শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৪ পি.এম
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১২ নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত ‘মডেল’ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, ব্যবসায়ী ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইদুর রহমান খোকা। তিনি সমাজের
অবহেলিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং জনসেবার পরিধি বিস্তৃত করতেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
গুজিয়াম ৩নং ওয়ার্ড গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এস এম সাইদুর রহমান খোকা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সম্প্রতি জনসাধারণের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন: আমার দীর্ঘদিন রাজনৈতিক জীবনে আমি জন্মলগ্নথেকেই বিএনপির পরিবারের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িয়ে আছি। সে কারণে আমার ইউনিয়নের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। আমি এই মাটির সন্তান। এ অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথে আমি সব সময় ছিলাম এবং আগামীতেও থাকব। আমার মূল লক্ষ্য হলো আমিরাবাড়ী ইউনিয়নকে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করা এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তর করে একটি সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গঠন করা।"
স্থানীয়রা জানান, জনপ্রতিনিধি না হয়েও এস এম সাইদুর রহমান খোকা নিজ উদ্যোগে রাস্তাঘাট মেরামত, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইতিমধ্যে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন।
বিশেষ করে করোনাকালীন দুর্যোগ ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে তার মানবিক সহায়তা ছিল চোখে পড়ার মতো।
এস এম সাইদুর রহমান খোকা কেবল একজন সফল ব্যবসায়ীই নন, বরং সমাজ সংস্কারে তার ভূমিকা বহুমুখী।
নির্বাচনী প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি ক্ষমতার লোভে নয়, সাধারণ মানুষের ভালোবাসা নিয়ে তাদের খাদেম হতে চাই।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুযোগ পেলে সেবার পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।”
এলাকার সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, একজন শিক্ষিত, সাদা মনের মানুষ ও দানবীর হিসেবে এস এম সাইদুর রহমান খোকা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ১২নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের চেহারাই বদলে যাবে। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিত কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাস্তব জীবনের প্রেম এবার নতুন মাত্রায় রুপালি পর্দায় উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা রাশমিকা মান্দানা এবং বিজয় দেবেরাকোন্ডা বিয়ের পর প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন। তাদের নতুন সিনেমা রানাবালি মুক্তির পূর্বে রাশমিকার একটি মিষ্টি মন্তব্য আবারও আলোচনায় এনেছে এই তারকা জুটিকে।
সম্প্রতি সিনেমাটির এন্ধাইয়া সামি গানের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গল্পে প্রকাশ করেন রাশমিকা। সেখানে বিজয়কে নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি লেখেন, "এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে সে পুরোপুরি আমার। তবুও তার প্রতি ক্রাশ খাওয়া আমি থামাতে পারি না।"
বিজয়ের পক্ষ থেকে রাশমিকার এই কথার জবাবও এসেছে। তিনি লেখেন, "আমি আশীর্বাদপুষ্ট। আমি জয়াম্মাকে মিস করব। তবে তোমাকে তো সারা জীবনের জন্য পেয়েছি।"
নতুন সিনেমা রানাবালিতে বিজয় দেবেরাকোন্ডা নাম-ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে রাশমিকাকে দেখা যাবে তার স্ত্রী ও সংগ্রামের সঙ্গী জয়াম্মার চরিত্রে।
সিনেমাটির গল্পের পটভূমি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সময় ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষ। গল্পে দক্ষিণ ভারতে দুর্ভিক্ষের সময় এক বিদ্রোহী যোদ্ধা ব্রিটিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তিনি নিজের অঞ্চল ও সেখানকার মানুষের সুরক্ষায় এগিয়ে আসেন।
সিনেমায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর্মকর্তা স্যার থিওডোর হেক্টর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আর্নল্ড ভসলো। তিনি সিনেমায় রানাবালির অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ।
রাহুল সাংকৃত্যায়ন পরিচালিত সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে মিথ্রি মুভি মেকার্স। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে রানাবালি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন সম্প্রতি একটি অত্যাধুনিক মুঠো কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমিটার তৈরি করেছে, যা হাতে থাকা অবস্থায় প্রচলিত যন্ত্রের তুলনায় উচ্চতর গতিতে সমুদ্রের তলায় সাবমেরিন শনাক্ত করতে সক্ষম।
এই যন্ত্রটি চীনের ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পেং শিনহুয়া এবং তার সহকর্মীদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি পাতালরেলের ট্রেনের গতিবিধি অনুসরণ করে নির্মিত, যা রেলস্টেশনে প্রবেশের সময় গতি কমানো, থামা এবং ইঞ্জিনের শক্তিতে পুনরায় সচল হওয়া- সবকিছু সফলভাবে শনাক্ত করতে পারে।
ক্ষুদ্রাকৃতির এই প্রযুক্তিটি মূলত সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ডুবোজাহাজের চৌম্বকীয় অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করা সেটির অবস্থান নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। এটি নৌচলাচল ও অবস্থান নির্ণয়, খনিজ অনুসন্ধান, মাইন অপসারণ, শহরের যান চলাচল পর্যবেক্ষণ, ভূগর্ভস্থ ধাতব পাইপলাইনের ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ খোঁজার মতো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
০.৪ ইঞ্চি ঘনত্বের এই কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমিটারটি পেনসিলের চেয়ে সামান্য বড় এবং ৫ ওয়াট বিদ্যুতে কাজ করে। ০.১ থেকে ১০ হার্টজের নিম্ন-কম্পাঙ্ক পরিসরে এর সংবেদনশীলতা প্রতি বর্গমূল হার্টজে প্রায় ১০ পিকোটেসলা। এর ফলে চলন্ত ট্রেনের তৈরি চৌম্বকীয় বিঘ্নকে পৃথিবীর পটভূমি চৌম্বকক্ষেত্র থেকে আলাদা করে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
প্রচলিত সুপারকন্ডাক্টিং কোয়ান্টাম ইন্টারফেরেন্স ডিভাইস এবং স্পিন-এক্সচেঞ্জ রিলাক্সেশন-ফ্রি অ্যাটমিক ম্যাগনেটোমিটারের মতো আরও সংবেদনশীল যন্ত্রের ক্ষেত্রে সাধারণত অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা বা সম্পূর্ণ চৌম্বকীয় আবরণ প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই ছোট যন্ত্রটি চৌম্বকীয় জটিল এবং চলমান পরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, নির্ভরযোগ্য পরিমাপ বজায় রাখতে যন্ত্রটি সংকেতের শক্তি, সর্বোচ্চ মাত্রা ও স্থায়িত্ব পরীক্ষা করে। যখন চৌম্বকক্ষেত্র দ্রুত বদলায়, তার শক্তি ও উৎসে পরিবর্তন ঘটে বা ক্ষেত্রটি অসম হয়, তখন যন্ত্রটি সম্পূর্ণ কম্পাঙ্ক পরিসর পরীক্ষা করে আবার উৎস কেন্দ্র খুঁজে বের করে এবং এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ‘লক’ ফিরে পায়।
গবেষণাপত্রে প্রতি সেকেন্ডে ২৫ হাজার ২ শত ন্যানোটেসলার স্লিউ রেটের উল্লেখ করা হয়েছে, যা আমেরিকার কোয়ানস্পিন কোম্পানির তৈরি এমজি ম্যাগনেটোমিটারের প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০ হাজার ন্যানোটেসলার হারের প্রায় আড়াই গুণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘টাকা আসে, ভবিষ্যত গড়ে’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফেনীতে শুরু হয়েছে রেমিট্যান্স উৎসব ও ব্যবস্থাপনা মেলা। আজ শুক্রবার সকালে শহরের পিটিআই মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল হক চৌধুরী, যিনি উৎসবের উদ্বোধন করেন।
উৎসবটি সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বাউল গানের মাধ্যমে শেষ হবে। ইউএনসিডিএফ’র আয়োজনে কান্ট্রি প্রজেক্ট ম্যানেজার সাদাত মাইনুদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।
আবৃত্তিকার সৈয়দ আশরাফুল হক আরমানের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক দিদার মিয়া, ফেনী টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জুনায়েদ এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মজিবুর রহমান। পরে অতিথিরা স্টল প্রদর্শনী ও ভিআইপি বুথ, ডিজিটাল রেমিট্যান্স ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের সরাসরি প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
প্রধান অতিথি বলেন, "প্রবাসীরা অনেক পরিশ্রম করে। সেখানে গিয়ে অনেক কষ্ট করে অর্থ উপার্জন করে। কিন্তু তারা তো সেখানে গিয়ে ফেরত আসে। ফেরত আসার পর কি করবে তা আমরা ভাবি না। এজন্য সঞ্চয়টা প্রয়োজন। আমাদের কাজ হলো তারা অর্থ কিভাবে ব্যবহার করবে তা নিয়ে কাজ করা। এ নিয়ে সরকার কাজ করছে। সরকারের বিভিন্ন ব্যাংকও রয়েছে এজন্য।"
মেলায় ২০টি স্টলে বিভিন্ন সরকারি, এনজিও ও উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেছে। দিনভর জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা, অংশীদারদের বুথ পরিদর্শন, বিতর্ক, নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা ও আর্থিক সচেতনতাকরণসহ বিভিন্ন আয়োজন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু মামদানিকে ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে অভিহিত করেন এবং ইসরাইলের সামরিক বাহিনী সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ তোলেন।
এর আগে বিভিন্ন সময় মামদানি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী বলে অভিহিত করেছেন। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু তাকে তীব্র আক্রমণ করেন।
নেতানিয়াহু ভাষণে বলেন, ‘সত্যকে বিকৃত করার জন্য আপনাকে ধিক্কার। আক্রান্ত ব্যক্তি ও আক্রমণকারীকে উলটোভাবে উপস্থাপন করায় আপনাকে ধিক্কার। সত্যের মুখে থুতু দেওয়ায় আপনাকে ধিক্কার জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনাব মামদানি, আপনি যখন থেকে এই শহরের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন, তখন থেকে অনেক ইহুদি নিউইয়র্কে নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না। তারা আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা আমাকে বলেছেন, আমরা যে শহরকে চিনতাম, এটি সেই শহর নয়। শহরটি খুব দ্রুত বদলে গেছে।’
মামদানির উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনি বারবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। জনাব মামদানি, আপনি আমাকে এখানে আসতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আপনি আমাকে চুপ করাতে চেয়েছেন। কিন্তু আপনি আমাকে চুপ করাতে পারবেন না।’
গাজায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ইসরাইলি গণহত্যা করেনি; বরং একটি গণহত্যা ঠেকিয়েছে।
ইসরাইল শুরু থেকেই গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, তারা কেবল হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং হামাস বেসামরিক নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। বক্তব্যে নেতানিয়াহু মেয়র মামদানিকে হামাসের ‘বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেন।
তবে জোহরান মামদানি হামাসকে সমর্থন করেন না। তিনি নিজে ইহুদিবিদ্বেষের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইসরাইলের নীতি ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনাকে সম্পূর্ণ ভুলভাবে ইহুদিবিদ্বেষের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ