বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৪ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এবারের দুর্গাপূজায় এক দিন ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নেতারা এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আজ বুধবার, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগে দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি ছিল এক দিন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তা আরেক দিন বাড়ানো হয়েছিল। এবার আরো এক দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে পূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি দাঁড়িয়েছে তিন দিন। এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় কার্যত টানা পাঁচ দিন ছুটি থাকবে।’
মন্ত্রী জানান, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি বলেন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে শুরু করে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টার মনিটরিং ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দ্রুত জানাতে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) একটি অ্যাপ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পূজামণ্ডপে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প হিসেবে জেনারেটর প্রস্তুত রাখতে হবে। কোনো কারণে জেনারেটরও কাজ না করলে চার্জার লাইটসহ বিকল্প আলোর ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আশাবাদী যে, সবার সহযোগিতা ও নজরদারিতে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা কোনো ভালনারেবল বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের খবর পাইনি। তবে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে, সবাই সতর্ক আছে। কোনো মণ্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ বলে তথ্য পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মহানবমী ও ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর ছুটির সঙ্গে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে ছুটি যোগ হয়েছে। পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছাত্রদল নেতা আমানউল্লাহ আমান কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সালমান মুক্তাদির বিতর্কিত ও দখলকৃত সম্পত্তিতে স্টুডিও নির্মাণ করেছেন এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া একটি ঘটনার দায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির ওপর চাপানোর চেষ্টা করেছেন।
এ ঘটনার পর বিএনপির ইমেজ ক্ষুণ্ন করার প্রতিবাদে আমানউল্লাহ আমান সালমান মুক্তাদিরকে প্রকাশ্যে ও শর্তহীন ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে আমান বলেন, রাজধানীর একটি বিতর্কিত প্রপার্টি দখল এবং তা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে জামায়াতের এক রোকন সদস্য (নাজিমুদ্দিন ভূঁইয়া) ও অপর এক পক্ষ জড়িত থাকলেও বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা বা অস্তিত্ব নেই। তবুও, স্টুডিও ভাঙচুরের পর সালমান মুক্তাদির লাইভে এসে সরাসরি বিএনপিকে চাঁদাবাজ হিসেবে ফ্রেমিং করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন।
তিনি সালমান মুক্তাদিরের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, তিনি কি জেনেশুনে ওই বিতর্কিত ও দখলকৃত প্রপার্টিতে এত টাকা বিনিয়োগ করে স্টুডিও নির্মাণ করেছিলেন? বিনা মূল্যে বা কম ভাড়ায় সুবিধা নিতে এবং জায়গাটি দখলের ঢাল হিসেবে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, অথবা তিনি নিজে কারো ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন কি না?
তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, যে প্রক্রিয়ায় স্টুডিওটি ভাঙচুর করা হয়েছে, সেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমানউল্লাহ আমান আরও অভিযোগ করেন, বিএনপিকে চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করে একটি নির্দিষ্ট ‘ফ্রেমিং’-এর মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে দল হিসেবে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মানুষের কাছে ভুল বার্তা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ভূমিকা রাখা সালমান মুক্তাদির যদি সততা ও সাহসিকতার পরিচয় দিতে চান, তবে তাকে সংবাদ সম্মেলন বা লাইভে এসে এই অসত্য বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া একটি রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায়, তার ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং মার্শাল আর্টের কিংবদন্তি জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর গুজব আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ৭২ বছর বয়সী এই অভিনেতার মৃত্যুর দাবিতে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। তবে হেরাল্ড অনলাইন জানায়, এই খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আন্তর্জাতিক অ্যাকশন সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় এই তারকা জীবিত আছেন।
সম্প্রতি জ্যাকি চ্যানের একটি সাদাকালো ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবির পাশে লেখা রয়েছে ‘১৯৫৪-২০২৬’। স্মরণবার্তার আদলে তৈরি হওয়া ছবিটি দেখে অনেকেই ধারণা করেন, মারা গেছেন প্রিয় এই অভিনেতা।
এরপর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তার মৃত্যুর গুজব। ভক্ত-অনুরাগীদের অনেকেই শোক প্রকাশ করতে শুরু করেন। এমনকি এক্সে (সাবেক টুইটার) ছবিটি ব্যবহার করে জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে একটি পোস্টও দেওয়া হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পোস্টটি লাখোবার দেখা হয়।
তবে ভাইরাল হওয়া ছবির সঙ্গে জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। বরং চলতি বছরের জুলাই মাসে সিঙ্গাপুরের একটি অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গেছে।
সিঙ্গাপুরের পেই চুন পাবলিক স্কুলে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রায় ৯০০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক তাকে স্বাগত জানান। সেখানে উশু, সিংহ ও ড্রাগন নৃত্য পরিবেশনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের শৈশব, দীর্ঘ অভিনয়জীবন ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেতা। অনুষ্ঠান শেষে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজের একটি গানও পরিবেশন করেন।
জ্যাকি চ্যানকে ঘিরে মৃত্যুর গুজব অবশ্য নতুন নয়। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একাধিকবার এমন ভুয়া খবর ছড়িয়েছে। ২০১১ সালে এ ধরনের গুজবের তথ্য নথিভুক্ত করেছিল ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা আফ্রিকা চেক। ২০১৫ সালেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তার মৃত্যুর মিথ্যা খবর। সে সময় ভক্তদের আশ্বস্ত করতে নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি জীবিত আছেন।
২০২৫ সালেও ফেসবুকে জ্যাকি চ্যানের মৃত্যুর দাবি ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে সেই খবরও মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিনোদনজগতে কাজ করছেন জ্যাকি চ্যান। অভিনয়ের পাশাপাশি মার্শাল আর্টের দক্ষতা ও নিজস্ব অ্যাকশনধর্মী অভিনয়শৈলীর জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ‘ড্রাংকেন মাস্টার’, ‘পুলিশ স্টোরি’, ‘রাশ আওয়ার’, ‘দ্য ক্যারাটে কিড’ ও ‘কুংফু পান্ডা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে হংকংয়ের চলচ্চিত্র থেকে হলিউড—দুই অঙ্গনেই নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এই তারকা।
বারবার ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর গুজবের পরও জ্যাকি চ্যানকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। তবে সংশ্লিষ্টরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন সংবেদনশীল খবর বিশ্বাস করার আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অক্টোবরে মুক্তির ঘোষণা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রেক্ষাগৃহে আসছে না রায়হান রাফী পরিচালিত ‘আন্ধার’। নির্মাতার পক্ষ থেকে সম্পাদনাজনিত কারণে সিনেমাটির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জানানো হয়েছে, ‘আন্ধার’ আগামী বছর ২৬ মার্চ, স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পাবে।
এর আগে একটি টিজার প্রকাশ করে অক্টোবরে সিনেমাটির মুক্তির কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু পোস্ট প্রডাকশনের কাজ বাকি থাকায় নির্ধারিত সময়ে মুক্তি নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কা সত্যি হলো।
মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার কারণ সম্পর্কে নির্মাতা জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, "চাইলে আগামী ১৬ অক্টোবরই সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া সম্ভব।" তবে তিনি বলেন, এতে ভিএফএক্সের মান নিয়ে আপস করতে হতে পারে। সিনেমার ক্ষেত্রে এমন কোনো ছাড় দিতে চান না তিনি।
রায়হান রাফী বলেন, "চাইলে অক্টোবরে সিনেমা রিলিজ করতে পারব, ১৬ অক্টোবরেই পারব। সে ক্ষেত্রে হয়তো ভিএফএক্স খারাপ হবে। কিন্তু আমি কোনোভাবেই ছাড় দিতে চাই না। তাই অক্টোবর কিংবা ডিসেম্বর নয়, আগামীতে ঈদ ছাড়াই ২৬ মার্চ ‘আন্ধার’ রিলিজ করব।"
২২১বি ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত ‘আন্ধার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী ও নাজিফা তুষি। এছাড়াও রয়েছেন মোস্তফা মনোয়ার, ফারুক রেহানসহ অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাঝ আকাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল হাইজ্যাকের খবরের কারণে। তবে পরে জানা যায়, বিমানটি ছিনতাই হয়নি, বরং ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে মারামারি ঘটেছিল। এই ঝামেলার ফলস্বরূপ, দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইট তেল আবিবে না গিয়ে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
বুধবার ভোরে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি তেল আবিবের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠায়। কিছুক্ষণ পর, ছিনতাইয়ের সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত একটি কোডও পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী কয়েকটি যুদ্ধবিমান পাঠায়। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও জরুরি বৈঠক করেন।
পরে আবার সাধারণ জরুরি সংকেত দেওয়া হয়। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে না। বিমানটির যাত্রীরা জানান, বিমানটি হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করলে তারা ভয় পেয়ে যান।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, পাইলট ও সহপাইলটের মধ্যে ঝামেলার কারণে জরুরি সংকেত দেওয়া হয়েছিল। এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ইসরায়েলি নাগরিক। বিমানটির গন্তব্য ছিল তেল আবিবের বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দর। তবে শেষ পর্যন্ত এটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ফ্লাইদুবাইয়ের এক মুখপাত্র জানান, ফ্লাইটটি যাত্রাপথে একটি ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।’
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দুবাই থেকে উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি সৌদি আরবের আকাশসীমায় দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে এটি ১৭ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায়। পরে বিমানটি কিছু সময়ের জন্য জর্দানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। কয়েক মিনিট পর সেটি আবার ঘুরে সৌদি আরবের দিকে ফিরে আসে এবং অবতরণের জন্য নিচে নামতে শুরু করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ