ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

২০৫০ সালের মধ্যে ১৪টি পুরোনো পারমাণবিক চুল্লি পরিবর্তন করার পরিকল্পনা জাপানের


২০৫০ সালের মধ্যে ১৪টি পুরোনো পারমাণবিক চুল্লি পরিবর্তন করার পরিকল্পনা জাপানের

ঢাকা, ০৫ জুন, ২০২৬ : ফুকুশিমা পারমাণবিক দুর্ঘটনার ১৫ বছরেরও বেশি সময় পরে জাপান আবারও পারমাণবিক ব্যবহার বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে। দেশটি ২০৫০ সালের মধ্যে তাদের পুরোনো হয়ে যাওয়া ১৪টি পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লি নতুন চুল্লি দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চায়। শুক্রবার স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জাপানের শিল্প মন্ত্রণালয় পরিকল্পনাটির একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা সেন্টার এবং সেমিকন্ডাক্টর (চিপ) কারখানার মতো আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারের ফলে দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদা মেটাতে সরকার এমন উদ্যোগ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশ তদন্ত শুরু

কিয়োদো নিউজ এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকেসহ জাপানের গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৪০-এর দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচটি এবং ২০৫০ সালের মধ্যে মোট ১৪টি পারমাণবিক চুল্লি প্রতিস্থাপনের আশা করছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর রিপোর্ট বলছে, এই প্রথম জাপান সরকার পারমাণবিক চুল্লি প্রতিস্থাপনের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে।

শুক্রবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বৈঠকে এই পরিকল্পনাটি উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা আগামী গ্রীষ্মে এই খসড়া পরিকল্পনাটি পর্যালোচনা করবেন।

কিয়োদো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের বিদ্যুৎ খাতের হিসাব অনুযায়ী ২০৪০-এর দশকে দেশটিতে প্রায় ৫৫ লাখ কিলোওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এই ঘাটতি প্রায় পাঁচটি পারমাণবিক চুল্লি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের সমান।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান সফর শেষে আজ ঢাকায় আসছেন লিউ হাইশিং

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রের তিনটি চুল্লি গলে যায়। ওই দুর্ঘটনার পর জাপান তাদের সব পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল।

তবে বর্তমানে কয়লা বা গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে, ২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ পরিবেশবান্ধব (কার্বন নিরপেক্ষ) দেশ হতে এবং এআই খাতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে জাপান পুনরায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে অবাধে চলছে চিংড়ি রেণুসহ শতাধিক প্রজাতির মাছের পোনা নিধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


পিরোজপুরে অবাধে চলছে চিংড়ি রেণুসহ শতাধিক প্রজাতির মাছের পোনা নিধন

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বলেশ্বর নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাগদা ও গলদা চিংড়ির রেণু শিকার চলছে। রেণু শিকার করার ফলে নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে শতাধিক প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী। এখানে গড়ে উঠেছে কোটি টাকার অবৈধ সিন্ডিকেট। কোস্ট গার্ড ও মৎস্য বিভাগের নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি থাকলেও এই ধ্বংসযজ্ঞ থামছে না।

২০০০ সালে সরকার চিংড়ির পোনা আহরণ নিষিদ্ধ করলেও তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। মৎস্য বিভাগ বলছে, মাঠপর্যায়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, কিন্তু বাস্তব চিত্রটি ভিন্ন।

বলেশ্বর নদীর বড়মাছুয়া ইউনিয়নের স্টিমারঘাট এলাকা, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের সাংরাইল এলাকা এবং সাপলেজা ইউনিয়নের খেতাছিড়া এলাকায় প্রতিদিন লাখ লাখ চিংড়ির রেণু আহরণ করা হচ্ছে। সংগৃহীত পোনাগুলো স্থানীয় আড়তদারদের মাধ্যমে খুলনা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দিন ও রাত পালাক্রমে উপকূলীয় এলাকার বড়মাছুয়া অংশের বলেশ্বর নদীতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ, এমনকি ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুসহ অনেক নারীও চিংড়ির পোনা আহরণে অংশ নিচ্ছেন। পোনা আহরণকারীরা নদী ও খালের মোহনায় মশারির জাল ব্যবহার করে গলদা ও বাগদা চিংড়ির পোনা সংগ্রহ করেন। পরে এসব পোনা স্থানীয় মহাজন বা আড়তদারদের কাছে বিক্রি করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চিংড়ির পোনা ধরতে গিয়ে অনেকে অন্যান্য প্রজাতির মাছের পোনাও ধ্বংস করে ফেলছেন। একটি চিংড়ির পোনার জন্য গড়ে শতাধিক অন্যান্য মাছের পোনা নষ্ট হয়ে যায়। সচেতনতা ও উপযুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করলে অন্য মাছের পোনা ধ্বংস না করেও চিংড়ির পোনা আহরণ করা সম্ভব।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্থানীয় জেলে বলেন, মহাজনরা পোনা আহরণকারীদের কাছ থেকে প্রতিটি পোনা ১ থেকে ২ টাকায় কিনে আড়তে জমা করেন। পরে সেসব পোনা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন চিংড়িঘেরে পাঠানো হয়। প্রান্তিক সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে কেনা পোনা মহাজনরা ৫ থেকে ৭ টাকা দরে ঘেরমালিকদের কাছে বিক্রি করেন।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, অপরিকল্পিতভাবে চিংড়ির পোনা আহরণের মাধ্যমে কিছু দরিদ্র মানুষ সাময়িকভাবে উপকৃত হলেও এর ফলে অন্যান্য প্রজাতির মাছের পোনা ব্যাপকভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে। চিংড়ির পোনা ধরার সময় অন্যান্য মাছের পোনা ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে জনবল সংকটের কারণে কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


শেরপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে ‘স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শেরপুর জেলার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন এই কর্মশালাটি আয়োজন করে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এক্টিভেটিং ভিলেজ কোর্টস ইন বাংলাদেশ ফেজ থ্রী (এ ভি সি বি-৩) প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক গোলাম রব্বানী।

কর্মশালায় জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত জেলায় গ্রাম আদালতে মোট ১ হাজার ৪১৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে নারী আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৯৪ জন। নিষ্পত্তির হার ৯০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বিচার প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ ১৫ শতাংশ। উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলা ৩৩টি এবং ক্ষতিপূরণ আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৬ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সবার একসঙ্গে কাজ করা জরুরি। গ্রাম পর্যায়ে সমাধানযোগ্য মামলা জেলা শহরে যাতে না আসে এবং মানুষ যেন ভোগান্তিতে না পড়ে, সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি এও বলেন, ধর্ষণসহ সংবেদনশীল মামলা অবশ্যই উচ্চ আদালতে পাঠাতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই এই ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ও সম্মান রাখতে হবে।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ছাড়াও এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা। এছাড়া, কর্মশালাটির সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক।

কর্মশালায় বক্তৃতা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. লুৎফুল কবীর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন, উপ-পরিদর্শক আমিনুল হক, জেলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক অফিসার সমিতির সভাপতি মো. হযরত আলী, এবং এ ভি সি বি প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম ও মুশফিকুর রহমানসহ অনেকে।

এছাড়া কর্মশালায় সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল না পেয়ে অভিমান কাউখালীতে বিষপানে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী  প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


মোবাইল না পেয়ে অভিমান কাউখালীতে বিষপানে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে বাবা-মায়ের কাছে আবদার করা মোবাইল ফোন না পেয়ে অভিমান করে তাওহীদ (১৪) নামের এক স্কুলছাত্র চালের পোকা মারার বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত ১০টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত তাওহীদ উপজেলার দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে এবং কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাওহীদ বেশ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করে আসছিল। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের জন্য জেদ ধরলে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন এবং উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন। এ সময় মা তাকে কিছুটা বকাঝকাও করেন। এতে পরিবারের ওপর অভিমান করে তাওহীদ সবার অগোচরে ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর তাওহীদ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে তাওহীদ।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সন্তানকে হারিয়ে শোকাহত বাবা-মা এখন সম্পূর্ণ বাকরুদ্ধ। তাওহীদের এই আকস্মিক মৃত্যুতে তার স্বজন, সহপাঠী, শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম শোক ও বিষাদের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু

জেলার মুকসুদপুরে ঘটে যাওয়া দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ও পেছনের ধাক্কায় ২ জন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার রাগদি এলাকায় এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়।

নিহত দুইজন হলেন, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের অমলেন্দু হাওলাদারের ছেলে অমিতভ হাওলাদার (৪২) এবং শেরপুর জেলার আব্দুস সামাদের ছেলে আবুল কালাম (৩০)।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, রাতে ঢাকাগামী বিআরটিসির একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের রাগদী ব্রিজে সজোরে ধাক্কা দেয়।

ঠিক তখন পেছন থেকে আসা হিমেল সীমান্ত পরিবহনের আরেকটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হেরিয়ে বিআরটিসি বাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এই দুর্ঘটনার ফলে বাসের ভেতরে থাকা অন্তত ২৭ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসকর্মী এবং স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল খান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপরই দ্রুত উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয়েছে।

দুর্ঘটনা কবলিত যান দুটির মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%