প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অভিনেতা সোনু সুদ জানিয়েছেন, বাবা-মা অসুস্থ থাকলে জীবনের অন্য কোনো কিছুই মাথায় থাকত না। হাসপাতালে বাবা-মাকে নেওয়া, চিকিৎসার খোঁজ রাখা এবং তাদের পাশে থাকা তখন তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছিল।
সম্প্রতি ‘কুছ হোগা তো বাতানা’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দেখার পর সোনুর মনে পড়ে যায় বাবা-মায়ের অসুস্থতার সময়ের কথা। চলচ্চিত্রটিতে একজন তরুণীকে বাবার চিকিৎসার জন্য নিজের চাকরি, বন্ধু ও ব্যক্তিগত সময় অনেকটাই ছেড়ে দিতে দেখা যায়।
সোনু জানান, বাবা-মা অসুস্থ থাকার সময় তিনি প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তাদের হাসপাতালে নিয়ে যেতেন। সে সময় সিনেমা, কাজ, নিজের দৈনন্দিন জীবন, শরীরচর্চা কিংবা বন্ধুদের নিয়ে ভাবার মতো মানসিকতা তার ছিল না। বাবা-মায়ের সুস্থতাই তখন তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
হাসপাতালে নিয়মিত যাতায়াতের সময় তিনি আরো অনেক মানুষকে স্বজনের দেখাশোনা করতে দেখেছেন। তাদের জীবন যেন অসুস্থ স্বজনকে ঘিরেই থেমে গেছে—এমন অনুভূতির কথাও তিনি জানান।
সোনুর ভাষ্য, কোনো পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ হলে প্রায়ই পরিবারের অন্য একজনকে তার পুরো জীবনযাপন বদলে ফেলতে হয়। কখন ওষুধ দিতে হবে, কোন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে, চিকিৎসক কী বলেছেন, এরপর কী করতে হবে—এসব ছোট ছোট বিষয় ধীরে ধীরে তার পুরো জীবনের অংশ হয়ে যায়।
সুতরাং, শুধু সহানুভূতি জানানো নয়, পরিচর্যাকারীর পাশে বাস্তবভাবে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সোনু। তার মতে, কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও অসুস্থ ব্যক্তির দায়িত্ব অন্য কেউ নিলে পরিচর্যাকারী কিছুটা নিজের সময় ফিরে পান।
সোনু বলেন, যে মানুষটি সবার যত্ন নিচ্ছেন, তারও কারও যত্ন প্রয়োজন। বাবা-মায়ের অসুস্থতার সময় নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি পরিচর্যাকারীদের এই মানসিক চাপ ও দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন