প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু মামদানিকে ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে অভিহিত করেন এবং ইসরাইলের সামরিক বাহিনী সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ তোলেন।
এর আগে বিভিন্ন সময় মামদানি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী বলে অভিহিত করেছেন। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু তাকে তীব্র আক্রমণ করেন।
নেতানিয়াহু ভাষণে বলেন, ‘সত্যকে বিকৃত করার জন্য আপনাকে ধিক্কার। আক্রান্ত ব্যক্তি ও আক্রমণকারীকে উলটোভাবে উপস্থাপন করায় আপনাকে ধিক্কার। সত্যের মুখে থুতু দেওয়ায় আপনাকে ধিক্কার জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনাব মামদানি, আপনি যখন থেকে এই শহরের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন, তখন থেকে অনেক ইহুদি নিউইয়র্কে নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না। তারা আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা আমাকে বলেছেন, আমরা যে শহরকে চিনতাম, এটি সেই শহর নয়। শহরটি খুব দ্রুত বদলে গেছে।’
মামদানির উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনি বারবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। জনাব মামদানি, আপনি আমাকে এখানে আসতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আপনি আমাকে চুপ করাতে চেয়েছেন। কিন্তু আপনি আমাকে চুপ করাতে পারবেন না।’
গাজায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ইসরাইলি গণহত্যা করেনি; বরং একটি গণহত্যা ঠেকিয়েছে।
ইসরাইল শুরু থেকেই গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, তারা কেবল হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং হামাস বেসামরিক নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। বক্তব্যে নেতানিয়াহু মেয়র মামদানিকে হামাসের ‘বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেন।
তবে জোহরান মামদানি হামাসকে সমর্থন করেন না। তিনি নিজে ইহুদিবিদ্বেষের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইসরাইলের নীতি ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনাকে সম্পূর্ণ ভুলভাবে ইহুদিবিদ্বেষের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন