিনকে ধর্মীয় উপলক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করা সঠিক নয়। তার মতে, রবিউল আউয়াল মাসে নবীজি (সা.)-এর জন্মদিন হিসেবে বিশেষ আয়োজন করা পূর্ববর্তী নেককার মুসলমানদের রীতি ছিল না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক মাওলিদ অনুষ্ঠানে এমন কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে, যা ইসলামের শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোথাও নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, অপচয় কিংবা গান-বাজনার মতো আয়োজনও দেখা যায়। অথচ নবীজি (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের নামে এমন কোনো রীতি গ্রহণ করা উচিত নয়, যার নির্দেশ তিনি নিজে দেননি।

শায়খ সুদাইস বলেন, আল্লাহ ও তার রাসুলকে ভালোবাসার প্রকৃত প্রমাণ হলো রাসুলুল্লাহ (সা.) এর অনুসরণ করা। তিনি কোরআনের সেই আয়াতের কথা স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে বলা হয়েছে, 'তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে রাসুলের অনুসরণ করো; তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করবেন।'

বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি মুসলমানদের উদ্দেশে বলেন, বিদআত ও ভ্রান্ত পথ থেকে দূরে থেকে নবীজি (সা.) এর সুন্নাহ দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও রাসুলুল্লাহ (সা.) এর আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে তার প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসার প্রকাশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%