মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ পি.এম
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন জাহাজ মালিকদের’ তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধ চলাকালীন সাধারণ নাবিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার জন্য এই মালিকরা দায়ী। তিনি সতর্ক করেছেন যে, পণ্য পরিবহনের জন্য জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে জাহাজ চালানোর ফলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ডমিঙ্গুয়েজ অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধের পরিস্থিতি সত্ত্বেও কিছু জাহাজ মালিক কেবল ব্যবসা ও মুনাফা সচল রাখতে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তারা বাণিজ্যিক জাহাজের সাধারণ নাবিকদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজের নাবিকদের যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না।’
আইএমও প্রধান আরও জানান, বর্তমান সংকটকে আরো জটিল করে তুলছে কিছু মালিকের অপতৎপরতা। অনেক জাহাজ মালিক আইনি কড়াকড়ি ও নজরদারি এড়াতে জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করছেন, যা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ৬০০০ নাবিক আটকা পড়ে আছেন। ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বহু জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে এবং এসব হামলায় নাবিকদের প্রাণহানি ঘটছে। এই অবস্থায়, যেকোনো মূল্যে জাহাজ মালিকদের হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলার জন্য তিনি আকুল আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধে জড়িত সব পক্ষই আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা চালাচ্ছে। ফলে ঠিক কোন পক্ষ নির্দিষ্ট একটি জাহাজে আক্রমণ চালিয়েছে, তা শনাক্ত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই জাহাজ ও নাবিকদের পাঠানোর আগে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও নিরাপত্তার নিশ্চিত বার্তা পাওয়ার ওপর জোর দেন আইএমও প্রধান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের চারটি বিশেষায়িত মধ্যম বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে জাতিগত বৈষম্যের অভিযোগে করা মামলা শুনতে রাজি হয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। অভিভাবকদের একটি দলের অভিযোগ, কৃষ্ণাঙ্গ ও লাতিনো শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে এশীয় বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে।
সোমবার, ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে মেরিল্যান্ডের মন্টগোমারি কাউন্টির চারটি বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা নিয়ে করা আবেদন শুনতে সম্মতি দেন সুপ্রিম কোর্ট। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিশেষ পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে পড়ানো হয় এবং পড়াশোনার মানও বেশ কঠোর।
মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার মতো বৈষম্যের যথেষ্ট প্রমাণ অভিভাবকদের কাছে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন সর্বোচ্চ আদালতের বিচারকেরা। এর আগে নিম্ন আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের তুলনায় এসব বিদ্যালয়ে এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম নয়।
অভিভাবকদের পক্ষে করা মামলাটি পরিচালনা করছে ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন ফেয়ারনেস’। সুপ্রিম কোর্ট যদি তাদের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে মামলাটি আবার চালু হতে পারে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। জুনের মধ্যে বিচারকেরা রায় দিতে পারেন।
‘মহামারিকালীন পরিকল্পনা’
কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মন্টগোমারি কাউন্টির স্কুল কর্তৃপক্ষ নতুন ভর্তি পদ্ধতি চালু করে। এর নাম দেওয়া হয় ‘প্যানডেমিক প্ল্যান’ বা মহামারিকালীন পরিকল্পনা।
এ পদ্ধতিতে প্রথমে সব শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত সম্ভাবনা যাচাই করা হয়। এরপর যোগ্য শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে কাউকে বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে, আবার কাউকে স্থানীয় বিদ্যালয়ে উন্নত পাঠদানের সুযোগ দেওয়া হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এ যাচাইপ্রক্রিয়ার কারণে এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ কমে যায়।
মামলাকারীদের দাবি, এশীয় বংশোদ্ভূত অনেক শিক্ষার্থী এমন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে, যেখানে শিক্ষার ফল ভালো এবং দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম।
ভর্তিপ্রক্রিয়ার একটি অংশে শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলের সঙ্গে একই রকম পারিবারিক আয়ের শিক্ষার্থীদের ফল তুলনা করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে অভিভাবকদের আইনজীবীরা বলেন, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভিত্তি ধরে হিসাব করলে কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে তা পূরণ করতে পারে। প্রক্রিয়ায় সরাসরি জাতিগত পরিচয়ের উল্লেখ না থাকলে বৈষম্যমূলক উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে প্রশ্নও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বলে তাঁদের দাবি।
আগেই খারিজ হয়েছিল মামলা
২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক পলা জিনিস মামলাটি খারিজ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষায়িত বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়া এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীর হার আবেদনকারীদের মধ্যে এশীয়-আমেরিকান শিক্ষার্থীদের হারের চেয়ে বেশি ছিল।
ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির নীতিমালা চালুর পেছনে বৈষম্যমূলক উদ্দেশ্য ছিল—এমন প্রমাণও পাননি বিচারক জিনিস।
স্কুল কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই বলে আসছে, নতুন ভর্তি নীতিমালা জাতিগত পরিচয়-নিরপেক্ষ। চালুর সময়ের কারণে এ নীতিমালার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্যানডেমিক প্ল্যান’।
মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আদালতে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘প্যানডেমিক প্ল্যান হলো জাতিগত পরিচয় বিবেচনায় না নেওয়া একটি লটারি পদ্ধতি। এ পরিকল্পনা, এর ইতিহাস কিংবা উদ্দেশ্যের কোনো কিছুই সংবিধানের পরিপন্থি নয়।’
এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারকেরা বিবেচনা করবেন, জাতিগত পরিচয়-নিরপেক্ষ কোনো নীতির কারণে বৈষম্যের শিকার হওয়ার দাবি করা গোষ্ঠীকে বৈষম্যমূলক উদ্দেশ্য প্রমাণ করতে হলে অন্যদের তুলনায় তাদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রমাণ দেখাতে হবে কি না।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-চেন্নাই-ঢাকা রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। সপ্তাহে তিন দিনের পরিবর্তে, এখন থেকে এই রুটে পাঁচ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে বেসরকারি বিমান সংস্থাটি।
নতুন এই সূচি কার্যকর হবে আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে, এ তথ্য বাসস-কে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ও রোববার ঢাকা-চেন্নাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। যাত্রীদের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নতুন সূচিতে শুক্রবার ও শনিবার আরও দুটি ফ্লাইট যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, সপ্তাহে মোট পাঁচ দিন এই রুটে ফ্লাইট চলাচল করবে।
এই ফ্লাইট বৃদ্ধির ফলে চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক কাজে চেন্নাইগামী যাত্রীদের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উপকূলীয় সৌন্দর্য উপভোগ করতে আগ্রহী পর্যটকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
নতুন সূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে ফ্লাইট বিএস ২০৫ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে চেন্নাই পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে। অন্যদিকে, চেন্নাই থেকে ফিরতি ফ্লাইট বিএস ২০৬ দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে। এসব সময় স্থানীয় সময় অনুযায়ী নির্ধারিত।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১০টি দেশের ১৪টিরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। পাশাপাশি, দেশের অভ্যন্তরীণ পাঁচটি রুটেও নিয়মিত সেবা প্রদান করছে সংস্থাটি। এয়ারলাইন্সটির বহরে রয়েছে এয়ারবাস এ৩৩০, বোয়িং ৭৩৭ ও এটিআর ৭২-সহ মোট ২৫টি বিমান।
২০১৯ সালের ৩১ মার্চ ঢাকা-চেন্নাই রুটে ফ্লাইট চালু করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। চালুর পর থেকেই এই রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের হিজলা এলাকায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে নৌ পুলিশ ২০ জন জেলেকে আটক করেছে। এ অভিযানের সময় চারটি নৌকা, ১৯ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৮ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি, মেঘনা নদী ও এর শাখা নদী থেকে প্রায় ৫১ লাখ ৪০ হাজার মিটার পরিত্যক্ত জাল উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মেঘনা নদী এবং এর শাখা নদীর ধুলখোলা, হিজলা, বাউশিয়া, হরিনাথপুর ও অন্তর্বাম এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
নৌ পুলিশের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযানে আইন লঙ্ঘন করে মাছ শিকারের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, নদী থেকে প্রায় ৪২ কেজি মা ইলিশ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ইয়াছিনুল হকসহ তিনটি দলের নেতৃত্ব দেন বরিশাল অঞ্চলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইমরান হোসেন মোল্লা।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইমরান হোসেন মোল্লা যুগান্তরকে জানান, উদ্ধার করা পরিত্যক্ত জাল মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা এবং গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কক্সবাজারের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা কক্সবাজারবাসী ও পূজার্থীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
মন্ত্রী হিসেবে জেলার দায়িত্ব পালনকালে সোমবার রাতে তিনি কক্সবাজারের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিজয়া দশমীতে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের সর্বত্র ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে।"
সাচিং প্রু আরও জানান, বিজয়া দশমীতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দেশের সর্ববৃহৎ দেবী দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, সরকারি ছুটির এই সময়ে পর্যটক ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।
এ সময় মন্ত্রী কক্সবাজার সদরের কালীবাড়ি, সরস্বতীবাড়ি, গোলদীঘির পাড়, হরিজনপাড়া, বঙ্গপাহাড়, লাবণী পয়েন্ট মোড় ও খুরুশকুলের রাস মন্দিরসহ প্রধান পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সার্বিক সহযোগিতা করতে দলীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না, জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ