শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : মোঃ ফারুক
বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৬ পি.এম
সুনামগঞ্জের শাল্লায় কৃষকদের সরকারি কৃষি সহায়তা সহজে ও সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শাল্লা উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনলাইন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় শাল্লা উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম। সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী চিকিৎসার জন্য বিদেশে থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মিনহাজুর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের উপপরিচালক মো. ওমর ফারুক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, উপসহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন আহমেদ, শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াসচন্দ্র দাস ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভজিৎ রায়।
এ ছাড়া শাল্লা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল, উপজেলা যুবদল আহবায়ক এম এ রাজ্জাক,আঃ করিম মাস্টারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সরকারি কৃষি সহায়তা, কৃষি উপকরণ ও বিভিন্ন সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। কৃষকের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ করা হয়। এ সময় কৃষকরা সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কৃষক কার্ডের কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পাঠানো এক শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং নিজের পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
শুভেচ্ছাবার্তায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ চীন-বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। গত পাঁচ দশকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হয়েছে। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পরিধি ও গভীরতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দুই দেশের জনগণকে আরো কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং সহযোগিতা ও পারস্পরিক সুফলের নতুন নতুন পথ উন্মোচন করেছে।
এতে আরো বলা হয়, নতুন যুগে ‘যৌথ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি’ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অঙ্গীকার আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই অভিন্ন লক্ষ্য আমাদের দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরো শক্তিশালী করবে এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
শুভেচ্ছাবার্তায় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয় এবং চীনের জনগণের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও সাফল্যের জন্য শুভকামনা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেতা সোনু সুদ জানিয়েছেন, বাবা-মা অসুস্থ থাকলে জীবনের অন্য কোনো কিছুই মাথায় থাকত না। হাসপাতালে বাবা-মাকে নেওয়া, চিকিৎসার খোঁজ রাখা এবং তাদের পাশে থাকা তখন তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছিল।
সম্প্রতি ‘কুছ হোগা তো বাতানা’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দেখার পর সোনুর মনে পড়ে যায় বাবা-মায়ের অসুস্থতার সময়ের কথা। চলচ্চিত্রটিতে একজন তরুণীকে বাবার চিকিৎসার জন্য নিজের চাকরি, বন্ধু ও ব্যক্তিগত সময় অনেকটাই ছেড়ে দিতে দেখা যায়।
সোনু জানান, বাবা-মা অসুস্থ থাকার সময় তিনি প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তাদের হাসপাতালে নিয়ে যেতেন। সে সময় সিনেমা, কাজ, নিজের দৈনন্দিন জীবন, শরীরচর্চা কিংবা বন্ধুদের নিয়ে ভাবার মতো মানসিকতা তার ছিল না। বাবা-মায়ের সুস্থতাই তখন তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
হাসপাতালে নিয়মিত যাতায়াতের সময় তিনি আরো অনেক মানুষকে স্বজনের দেখাশোনা করতে দেখেছেন। তাদের জীবন যেন অসুস্থ স্বজনকে ঘিরেই থেমে গেছে—এমন অনুভূতির কথাও তিনি জানান।
সোনুর ভাষ্য, কোনো পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ হলে প্রায়ই পরিবারের অন্য একজনকে তার পুরো জীবনযাপন বদলে ফেলতে হয়। কখন ওষুধ দিতে হবে, কোন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে, চিকিৎসক কী বলেছেন, এরপর কী করতে হবে—এসব ছোট ছোট বিষয় ধীরে ধীরে তার পুরো জীবনের অংশ হয়ে যায়।
সুতরাং, শুধু সহানুভূতি জানানো নয়, পরিচর্যাকারীর পাশে বাস্তবভাবে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সোনু। তার মতে, কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও অসুস্থ ব্যক্তির দায়িত্ব অন্য কেউ নিলে পরিচর্যাকারী কিছুটা নিজের সময় ফিরে পান।
সোনু বলেন, যে মানুষটি সবার যত্ন নিচ্ছেন, তারও কারও যত্ন প্রয়োজন। বাবা-মায়ের অসুস্থতার সময় নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি পরিচর্যাকারীদের এই মানসিক চাপ ও দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৬ কেজি গাঁজা ও ৯৬ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এরপর একই দিন দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকায় অপর একটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় একটি প্রাইভেটকার আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে ৯৬ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয় এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার রাজেশপুর গ্রামের মো. মাসুদ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বড় বাজার চন্দন শাহ বাগান বাড়ি এলাকার মো. রাসেল এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গোদারাঘাট এলাকার মো. রুহুল আমিন।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা গাঁজা ও ফেয়ারডিল সিরাপ এবং প্রাইভেটকার বিধি অনুযায়ী জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুইটি লাইনের বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
প্রকল্পের আওতায় লাইন-১ ও লাইন-৫-এর ভূগর্ভস্থ ও উড়ালপথ, স্টেশন, ডিপো, ট্র্যাক, বিদ্যুৎ, সংকেত এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে মেট্রো রেলের কাজের আটটি ক্রয় প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় এবং তিনটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে লাইন-১-এর সিপি-০২, সিপি-০৬, সিপি-০৯ ও সিপি-১০ এবং লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজের পূর্তকাজ। এছাড়া লাইন-১-এর সিপি-০৪ ও সিপি-০৭ এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-০২ প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
লাইন-১-এর চার প্যাকেজের জন্য ব্যয় ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।
লাইন-১-এর সিপি-০২ প্যাকেজের আওতায় ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে ওয়ার্কশপ, স্ট্যাবলিং শেড, অপারেশন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, কারিগরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, সহায়ক উপকেন্দ্র ও ট্র্যাকশন উপকেন্দ্র।
এ কাজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।
প্রাক্-যোগ্যতা উত্তীর্ণ তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করা হলে তিনটিই দরপ্রস্তাব জমা দেয়। সব কটি প্রস্তাব কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হওয়ার পর সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়।
লাইন-১-এর সিপি-০৬ প্যাকেজের আওতায় নাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ করা হবে। এই প্যাকেজে দুটি সুড়ঙ্গ ও তিনটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। স্টেশনগুলো হলো—বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ ও খেলক্ষেত। এছাড়া টিবিএম চালুর জন্য শ্যাফট নির্মাণ করা হবে।
এই প্যাকেজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা। জাপানের নিশিমাতসু, টিপিএল ও টোডার যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। তাদের দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ভ্যাট ও কর বাদে ৩২ দশমিক ০৫ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে, সিপি-০৯ প্যাকেজের আওতায় রেল, টার্নআউট, পয়েন্ট ও ক্রসিংসহ ট্র্যাক নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। এতে ১৩২ কেভি প্রাথমিক ফিডার, রিসিভিং ও সহায়ক উপকেন্দ্র, ৩৩/০.৪১৫ কেভি বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক এবং ১ হাজার ৫০০ ভোল্টের ওভারহেড বিদ্যুৎ সংযোগব্যবস্থা থাকবে।
এ প্যাকেজে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি) ও সুমিতোমোর যৌথ উদ্যোগকে কাজটির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। তাদের দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ভ্যাট ও কর বাদে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।
সিপি-১০ প্যাকেজের আওতায় মেট্রো রেলের সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্মের দরজা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। যোগাযোগভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, অপটিক্যাল ফাইবারভিত্তিক সঞ্চালন নেটওয়ার্ক এবং এলটিই প্রযুক্তির বেতার যোগাযোগব্যবস্থাও এর অন্তর্ভুক্ত।
এ কাজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা। ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। তাদের দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ভ্যাট ও কর বাদে ৫০ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি।
লাইন-৫-এ উড়ালপথ ও পাঁচ স্টেশন
লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজের আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং নতুন বাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত প্রায় শূন্য দশমিক ৯ কিলোমিটার—মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিনবাজার ও ভাটারায় পাঁচটি উড়াল স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ কাজে ভ্যাট ও করসহ ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা।
চীনের সিআরইসি, এমআইএল ও এমবিইএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশকৃত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দরের চেয়ে শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি।
আরো তিন প্যাকেজের প্রস্তাব সুপারিশ
বৈঠকে লাইন-১-এর সিপি-০৪ প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। রামপুরা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণের এ প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। জাপানের টোকিউ-মিল যৌথ উদ্যোগকে সুপারিশকৃত দরদাতা করা হয়েছে।
সিপি-০৭ প্যাকেজের আওতায় ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা। সিআরইসি-মিল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগকে সুপারিশকৃত দরদাতা করা হয়েছে।
এছাড়া লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণকাজ করা হবে। এ প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকা। কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম ও হ্যানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানির যৌথ উদ্যোগকে সুপারিশকৃত দরদাতা করা হয়েছে।
২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য
জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫-দুই প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। উভয় প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে এসব প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ