০৮:৪৪ এম
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বিক্ষোভ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
বিক্ষোভ ঠেকাতে সড়ক, মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধের পদক্ষেপ নেয়া হলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তা সচল করা হয়েছে। তবে যন্তর মন্তর ঘিরে চার কিলোমিটার এলাকায় শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট।
আরও পড়ুন: আলবার্টায় কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত
মহাসমাবেশের অনুমতি না থাকায় আইন ভাঙলে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির পতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেটসহ দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার ফটক বন্ধ রাখা হবে। এছাড়া শনিবার ভোর ৪টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা, এরকম দিল্লির বাইরে থেকে আসা ২৫০টির বেশি ট্রেন এবং লোকাল ট্রেনের চলাচল বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সৌদির জ্বালানি স্থাপনা ও বিমানবন্দরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
টানা বিক্ষোভের মধ্যে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থককে আটকের দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে। তবে ধরপাকড় উপেক্ষা করেই শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভয় দেখিয়ে ভারতীয় যুবসমাজের আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না।
এদিকে ভোট চুরির অভিযোগে আন্দোলনের চতুর্থ দিনে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন অভিমুখে মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লক। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চেন্নাই রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট সপ্তাহে ৫ দিন
এর আগে, শুক্রবার রাতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে মিছিল করেন ইন্ডিয়া ব্লকের সংসদ সদস্য ও নেতারা। পরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দেন ১৬টি দলের ১৬ নেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন