১০:৪৯ পি.এম
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে পরে শুধু দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নকে দুঃখজনক বলে গণ্য করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন দুঃখজনক। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ১৮ আইন কর্মকর্তার উল্লেখ করা বক্তব্য তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রকাশ। তাদের পদত্যাগপত্রের বক্তব্য প্রমাণ করে যে তারা তাদের পেশাদারিত্বে অবিচল ছিলেন না।
আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, আমি মনে করি রাষ্ট্রের এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
এর আগে, ৭ জন ডিএজি এবং ১১ জন এএজি আজ তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরা সবাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
পদত্যাগ করা ৭ ডিএজি হলেন: অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল করিম, অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট গোলাম রহমান ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন এবং অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।
পদত্যাগ করা ১১ জন এএজি হলেন: অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েছ রানা, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির তানিম, অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, অ্যাডভোকেট জোয়াদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামসিল আরেফিন, অ্যাডভোকেট মাহাবুবা আক্তার রলি, অ্যাডভোকেট নূর নবী উজ্জ্বল, অ্যাডভোকেট আল রেজা আমির, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম এবং অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে : তারেক রহমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন