বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:২৮ পি.এম
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়েছেন। ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার এই খবরটি এসেছে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে। এ সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। মোট ৩৪৩টি বৈধ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট, যেখানে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিকে, বেশিভাগ সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও ছয়জন এমপি ভোট দেননি। তাদের মধ্যে ৫ জন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। উপস্থিত না থাকাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক এবং চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ দলীয় সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) এবং আসামিদের আপিল ও জেল আপিলের ওপর হাই কোর্টে শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাই কোর্ট বেঞ্চে শুনানি শেষে রায়ের জন্য সোমবার (২৪ আগস্ট) দিন ধার্য করা হয়েছে।
২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) মামলার সকল নথি হাই কোর্টে পৌঁছে। এরপর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলার পেপারবুক (সব নথি) প্রকাশের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে শ্রেণীয় বিচারক মামলার শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করেন, এরপর তিনি হাই কোর্ট বেঞ্চের শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, বিচারিক আদালত যখন কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়, তখন সেই রায় অনুমোদনের জন্য মামলার সকল নথি উচ্চ আদালতে দাখিল করতে হয়।
সেই অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্সটি হাইকোর্টে আসে। একই সাথে আসামিরা জেল আপিল এবং ফৌজদারি আপিলও করেছেন। ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৬ জন আসামির প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সাথে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।
নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এরপর ঘটনার পর মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলা তুলে না নেওয়ার কারণে ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু ঘটে। অগ্নিসন্ত্রাসের এই ঘটনার পর নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
এই মামলায়, ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় প্রদান করে। রায়ে বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। ডেথ রেফারেন্সের জন্য নুসরাত হত্যা মামলার রায়সহ নথিপত্র ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছে, যা ১৪০/১৯ ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নম্বরভুক্ত হয়। চাঞ্চল্যকর মামলার কারণে ডেথ রেফারেন্সের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক তৈরি করা হয়। আসামিরাও পৃথক আপিল এবং জেল আপিল প্রদান করেছেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ১৬ আসামি হচ্ছেন— সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলা (৫৭), নূর উদ্দিন (২০), শাহাদাত হোসেন শামীম (২০), কাউন্সিলর ও সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাক্সুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলর (৫০), সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের (২১), জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন (১৯), হাফেজ আব্দুল কাদের (২৫), আবছার উদ্দিন (৩৩), কামরুন নাহার মনি (১৯), উম্মে সুলতানা ওরফে পপি (১৯), আব্দুর রহিম শরীফ (২০), ইফতেখার উদ্দিন রানা (২২), ইমরান হোসেন ওরফে মামুন (২২), সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসার সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন (৫৫), মহিউদ্দিন শাকিল (২০) এবং মোহাম্মদ শামীম (২০)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে অ্যাডভোকেটে ফরিদুল আলম সাক্ষ্য দিয়েছেন।
একই সঙ্গে মামলার অন্যতম আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে তার জামিনের আবেদনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষের তৃতীয় সাক্ষীকে জেরার জন্য সময় চেয়ে পৃথক দুটি দরখাস্ত দাখিল করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজিরের আদালতে সাক্ষ্য দেন অ্যাডভোকেটে ফরিদুল আলম। বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অ্যাডভোকেটে ফরিদুল আলম আদালতে জবানবন্দি দেন।
আসামি পক্ষ থেকে সাক্ষীকে জেরার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে, তবে আদালত তা মঞ্জুর করেননি।
রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী আরও বলেন, বারবার সময়ের আবেদন করে বিচারিক কার্যক্রম বিলম্বিত করার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা এই অতীব গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত করছে। রাষ্ট্রপক্ষ দ্রুত ও নির্ধারিত সময়ে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করে মামলাটি নিষ্পত্তির দিকে এগিয়ে নিতে চায়।
শুনানির সময় চার্জশিটভুক্ত আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়।
অন্য আসামিদের কারাগার থেকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন চট্টগ্রাম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, তৎকালীন সিএমপির কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
জুন মাসে মামলাটি বিচার উপযোগী বিবেচিত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় ২৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। এ ছাড়া ১২ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।
গত ২ ফেব্রুয়ারি নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত তিনজন সাক্ষী দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্রের বরফ দ্রুত কমছে। এর কারণে, যেসব এলাকায় বরফ থাকার কারণে আগে তিমি যেতে পারত না, এখন সেসব এলাকায় তারা খাবারের সন্ধানে যাচ্ছে।
দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণায় বিজ্ঞানীরা পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের উপকূলে হাম্পব্যাক, ফিন ও মিঙ্কি তিমির উপস্থিতির রেকর্ড করেছেন। গ্রীষ্মকালে, বরফমুক্ত সমুদ্রের কারণে এসব তিমিকে প্রচুর খাবার খেতে দেখা যাচ্ছে। পূর্বে দিতে গ্রীনল্যান্ডের এই এলাকায় তিমিদের দেখাই পাওয়া যেত না, কারণ সমুদ্রের পানি বরফে ঢাকা থাকায় তিমিগুলোর প্রবেশের সুযোগ ছিল না।
এখন, সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে এবং বরফ গলতে শুরু করেছে। এর ফলে তিমিগুলো নতুন নতুন এলাকায় যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে গ্রীষ্মকালের ‘খাবারের উৎসব’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, এটি পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্র পরিবেশে একটি বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
গবেষণায় দেখা গেছে যে, ২০০৬ সালের আগে ওই এলাকায় জাহাজ থেকে কোনো হাম্পব্যাক তিমি পাওয়া যায়নি। ২০০৭ সালে সাতটি হাম্পব্যাক তিমি দেখা যায়। কিন্তু ২০২৪ সালে, সেই সংখ্যা বেড়ে গিয়ে জাহাজ থেকে ১৫০টি হাম্পব্যাক তিমির উপস্থিতির রেকর্ড করা হয়েছে।
গবেষকরা ২০১৫ ও ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের উপকূলে আকাশপথে তিমির ওপর জরিপ করেছেন। পাশাপাশি, স্যাটেলাইটে নজরদারি করা ১৫টি আকৃতি তিমির চলার পথের তথ্য এবং স্থানীয় ইনুইট শিকারিদের তথ্যও গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে গ্রিনল্যান্ড সাগরে প্রায় ৪ হাজার হাম্পব্যাক, ৬ হাজার ফিন এবং ৬ হাজার মিঙ্কি তিমি এসেছিল। গ্রিনল্যান্ড ইনস্টিটিউট অব ন্যাচারাল রিসোর্সেসের অধ্যাপক ম্যাডস পিটার হাইডে-জর্গেনসেন বলেছেন, উপমেরু অঞ্চলের অন্যান্য অনেক জায়গার তুলনায় পূর্ব গ্রিনল্যান্ডে পরিবেশের পরিবর্তন অত্যন্ত বড়।
গবেষকদের মতে, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং খাবার সহজলভ্য হওয়ায় তিমিগুলো এসব এলাকায় আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, উষ্ণ পানির সঙ্গে পূর্ব গ্রিনল্যান্ডে চলে আসা মাছ শিকার করে এই তিমিগুলো।
গবেষকদের হিসাবমতে, গ্রীষ্মের খাদ্য মৌসুমে এই তিন প্রজাতির তিমি মিলে প্রায় ৮ লাখ টন মাছ ও ক্রিল খেতে সক্ষম হয়। তবে, তিমির সংখ্যা সত্যিই বেড়েছে কি না, নাকি অন্য এলাকা থেকে তিমিগুলো পূর্ব গ্রিনল্যান্ডে চলে আসায় সেখানে বেশি দেখা যাচ্ছে, তা এখনো নিশ্চয়তা নেই।
কিছু বিশেষজ্ঞের ধারণা, তিমিগুলো পশ্চিম গ্রিনল্যান্ড থেকে পূর্ব দিকে আসছে। এটি একটি সংবেদনশীল বিষয়, কারণ গ্রিনল্যান্ডে কিছু প্রজাতির তিমি শিকার করা হয়। তবে গবেষকদের মতে, তিমিগুলো পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে এবং নতুন পরিস্থিতি থেকে সুবিধাও পাচ্ছে।
অধ্যাপক হাইডে-জর্গেনসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে সব প্রাণীর জন্য একসাথে একই প্রভাব ফেলছে না। কিছু প্রজাতির জন্য এটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে কিছু প্রাণী তাদের পুরনো আবাসস্থল হারাচ্ছে। নারহোয়াল ও বেলুগাসহ আর্কটিকের বিভিন্ন প্রাণীও এই পরিবর্তনের প্রভাবের মুখে পড়ছে। নতুন এলাকায় তিমির সংখ্যা বাড়ায় এসব প্রাণীর মধ্যে খাবার ও আবাসস্থল নিয়ে প্রতিযোগিতাও বৃদ্ধি পেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়া প্রায় ১০টি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। অনলাইন ডেস্ক। প্রকাশ: ২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:১৪।
ছবি : রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকের ইচ্ছা প্রকাশ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করেছে। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন যে, উত্তর কোরিয়া পিয়ংইয়ং এলাকা থেকে প্রায় ১০টি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা জানিয়েছে।
এদিকে, গত বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি কিম জং উনের সঙ্গে আবার বৈঠক করতে চান। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কিমের সঙ্গে যে সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন, তা আবারও ফিরিয়ে আনতে ইচ্ছুক।
ট্রাম্প কিমের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। এসময় তিনি দাবি করেন, বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫৭টি শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। ট্রাম্পের কিমের প্রতি নতুন করে আগ্রহ এবং যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে এশিয়ার মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং বুধবার বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার ভাইয়ের কথিত যোগাযোগ সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।
তবে তিনি জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প সম্পর্কে কিমের এখনো ‘ভালো স্মৃতি ও অনুভূতি’ রয়েছে। দুই নেতার সম্পর্ককেও তিনি ভালো বলে দাবি করেছেন।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে মহড়াটি ২৭ আগস্টের পরিবর্তে শুক্রবার শেষ হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে আনুমানিক ৮০ থেকে ১২০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ