প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাঝ আকাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল হাইজ্যাকের খবরের কারণে। তবে পরে জানা যায়, বিমানটি ছিনতাই হয়নি, বরং ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে মারামারি ঘটেছিল। এই ঝামেলার ফলস্বরূপ, দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইট তেল আবিবে না গিয়ে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
বুধবার ভোরে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি তেল আবিবের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি জরুরি সংকেত পাঠায়। কিছুক্ষণ পর, ছিনতাইয়ের সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত একটি কোডও পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী কয়েকটি যুদ্ধবিমান পাঠায়। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও জরুরি বৈঠক করেন।
পরে আবার সাধারণ জরুরি সংকেত দেওয়া হয়। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে না। বিমানটির যাত্রীরা জানান, বিমানটি হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করলে তারা ভয় পেয়ে যান।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, পাইলট ও সহপাইলটের মধ্যে ঝামেলার কারণে জরুরি সংকেত দেওয়া হয়েছিল। এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ইসরায়েলি নাগরিক। বিমানটির গন্তব্য ছিল তেল আবিবের বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দর। তবে শেষ পর্যন্ত এটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ফ্লাইদুবাইয়ের এক মুখপাত্র জানান, ফ্লাইটটি যাত্রাপথে একটি ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।’
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, দুবাই থেকে উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি সৌদি আরবের আকাশসীমায় দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে এটি ১৭ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে যায়। পরে বিমানটি কিছু সময়ের জন্য জর্দানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। কয়েক মিনিট পর সেটি আবার ঘুরে সৌদি আরবের দিকে ফিরে আসে এবং অবতরণের জন্য নিচে নামতে শুরু করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন