বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০৫ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সংঘটিত পাল্টাপাল্টি হামলার মাঝে পারস্য উপসাগরে প্রায় ৬,০০০ নাবিক আটকা পড়েছেন। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) প্রধান বুধবার (৮ জুলাই) সর্বোচ্চ সংযম ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আইএমও মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ বেশ কিছু বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ‘এই হামলাগুলো পারস্য উপসাগর থেকে নিরাপদে যাত্রা করতে না পারা জাহাজগুলোর কারণে আটকা পড়া প্রায় ৬,০০০ নাবিকের ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপকে আরও তীব্র করে তুলেছে।’
মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের ওপর ইরানি হামলার ফলে সৃষ্ট সংঘর্ষের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু তিনি আবারও আলোচনার সুযোগ রেখেছেন। এর পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছে। পরে তেহরানের পাল্টা হামলায় আবারও সংঘাত শুরু হয়।
এই কৌশলগত নৌপথটি সংঘাতের একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে এবং এটি ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
তেহরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার দাবিতে অটল রয়েছে এবং তারা যাতায়াতের জন্য মাশুল ধার্য করবে ও অনুমোদিত পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া জাহাজগুলোর ওপর হামলাও হুমকি দিয়েছে।
এদিকে, ডোমিঙ্গেজ আরও জানান, ‘আমি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি জাহাজের ওপর গত দুই দিনের হামলার নিন্দা জানাই।’
তিনি আবারও উল্লেখ করেছেন, ‘নিরীহ নাবিকেরা মারাত্মক বিপদের’ মধ্যে রয়েছেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে, অবিলম্বে পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরে এখনো আটকে থাকা জাহাজগুলোর নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানান।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রায় ৩৯ বছর পরের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের টাইফুন ‘বাভি’ চীন ও তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে। ঘণ্টায় প্রায় ২০৯ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে আসা এই ধরনের শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, ১৯৮৭ সালের পর এই অঞ্চলে আঘাত হানতে যাওয়া সবচেয়ে বড় টাইফুন হিসেবে আবহাওয়াবিদরা উল্লেখ করেন।
তাইওয়ানের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তাইপে এবং আশপাশের উত্তরাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ২৯ হাজার সেনাকে প্রস্তুত করে রেখেছে। পাশাপাশি উপকূলীয় সকল এলাকায় জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের টাইফুন ‘কং-রে’র পর এটি সম্ভবত তাইওয়ানে আঘাত হানতে যাওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় হতে পারে। এর আগে কং-রে টাইফুনের ফলে তিনজন নিহত হয়েছিল।
চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানায়, প্রায় এক হাজার কিলোমিটার প্রশস্ত টাইফুন ‘বাভি’ উত্তর তাইওয়ানের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে শনিবার সন্ধ্যায় পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশে আঘাত হানতে পারে।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসনের পূর্বাভাসকারী জেসন চ্যাং বলেন, সাম্প্রতিক বছরে এত বড় আকারের টাইফুন মনে করা হচ্ছে খুবই বিরল। তার মতে, ১৯৮৭ সালের পর বাভিই হতে পারে দ্বীপটিতে আঘাত হানতে যাওয়া সবচেয়ে বড় টাইফুন।
এদিকে, কয়েকদিন আগে টাইফুন ‘মায়সাক’এর আঘাতে চীন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গুয়াংজি অঞ্চলে ওই ঝড়ের ফলে অন্তত ৩৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং এখনো অন্তত ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারের অভিযান এ মুহূর্তেও অব্যাহত রয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন, তাইওয়ান ও জাপানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঘটনা এবং তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরে সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলতে পারে।
বাণিজ্যিক আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রতিষ্ঠান অ্যাকুওয়েদারের বিশেষজ্ঞ জেসন নিকোলস জানান, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে ঝড়ের বাতাস কিছুটা দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তাইওয়ান এবং পূর্ব চীনে আঘাত হানার সময় এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় থাকবে।
অন্যদিকে, জাপানের ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি, ভূমিধস, বন্যা এবং জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। টাইফুনের প্রভাবে জাপান এয়ারলাইন্স ৫০টি এবং অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ ৬৭টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি যাত্রী ভোগান্তিতে পড়বেন।
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় গবেষক শিয়াংবো ফেং জানান, দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে অতিক্রম করার কারণে টাইফুন ‘বাভি’ বিপুল শক্তি এবং আর্দ্রতা সঞ্চয় করেছে। ফলে এটি স্থলভাগে আঘাত হানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ঝড়ের গতিপথে সামান্য পরিবর্তনও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় নগরী কাশীর একটি দোকানে গিয়ে লাচ্ছি খাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে চরম সমালোচনার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী, যিনি ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ খ্যাত।
একদল নেটিজেন এই বিতর্কিত ভিডিওটির পেছনে সত্যতা নেই দাবি করেছেন এবং বলেছেন, ক্যামেরার কাজ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত চিনি ও ফ্যাটের ভয়ে লাচ্ছি না খেয়ে চলে যান ফিটনেস সচেতন অভিনেত্রী।
এ ধরনের সমালোচনার মুখে চুপ থাকার পরিবেশ পছন্দ করেননি ভাগ্যশ্রী। তিনি ট্রলকারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন এবং একটি দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ ও ‘অর্ধেক’ বলে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভাগ্যশ্রী। তিনি ট্রলকারীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখেছেন, আপনারা কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন? ভাইরাল হওয়া ক্লিপের কোথাও কি কেউ শুনেছেন বা রেকর্ডে পেয়েছে যে তিনি লাচ্ছিটিকে অতিরিক্ত মিষ্টি বলেছে বা এটি খেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন? তিনি আরও বলেন, আপনার মা কি কখনো গরমে আপনাকে ভালোবেসে লাচ্ছি খাওয়াননি? আসলে এই ধরনের অর্ধেক ভিডিও আর আধো জ্ঞান নিয়ে অনলাইনে কিছু আপলোড করা সবচেয়ে বড় ভুয়া কাজ।
নিজের কাশীর অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিনেত্রী জানান, ওই দিন ভোর ৩টা থেকে উঠে মঙ্গলা আরতি করার পর গঙ্গাবক্ষে হেঁটে বেড়ানোর সময় শরীরকে চাঙা করতে ওই ড্রাই ফ্রুটস দেওয়া লাচ্ছিটি তার জন্য চমৎকার এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করেছিল। ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রায় এই পানীয়টি তাকে দারুণ স্বস্তি দিয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, মিষ্টি বা নোনতা লাচ্ছি খাওয়া পুরোপুরি ব্যক্তিগত পছন্দ। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য মিষ্টি লাচ্ছি এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ, তবে দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিকস স্বাস্থ্যর জন্য উপকারী।
কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা পারিশ্রমিকের জন্য নয়, বরং সম্পূর্ণ ভালোবাসার জায়গা থেকে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ঐতিহ্যবাহী খাবারকে সমর্থনে সৃষ্ট ভিডিওটি করেছিলেন বলে পোস্টে ভাগ্যশ্রী উল্লেখ করেছেন। তিনি অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলেন, এটি লজ্জাজনক যে কিছু অলস মানুষের মাথা থেকে সাধারণ একটি বিষয় নিয়েও ভালো কিছু বের হয় না। কাশী হলো একটি পবিত্র স্থান, সেখানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে নেটিজেনদের চিৎকার করা খুবই অর্থহীন।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ভাগ্যশ্রীকে রিতেশ দেশমুখের চলচ্চিত্র ‘রাজা শিবাজী’-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া এবং ফিজির মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিউজিল্যান্ড বিবেচনা করছে। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন এ তথ্য জানিয়েছেন।
‘ওশান অব পিস অ্যালায়েন্স’ চুক্তির মাধ্যমে ফিজি অস্ট্রেলিয়ার কিছু নির্ধারিত সামরিক মিত্রের মধ্যে একটি পরিণত হয়েছে। এই জোটের আওতায় দুই দেশই ‘পারস্পরিক প্রতিরক্ষা’ নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবে।
ওয়েলিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি প্রকাশ করেছে।
অস্ট্রেলিয়া এবং ফিজি জানায়, যেসব প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশের নিজস্ব সামরিক বাহিনী রয়েছে, তারা চাইলে এই জোটে যোগদানের সুযোগ পাবে।
লাক্সন বলেন, ‘ফিজি এবং অস্ট্রেলিয়া এই সপ্তাহে সামরিক মিত্র হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিউজিল্যান্ড এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী ঘনিষ্ঠ সামরিক জোট রয়েছে, যা এখন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। একই সাথে ফিজির সঙ্গে আমাদের দৃঢ় ও দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক রয়েছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘নিরাপদ একটি অঞ্চল তৈরি করতে আমরা ইতোমধ্যে দুই দেশের সঙ্গে সমন্বয়ে কাজ করছি। সুতরাং, এই জোটে তাদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া যৌক্তিক।’
নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতৃত্বে সমাধানের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই এ অঞ্চলের নেতারা অবস্থান নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ফিজি এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য দেশের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুললে জোটের মাধ্যমে আমরা আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারে পরিণত হব।
নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক বলেন, এই উদ্যোগ ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঐক্য আরও জোরদারের একটি সুযোগ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বর্ষণ এবং অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে জনজীবন মারাত্মক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
জোয়ারের পানিতে বসতঘর, ফসলের মাঠ, মাছের ঘের এবং রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার ফলে উপকূলের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। কৃষকরাও প্রত্যাশা করছেন চাষাবাদে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার সাতটি ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তমরদ্দি, সুখচর, জাহাজমারা এবং নলচিরা ইউনিয়ন। এসব এলাকার বসতঘর, রান্নাঘর, আঙিনা, গ্রামীণ সড়ক এবং মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে নিম্ন আয়ের ও দিনমজুর শ্রেণির মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শুধু মূল ভূখণ্ড নয়, নিঝুম দ্বীপসহ দমারচর, ঢালচর, চরগাসিয়া, নলের চর, বয়ার চর, চর আতাউর এবং মৌলভীর চর-এর বিস্তীর্ণ এলাকাও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে। এতে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন আলো জানাচ্ছেন, একদিকে জোয়ারের পানি, অন্যদিকে ভারী বর্ষণের কারণে হাতিয়ার অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে। নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। অনেকের রান্নাঘরে পানি ওঠায় গত দুই দিন ধরে চুলায় হাঁড়ি ওঠেনি। এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি।
জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গতকাল ২৪ ঘন্টায় নোয়াখালীতে ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১১ টিম মাঠে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ৫০০-৬০০ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের বিভিন্ন কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ