প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে ‘স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শেরপুর জেলার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন এই কর্মশালাটি আয়োজন করে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এক্টিভেটিং ভিলেজ কোর্টস ইন বাংলাদেশ ফেজ থ্রী (এ ভি সি বি-৩) প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক গোলাম রব্বানী।
কর্মশালায় জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত জেলায় গ্রাম আদালতে মোট ১ হাজার ৪১৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে নারী আবেদনকারীর সংখ্যা ৪৯৪ জন। নিষ্পত্তির হার ৯০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বিচার প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ ১৫ শতাংশ। উচ্চ আদালত থেকে প্রেরিত মামলা ৩৩টি এবং ক্ষতিপূরণ আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৬ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ টাকা।
আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সবার একসঙ্গে কাজ করা জরুরি। গ্রাম পর্যায়ে সমাধানযোগ্য মামলা জেলা শহরে যাতে না আসে এবং মানুষ যেন ভোগান্তিতে না পড়ে, সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
তিনি এও বলেন, ধর্ষণসহ সংবেদনশীল মামলা অবশ্যই উচ্চ আদালতে পাঠাতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই এই ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ও সম্মান রাখতে হবে।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ছাড়াও এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আরিফা সিদ্দিকা। এছাড়া, কর্মশালাটির সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক।
কর্মশালায় বক্তৃতা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. লুৎফুল কবীর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন, উপ-পরিদর্শক আমিনুল হক, জেলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক অফিসার সমিতির সভাপতি মো. হযরত আলী, এবং এ ভি সি বি প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম ও মুশফিকুর রহমানসহ অনেকে।
এছাড়া কর্মশালায় সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন