বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০০ পি.এম
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় আলোচিত শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায়ে জানতে পারা গেছে যে, তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা এক কিশোর আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিফ, রাকিব এবং সাইমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ড হিসেবে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আসামি মারুফের বিচার আলাদা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় চার আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বজলুল করিম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার। তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অন্যদিকে, রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নিছামনির বাবা-মা। একই সঙ্গে তারা দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলায় শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন তার বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র নয় দিনের মাথায় ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরবর্তীতে দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণের পর ঘটনার ২৫ দিনের মাথায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত করার লক্ষ্যে এবং সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে জোরদার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টা থেকে নগরীর কেশবপুর দক্ষিণপাড়া টি-বাঁধ এলাকায় এই যৌথ অভিযান শুরু হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার অভিজিৎ সরকার।
অভিযান চলাকালে কেশবপুর দক্ষিণপাড়া টি-বাঁধের ওপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাফিজুর রহমান নামক একজন দখলদারের নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা। এই বাঁধের স্থায়িত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে সেই সঙ্গে এর ওপর গড়ে ওঠা সকল ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর জানান, রাজশাহী শহর রক্ষা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত রাখার জন্য এবং সরকারি স্থাপনা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং রাজশাহী জেলা প্রশাসনের যৌথ তত্ত্বাবধানে বর্তমানে নগরীর কেশবপুর এলাকায় এই কাজ চলমান রয়েছে। এবং পর্যায়ক্রমে পুরো জেলার চিহ্নিত এলাকাগুলোতে এই অভিযান চালানো হবে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ সরকার বলেন, 'আমরা এর আগে একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করেছি। কিন্তু তারা নিজ উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। সেই কারণেই পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। শ্রীরামপুর বাঁধের পুরো অংশ জুড়ে এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সংঘটিত পাল্টাপাল্টি হামলার মাঝে পারস্য উপসাগরে প্রায় ৬,০০০ নাবিক আটকা পড়েছেন। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) প্রধান বুধবার (৮ জুলাই) সর্বোচ্চ সংযম ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আইএমও মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ বেশ কিছু বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ‘এই হামলাগুলো পারস্য উপসাগর থেকে নিরাপদে যাত্রা করতে না পারা জাহাজগুলোর কারণে আটকা পড়া প্রায় ৬,০০০ নাবিকের ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপকে আরও তীব্র করে তুলেছে।’
মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের ওপর ইরানি হামলার ফলে সৃষ্ট সংঘর্ষের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু তিনি আবারও আলোচনার সুযোগ রেখেছেন। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছে। পরে তেহরানের পাল্টা হামলায় আবারও সংঘাত শুরু হয়।
এই কৌশলগত নৌপথটি সংঘাতের একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে এবং এটি ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
তেহরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দাবিতে অটল রয়েছে এবং তারা যাতায়াতের জন্য মাশুল ধার্য করবে ও অনুমোদিত পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া জাহাজগুলোর ওপর হামলাও হুমকি দিয়েছে।
এদিকে, ডোমিঙ্গেজ আরও জানান, ‘আমি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি জাহাজের ওপর গত দুই দিনের হামলার নিন্দা জানাই।’
তিনি আবারও উল্লেখ করেছেন, ‘নিরীহ নাবিকেরা মারাত্মক বিপদের’ মধ্যে রয়েছেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে, অবিলম্বে পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরে এখনো আটকে থাকা জাহাজগুলোর নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানান।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রায় ৩৯ বছর পরের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের টাইফুন ‘বাভি’ চীন ও তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে। ঘণ্টায় প্রায় ২০৯ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে আসা এই ধরনের শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, ১৯৮৭ সালের পর এই অঞ্চলে আঘাত হানতে যাওয়া সবচেয়ে বড় টাইফুন হিসেবে আবহাওয়াবিদরা উল্লেখ করেন।
তাইওয়ানের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তাইপে এবং আশপাশের উত্তরাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ২৯ হাজার সেনাকে প্রস্তুত করে রেখেছে। পাশাপাশি উপকূলীয় সকল এলাকায় জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের টাইফুন ‘কং-রে’র পর এটি সম্ভবত তাইওয়ানে আঘাত হানতে যাওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় হতে পারে। এর আগে কং-রে টাইফুনের ফলে তিনজন নিহত হয়েছিল।
চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানায়, প্রায় এক হাজার কিলোমিটার প্রশস্ত টাইফুন ‘বাভি’ উত্তর তাইওয়ানের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে শনিবার সন্ধ্যায় পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশে আঘাত হানতে পারে।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসনের পূর্বাভাসকারী জেসন চ্যাং বলেন, সাম্প্রতিক বছরে এত বড় আকারের টাইফুন মনে করা হচ্ছে খুবই বিরল। তার মতে, ১৯৮৭ সালের পর বাভিই হতে পারে দ্বীপটিতে আঘাত হানতে যাওয়া সবচেয়ে বড় টাইফুন।
এদিকে, কয়েকদিন আগে টাইফুন ‘মায়সাক’এর আঘাতে চীন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গুয়াংজি অঞ্চলে ওই ঝড়ের ফলে অন্তত ৩৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং এখনো অন্তত ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারের অভিযান এ মুহূর্তেও অব্যাহত রয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, তাইওয়ান ও জাপানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঘটনা এবং তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরে সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলতে পারে।
বাণিজ্যিক আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রতিষ্ঠান অ্যাকুওয়েদারের বিশেষজ্ঞ জেসন নিকোলস জানান, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে ঝড়ের বাতাস কিছুটা দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তাইওয়ান এবং পূর্ব চীনে আঘাত হানার সময় এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় থাকবে।
অন্যদিকে, জাপানের ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি, ভূমিধস, বন্যা এবং জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। টাইফুনের প্রভাবে জাপান এয়ারলাইন্স ৫০টি এবং অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ ৬৭টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে পড়বেন।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় গবেষক শিয়াংবো ফেং জানান, দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে অতিক্রম করার কারণে টাইফুন ‘বাভি’ বিপুল শক্তি এবং আর্দ্রতা সঞ্চয় করেছে। ফলে এটি স্থলভাগে আঘাত হানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ঝড়ের গতিপথে সামান্য পরিবর্তনও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় নগরী কাশীর একটি দোকানে গিয়ে লাচ্ছি খাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে চরম সমালোচনার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী, যিনি ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ খ্যাত।
একদল নেটিজেন এই বিতর্কিত ভিডিওটির পেছনে সত্যতা নেই দাবি করেছেন এবং বলেছেন, ক্যামেরার কাজ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত চিনি ও ফ্যাটের ভয়ে লাচ্ছি না খেয়ে চলে যান ফিটনেস সচেতন অভিনেত্রী।
এ ধরনের সমালোচনার মুখে চুপ থাকার পরিবেশ পছন্দ করেননি ভাগ্যশ্রী। তিনি ট্রলকারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন এবং একটি দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ ও ‘অর্ধেক’ বলে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভাগ্যশ্রী। তিনি ট্রলকারীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখেছেন, আপনারা কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন? ভাইরাল হওয়া ক্লিপের কোথাও কি কেউ শুনেছেন বা রেকর্ডে পেয়েছে যে তিনি লাচ্ছিটিকে অতিরিক্ত মিষ্টি বলেছে বা এটি খেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন? তিনি আরও বলেন, আপনার মা কি কখনো গরমে আপনাকে ভালোবেসে লাচ্ছি খাওয়াননি? আসলে এই ধরনের অর্ধেক ভিডিও আর আধো জ্ঞান নিয়ে অনলাইনে কিছু আপলোড করা সবচেয়ে বড় ভুয়া কাজ।
নিজের কাশীর অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিনেত্রী জানান, ওই দিন ভোর ৩টা থেকে উঠে মঙ্গলা আরতি করার পর গঙ্গাবক্ষে হেঁটে বেড়ানোর সময় শরীরকে চাঙা করতে ওই ড্রাই ফ্রুটস দেওয়া লাচ্ছিটি তার জন্য চমৎকার এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করেছিল। ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রায় এই পানীয়টি তাকে দারুণ স্বস্তি দিয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, মিষ্টি বা নোনতা লাচ্ছি খাওয়া পুরোপুরি ব্যক্তিগত পছন্দ। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য মিষ্টি লাচ্ছি এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ, তবে দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিকস স্বাস্থ্যর জন্য উপকারী।
কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা পারিশ্রমিকের জন্য নয়, বরং সম্পূর্ণ ভালোবাসার জায়গা থেকে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ঐতিহ্যবাহী খাবারকে সমর্থনে সৃষ্ট ভিডিওটি করেছিলেন বলে পোস্টে ভাগ্যশ্রী উল্লেখ করেছেন। তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেন, এটি লজ্জাজনক যে কিছু অলস মানুষের মাথা থেকে সাধারণ একটি বিষয় নিয়েও ভালো কিছু বের হয় না। কাশী হলো একটি পবিত্র স্থান, সেখানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নেটিজেনদের চিৎকার করা খুবই অর্থহীন।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ভাগ্যশ্রীকে রিতেশ দেশমুখের চলচ্চিত্র ‘রাজা শিবাজী’-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ